ইতিহাস

ইংরেজি শিক্ষা ও আলেমদের ফতোয়া

ব্রিটিশরা ভারতবর্ষে পাশ্চাত্য শিক্ষা চালু করার যে তোড়জোড় শুরু করেছিলেন তার কারণ ছিল ইংরেজ শাসনের জন্য অনুগত শ্রেণী তৈরি করা, আর এই শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিরা যে ব্রিটিশ রাজশক্তির দালাল ছাড়া অন্য কিছু হবে না, তা বোঝা যায় দামোদর কোসাম্বির এই তীক্ষ্ণ মন্তব্যে:

‘The new class that rose in the second half of the 19th century after the last upsurge of feudalism in the 1857 Mutiny had been suppressed developed out of the go-between dalal, who were ultimately based on machine production, but production mostly in England, supplied by India with raw materials and market.'[1]D D Koshambi, An Introduction to the Study of Indian History, New Delhi, p 403.

রবার্টসন Standard English সম্পর্কে লিখেছেন ‘আসলে এটা ছদ্মবেশে শাসক শ্রেণীর ভাষা।’[2]Pei Mario, The story of English

এদিকে মুসলমানদের থেকে শাসনক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য মুসলিম সমাজের সাথে ইংরেজদের সম্পর্ক মোটেও ভালো ছিলো না।

মুসলমান শাসনামলে সরকারি কাজকর্মের জন্য হিন্দু মুসলিম সকলকেই আরবি-ফারসি শিখতে হতো।
১৮৩০ সালে, সমস্ত সরকারি কাজকর্ম থেকে ফারসি ভাষাকে বিদায় করা হয় এবং ১৮৩৩-এ বেন্টিঙ্ক ইংরেজিকে সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করেন।[3]দেবোত্তম চক্রবর্তী, বিদ্যাসাগর নির্মাণ বিনির্মান পুনর্নির্মাণ, পৃ 73. ইংরেজ যুগে প্রয়োজন দেখা দিলো ইংরেজি শিক্ষার।

ফলত কলকাতার বাবু শ্রেণীর লোকজনরা ইংরেজি শিক্ষাকে ঈশ্বরের আশীর্বাদ হিসেবে গ্রহণ করে নিলো আর মুসলিম সমাজ ইংরেজি শিক্ষাকে বর্জন করলো। ফলস্বরূপ মুসলিম সমাজ তুলনামূলক পিছিয়ে গেলো ‘শিক্ষায়’

এ বিষয়ে হান্টার বলেন,

‘এক সম্প্রদায় যখন আমাদের শিক্ষাকে গ্রহন করিয়া নিলো, অপর সম্প্রদায়ের প্রাচীন শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা অবদমিত করিয়াছি। যাহার ফলে জীবিকার ক্ষেত্রে সকল দ্বারে মুসলমানেরা বাধাপ্রাপ্ত হয়। এইকথা অনস্বীকার্য যে হিন্দুর মতো মুসলমানেরা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গ্রহণ করিয়া লইলে তাঁরা লাভবান হইতো। কিন্তু ইহা ছিলো মজ্জাগত বিরোধ।'[4]W W Hunter, The Indian Musalmans

আর তখন ইংরেজি স্কুলগুলোতে হিন্দু শিক্ষকরা শিক্ষাদান করতেন, এটাও তৎকালীন মুসলমানদের জন্য একটা সমস্যা ছিলো।

হান্টার জানান,

‘এক কৃষক এক ইংরেজ অফিসারকে জানায় পৃথিবীর এমন কোন শক্তি নাই যে কোন মুসলমানদেরকে হিন্দু শিক্ষকদের কাছে পড়তে বাধ্য করিবে।'[5]W W Hunter, The Indian Musalmans

১৮৩২-এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, কলকাতা মাদ্রাসা ও সংস্কৃত কলেজের সমস্ত ছাত্রকে বাধ্যতামূলকভাবে ইংরেজি পড়তে হবে।[6]H Sharp, Selection from Educational Records, part I, p 133. ইংরেজ সরকার আলিয়া মাদ্রাসা, কলকাতা মাদ্রাসা ও সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠিতই করেছিলো মূলত কেরানি উৎপাদনের জন্য।

এইরকম সময়েই মুসলিম সমাজের আলেমরা এই ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন।
কিন্তু কেন করেছিলেন?

