হাদিস ও বাইবেলের আলোকে দাজ্জাল ও মাসীহ ঈসা (আঃ)

দাজ্জালের বিষয়ে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে রাসূল (ﷺ) বলেন-
প্রত্যেক প্রেরিত নাবীই তাঁর উম্মাতদের মিথ্যাবাদী কানা দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। জেনে রাখো, সে হবে কানা, আর তোমাদের মহান রব কানা নন। আর তার দু’চোখের মাঝে কাফির লেখা থাকবে।[1]সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩১৬; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
এবার আসুন দাজ্জালের বিষয়ে ইহুদিদের বিকৃত তৌরাত থেকে দেখি, যেমনঃ-
“আর তাদের বলো, ‘সার্বভৌম সদাপ্রভু এই কথা বলেন, ইস্রায়েলীরা যেসব জাতিদের মধ্যে আছে সেখান থেকে আমি তাদের বার করে আনব এবং চারদিক থেকে তাদের জড়ো করে তাদের নিজেদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাব।[2]যিহিষ্কেল 37:21 BCV https://bible.com/bible/2412/ezk.37.21.BCV
এই ভার্সের দিকে লক্ষ্য করুন, এই আয়াতকে কেন্দ্র জায়োনবাদীরা আধুনিক ইজরায়েল নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে, তাদের নির্বাসিত ইহুদিদের একত্রিত করে মুসলিমদের মাতৃভূমি ফিলিস্তিনকে জোর পূর্বক দখল করেছে
ইহুদিরা খ্রিস্টানদের নবী ও মুসলিমদের নেতা যিশু খৃষ্ট/ঈসা মাসীহ (আঃ) কে রাজা হিসেবে মানেনা, বরং তার বিরোধিতা করে, তারা তাকে মরিয়ম (আঃ) এর অবৈধ সন্তান মনে করে।[3] https://www.jewsforjudaism.org/knowledge/articles/jesus-in-the-talmud/ দাজ্জালকে তাদের মসীহ ও শেষ নবী এবং রাজা মান্য করে। যেমনঃ-
“ইস্রায়েলের পাহাড়গুলির উপরে আমি তাদের একই জাতি করব। তাদের সকলের উপরে একজনই রাজা হবে এবং তারা কখনও দুই জাতি হবে না কিংবা দুই রাজ্যে বিভক্ত হবে না।[4]যিহিষ্কেল 37:22 BCV https://bible.com/bible/2412/ezk.37.22.BCV
এই আয়াতের উপর আমল করে One world & One order প্রতিষ্ঠা করতে চায় ইহুদিরা, তাদের বিভিন্ন গুপ্তসংগঠন খুব ধূর্ততার সাথে চোখে ধূলো দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের ভাবনাঃ- জেন্টাইল বা অইহুদিরা এসেছে তাদের সেবা করার জন্য।[5] https://forward.com/fast-forward/337161/israels-sephardic-chief-rabbi-gentiles-here-to-serve-the-jews/ তারা দাজ্জালের জন্য পৃথিবীকে দাজ্জালের উপযোগী কিংবা বান্ধব বানাতে চায়। এবার আমরা খ্রিস্টানদের ধর্মীয় পুস্তক বাইবেলের নতুন নিয়মের সাথে হাদিসের তুলনা করবো। যেমনঃ-
“দেখ কেউ যেন এ বিষয়ে তোমাদের কোনভাবে প্রতারিত করতে না পারে। সেই দিন আসার আগে পৃথিবীতে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দেখা যাবে। সেই পাপ পুরুষ ধ্বংস হওয়ায় যার ভাগ্যে লেখা আছে, সে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত সেই দিন আসবে না। যা কিছু ঈশ্বর নামে আখ্যাত ও উপাসনার যোগ্য সে তার বিরোধিতা করবে ও সবার উপরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এমনকি সেই পাপ পুরুষ ঈশ্বরের মন্দিরে গিয়েও সেখানে আসন করে নেবে এবং ঘোষণা করবে যে সে ঈশ্বর”।[6]থিষলনীকীয়দের প্রতি দ্বিতীয় পত্র 2:3-4; https://www.bible.com/bible/3150/2TH.2.3-4