মুসলিমরা যাতে ইংরেজদের দালালে পরিণত না হয় সেজন্য? এটাও একটা কারণ হতে পারে। যেহেতু ইংরেজ তথা ইউরোপীয়দের সাথে মুসলমানদের একটা বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব আছে। ক্রুসেডের অভিজ্ঞতাও আছে। কিন্তু মূল কারণটা আরো ভয়াবহ।

আসলে ইংরেজি শিক্ষার আড়ালে ইংরেজ শাসনের মূল লক্ষ্য ছিলো খ্রিস্টধর্মের প্রচার। আর এই বিষয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ইভ্যাঞ্জেলিক্যালদের একটি বড় দল উইলিয়াম উইলবারফোর্স, পিতা চার্লস গ্র্যান্ট ও পুত্র চার্লস গ্র্যান্ট, জেমস মিল ও জন স্টুয়ার্ট মিল, পিতা জ্যাকারি মেকলে ও পুত্র টমাস ব্যাবিংটন মেকলে, চার্লস ট্রেভেলিয়ান প্রমুখ। সঙ্গে বিশ্বস্ত জুড়িদার হিসেবে থাকেন শ্রীরামপুরের পাদরি কেরি- ওয়ার্ড- মার্শম্যান ত্রয়ী ও জোশুয়া মার্শম্যানের পুত্র জন ক্লার্ক মার্শম্যান।[7]দেবোত্তম চক্রবর্তী, বিদ্যাসাগর নির্মাণ বিনির্মান পুনর্নির্মাণ, পৃ 70-71. ১৭৯২ তে চার্লস গ্রান্ট Observations on the State of Society among the Asiatic Subjects of Great Britain particularly with respect to Morals and on the means of improving it নামে যে পুস্তিকাটি লেখেন, তাতে তিনি ‘পিছিয়ে পড়া’ ভারতীয়দের উন্নতির জন্য দুটি নিদানের কথা বলেন ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন ও সেই সুবাদে খ্রিস্টধর্মের প্রচার।’

মূলত উইলিয়াম উইলবারফোর্স-চার্লস গ্র্যান্ট জুটির জোরদার ওকালতির ফলে ভারতের ‘শিক্ষা সমস্যা’কে রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে স্বীকার করে নেয় ব্রিটিশ সংসদ। সেই অঙ্গীকার বজায় রাখতে রচিত হয় ১৮১৩ সালের সনদের ৪৩ সংখ্যক ধারা, প্রত্যাহৃত হয় মিশনারি প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা।

চার্লস ট্রেভেলিয়ান ভারতে পা দেওয়ার আগে থেকেই পাশ্চাত্য শিক্ষার সমর্থনে কাজ শুরু করেছিলেন। ১৮২৭-এ দিল্লি রেসিডেন্টে স্যার চার্লস মেটক্যাফের সহকারী হিসেবে যোগদান করার পরে ট্রেভেলিয়ান বেন্টিঙ্ককে জানান, ওই বছর থেকেই তিনি এই ব্যাপারে ‘labouring in the cause’ শুরু করে দিয়েছেন। ১৮৩২-এর ৮ অগস্ট তিনি স্পষ্ট বলেন:

‘We have nothing to give to the Natives but our superior knowledge. Every thing else we take from them’.[8]Charles E Trevelyan, A Treaties on the Means of Communicating the Learning and Civilization from Europe to India, 1834, p 31.

স্যার চার্লস ট্রেভেলিয়ানের পরিকল্পনা ছিলো:

‘দেশের বর্তমান ও প্রচলন অনুযায়ী মুসলমানেরা আমাদেরকে অভিশপ্ত ও কাফির ভাবে।….তাহাদের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য আমরা হরণ করিয়াছি। এমতাবস্থায় ইহাদিগকে পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রদানের অর্থ দাঁড়াইবে তাহাদের মানসিকতা সম্পূর্ণ পরিবর্তন করিয়া দেওয়া। এই শিক্ষার প্রসার হইলে তাহারা আমাদেরকে জবরদস্তিমূলক শাসনকারী হিসেবে মনে করিবে না।বরং তাহারা আমাদেরকে বন্ধু জ্ঞান করিবে।'[9]Syed Mahmud, The History of Muslim Education.

এজন্যই ইতিহাসে দেখবেন রামমোহন রায়, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রমুখরা ইংরেজ শাসনকে ঈশ্বরের আশীর্বাদ ভাবতেন। কিন্তু মুসলিমরা ঘৃণা করতো।

দেবোত্তম চক্রবর্তীর ভাষায়

‘এই খ্রিস্টধর্ম প্রচারকদের সুরে সুর মিলিয়েছিলেন দেশি দেওয়ান- বেনিয়ানদের পরবর্তী প্রজন্ম। ডিগবি সাহেবের দেওয়ান রামমোহন রায়, প্লাউডেন সাহেবের দেওয়ান দ্বারকানাথ ঠাকুর, হুইলার সাহেবের দেওয়ান দর্পনারায়ণ ঠাকুরের বংশধর প্রসন্নকুমার ঠাকুর প্রমুখ হোমরাচোমরা ব্যক্তি ১৮২৯-এ কলকাতার টাউন হলে সমবেত হয়ে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষের কাছে দলবদ্ধভাবে আবেদন জানান, যাতে ইংরেজদের ভারতবর্ষে এসে বসবাস ও উপনিবেশ স্থাপনের জন্য আইনগত অনুমতি দান করা হয়। অভিজাত শ্রেণির ইংরেজরা এ দেশে এসে বসবাস শুরু করলে দেশ অনেক সুসভ্য ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে, এই ছিল তাঁদের যুক্তি।'[10]দেবোত্তম চক্রবর্তী, বিদ্যাসাগর নির্মাণ বিনির্মান পুনর্নির্মাণ, পৃ 72.

চার্লস ট্রেভেলিয়ান আরো বলেন

‘যদিও ধর্মীয় নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে সরকারি কলেজসমূহতে বাইবেল অন্তর্ভুক্তি নিষিদ্ধ করা হইয়াছে কিন্তু খ্রিস্ট ধর্মের প্রচারের প্রশ্নে এক্ষেত্রে অহেতুক বাধার সুত্রপাত করা হইয়াছে বলিয়া আমরা প্রতিবাদ করিয়া বসব। কিন্তু আমার মতে এই অভিযোগ অমূলক ও অদূরদর্শীতার পরিচায়ক।কেননা কলেজের জন্য ইংরেজি বইয়ের লাইব্রেরি পত্তন করা হয়, প্রত্যেক লাইব্রেরিতে বাইবেলের কপি রাখা আছে। এখন তো এ খবরও শুনিয়াছি যে লোকেরা বাইবেলের ব্যাখ্যা পুস্তকও সন্ধান করিতেছে।

…….আমি যেমন পূর্বে বলিয়াছি বাইবেল যদিও পাঠ্য হিসেবে পড়ানো সম্ভব নয় কিন্তু সরকারি কলেজ সমূহতে ইংরেজি সাহিত্য তো পড়ানো হয়। যথা মিল্টন, বেকন, এডিসন ও জনসন প্রমুখের কাব্য ইত্যাদি। এদের সকল পুস্তকেই বাইবেলের শিক্ষার সমাহার রহিয়াছে এবং এসব ছাত্রদের বুঝাইতে হইলে বারবার বাইবেলের উদ্ধৃতি ও বাইবেলের শিক্ষা সম্পর্কে পর্যালোচনা করিতে হইবে। এইভাবে ছাত্র ও শিক্ষকদের মাঝে সাহিত্য পর্যায়ে বাইবেলের চর্চা প্রচলিত হইবে।'[11]Syed Mahmud, The History of Muslim Education.

এই হলো গোরাদের প্ল্যান। পাশ্চাত্য শিক্ষার নামে আসলে গেলানো হবে খ্রিস্টীয় শিক্ষা। করা হবে ধর্মান্তর।

Read More...  সতীপ্রথার জন্য কি মুসলিম শাসন দায়ী?

এরপর চার্লস ট্রেভেলিয়ান বলেন

‘আমার মতে যেসব স্কুলে উপযুক্ত শিক্ষার বন্দোবস্ত রহিয়াছে সেগুলিতে প্রচুর আর্থিক সাহায্য করা উচিত। আমার মতে এমন উপযুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা করিতে হইবে যেদিকে সহজেই আকৃষ্ট হইবে।ইহাতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই যে খ্রিষ্ট ধর্মভিত্তিক শিক্ষা ছাড়া কোন শিক্ষাই পরিপক্ক ও সুসম্পন্ন নয়। ভারতের একটি অংশ যখন সুশিক্ষিত হইবে তখন আমাদের উচিত হইবে খ্রিষ্ট ধর্মের শিক্ষা চালু করা।কলিকাতা হইতে বিদায় গ্রহণ করিবার পূর্বে আমি খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহনকারী এদেশীয় উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিদের একটা তালিকা প্রস্তুত করিয়াছিলাম। এইসব ব্যক্তি হিন্দু কলেজে পড়াশোনা করিত। খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারে এদের সাধনা ও সহযোগিতা আছে। ইহাদিগকে কিভাবে খ্রিস্টান করিতে হইবে লোকেরা তাহার ফন্দিই জানে না। এই দেশে পরোক্ষভাবে পাদ্রীদের দ্বারা ও প্রত্যক্ষভাবে বইপুস্তক, পত্র পত্রিকা ও ইংরেজদের সাথে আলাপ আলোচনা আর মেলামেশার দ্বারা খ্রিস্ট ধর্ম প্রবর্তিত হতে পারে।'[12]Syed Mahmud, The History of Muslim Education.

এদিকে লর্ড মেকলে ১৮৩৬-এর ১২ অক্টোবর পিতা জ্যাকারি মেকলেকে চিঠিতে লিখেন:

‘আমার দৃঢ়বিশ্বাস, যদি আমাদের শিক্ষানীতি কার্যকর হয় তাহলে আজ থেকে তিরিশ বছরের মধ্যে শিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত বাঙালি সমাজে কোনও মূর্তিপূজকের (idolater) অস্তিত্ব থাকবে না। আমাদের তরফ থেকে কোনও রকম ধর্মান্তরের চেষ্টা না করেও এই ধরণের সামাজিক রূপান্তর ঘটানো সম্ভব হবে। ধর্মের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করারও দরকার হবে না। কেবল নতুন শিক্ষালব্ধ জ্ঞান ও চিন্তার মাধ্যমেই এই অসাধ্যসাধন করা যাবে।'[13]Thomas Pinny, The Letters of Thomas Babington Macaulay, vol 3, p 192-93.

সুতরাং বোঝায় যাচ্ছে ইংরেজদের শিক্ষাব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ছিলো তাদের কাজকর্মের জন্য ‘কেরাণী’ উৎপাদন ও কৌশলে খ্রিস্টান বানানো। কেউ না বুঝলেও আলেম সমাজ ঠিকই বুঝেছিলেন, সেকারণেই তাঁরা ততকালীন সময়ে ইংরেজি শিক্ষাকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন।

যাইহোক এই ইংরেজি শিক্ষার অন্তঃসারশূন্যতা উপলব্ধি করে হিন্দু কলেজের ছাত্র রাজনারায়ণ বসু লিখেছিলেন:

‘এখনকার ছাত্রেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল উপাধী পায়, আমি তাহা পাণ্ডবদিগের স্বর্গারোহণের সহিত তুলনা করিয়া থাকি। পাণ্ডবেরা পাঁচ ভাই ও দ্রৌপদী স্বর্গের পথে যাইতে যাইতে প্রথম দ্রৌপদী, পরে সহদেব, পরে নকুল, পরে অর্জুন, পরে ভীম একজনের পর একজন পড়িয়া গেলেন। সর্বশেষে কেবল একা যুধিষ্ঠির স্বর্গারোহণ করিলেন। তেমনি যে সকল ছাত্র প্রথমতঃ এন্ট্রেন্স কোর্স পড়ে, তাহার মধ্যে কতকগুলি এন্ট্রেন্স পরীক্ষা না দিতে দিতে পড়িয়া যায়। ফাষ্ট আর্টস্ পরীক্ষা না দিতে দিতে আর কতকগুলি পড়িয়া যায়। বি, এ, পরীক্ষা না দিতে দিতে আর কতকগুলি পড়িয়া যায়। এম, এ, উপাধী প্রাপ্তি অর্থাৎ স্বর্গারোহণ অতি অল্প লোকেরই ভাগ্যে ঘটে। এক হিসাবে বর্তমান ইংরাজী শিক্ষার প্রণালী মানুষ মারিবার কল বলিলেও অত্যুক্তি হয় না।'[14]রাজনারায়ণ বসু, সে কাল আর এ কাল, কলকাতা, ২০১৪, পৃ ৪৪.

এই শিক্ষাব্যবস্থা যে আসলে কতটা অসার, কতটা ফোঁপরা ছিলো তা স্পষ্ট হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয় কমিশনের এই মন্তব্যে:

‘Nothing could more clearly show that it was not education at large, but English education, and especially English education preparatory to the university course, which aroused the enthusiasm of Bengal.'[15]alcutta University Commission (1919), Report, Vol. 1, Calcutta, 1919, p. 54; উদ্ধৃত Asok Sen, Iswar Chandra Vidyasagar and His Elusive Milestones, p. 43.

Citation is loading...

Footnotes

Footnotes
1 D D Koshambi, An Introduction to the Study of Indian History, New Delhi, p 403.
2 Pei Mario, The story of English
3 দেবোত্তম চক্রবর্তী, বিদ্যাসাগর নির্মাণ বিনির্মান পুনর্নির্মাণ, পৃ 73.
4, 5 W W Hunter, The Indian Musalmans
6 H Sharp, Selection from Educational Records, part I, p 133.
7 দেবোত্তম চক্রবর্তী, বিদ্যাসাগর নির্মাণ বিনির্মান পুনর্নির্মাণ, পৃ 70-71.
8 Charles E Trevelyan, A Treaties on the Means of Communicating the Learning and Civilization from Europe to India, 1834, p 31.
9 Syed Mahmud, The History of Muslim Education.
10 দেবোত্তম চক্রবর্তী, বিদ্যাসাগর নির্মাণ বিনির্মান পুনর্নির্মাণ, পৃ 72.
11, 12 Syed Mahmud, The History of Muslim Education.
13 Thomas Pinny, The Letters of Thomas Babington Macaulay, vol 3, p 192-93.
14 রাজনারায়ণ বসু, সে কাল আর এ কাল, কলকাতা, ২০১৪, পৃ ৪৪.
15 alcutta University Commission (1919), Report, Vol. 1, Calcutta, 1919, p. 54; উদ্ধৃত Asok Sen, Iswar Chandra Vidyasagar and His Elusive Milestones, p. 43.
0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Back to top button