এখানে পাপ পুরুষ হলো মাসীহ দাজ্জাল। যে প্রতারনা করে মানুষের ঈমান নষ্ট করবে এমনকি নিজেকে আল্লাহ/প্রভু/ঈশ্বর দাবি করবে-ঠিক অনুরূপ হাদিস পর্যালোচনা করে পাই-নবী (ﷺ) বলেন:-
দাজ্জাল মানুষের কাছে গিয়ে বলবেঃ আমি যদি তোমার মৃত পিতা-মাতাকে জীবিত করে দেখাই তাহলে কি তুমি আমাকে প্রভু হিসেবে মানবে? সে বলবে অবশ্যই মানব। এ সুযোগে শয়তান তার পিতা-মাতার আকৃতি ধরে সন্তানকে বলবেঃ হে সন্তান! তুমি তার অনুসরণ কর। সে তোমার প্রতিপালক’’।[7]সহীহুল জামে আস্-সাগীর, হাদীছ নং-৭৭৫২ https://www.hadithbd.com/books/link/?id=3111 ; অনুরূপ আরেক হাদিস:- সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৭১৩২; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
দাজ্জাল কখন আসবে ও কোথায় তা নিয়ে নতুন নিয়মে দেখি:-
“তোমাদের কি মনে পড়ে না, এমন যে ঘটবে তার বিবরণ আমি তোমাদের কাছে থাকার সময় জানিয়েছিলাম? তোমরা জান, কোন্ শক্তি ঐ পাপ পুরুষকে বাধা দিয়ে রাখছে যাতে সে নিরূপিত সময়ে প্রকাশ পায়।”[8]থিষলনীকীয়দের প্রতি দ্বিতীয় পত্র 2:5-6; https://www.bible.com/bible/3150/2TH.2.5-6
ঠিক অনুরূপভাবে হাদিসে বলা আছে দাজ্জাল নির্দিষ্ট সময়কে কেন্দ্র করে আত্মপ্রকাশ করবে নিজেকে। যেমনঃ-
একদা সে (এক সাহাবি) ‘লাখ্ম ও জুযাম’ গোত্রের ত্রিশজন লোকের সঙ্গে সমুদ্রযানে ভ্রমণ করছিল। তামীম আদ-দারী নিকট অজ্ঞাত লোকটি ‘বাইসান’- এর খেজুর বাগান ও যুগার ঝর্না সম্পর্কে আর উম্মি নাবীর আবির্ভাব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে বললো, আমিই মাসীহ দাজ্জাল। শীঘ্রই আমাকে বেরিয়ে আসার অনুমতি দেওয়া হবে। নবী (ﷺ) বলেনঃ সেটা নিশ্চয়ই সিরিয়া বা ইয়ামান সাগরে হবে, না বরং সেটা প্রাচ্যের দিকে হবে। একথা তিনি দু’বার বলেন এবং পূর্ব দিকে ইশারা করে দেখান।[9]সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩২৬; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
পাপ পুরুষের ধ্বংসের বিষয়ে বাইবেলের নতুন নিয়মে জানতে পারি:-
‘আমি এসব বলছি কারণ মন্দতার সেই গোপন শক্তি এখনই জগতে কাজ করে চলেছে। কিন্তু একজন রয়েছেন যিনি এই শক্তিকে প্রতিরোধ করে আসছেন, তিনি তা করতেই থাকবেন যতক্ষণ না তা দূর হয়। তারপর সেই পাপপুরুষ প্রকাশিত হবে, আর প্রভু মসাীহ তাঁর মুখের তেজোময় নিঃশ্বাস এবং আবির্ভাবের মহিমা দ্বারা সেই পাপ পুরুষকে ধ্বংস করবেন।”[10]থিষলনীকীয়দের প্রতি দ্বিতীয় পত্র 2:7-8 https://www.bible.com/bible/3150/2TH.2.7-8
ঠিক একই কথা হাদিসে বলা ঈসা (আঃ) আসবেন দাজ্জালকে হত্যা করার জন্য এবং নবী (ﷺ) এর রেখে যাওয়া শরীয়াহ পুনঃস্থাপন করার জন্য। যেমনঃ-
নবী (ﷺ) বলেন- আমার ও তাঁর অর্থাৎ ঈসা (আঃ) এর মাঝে কোন নবী নেই। আর তিনি তো অবতরণ করবেন। তোমরা তাঁকে দেখে এভাবে চিনতে পারবে যে, তিনি মাঝারি উচ্চতার, লাল-সাদা ও গেরুয়া রঙের মাঝামাঝি অর্থাৎ দুধে আল্তা তাঁর দেহের রং হবে এবং তাঁর মাথার চুল ভিজা না থাকলেও মনে হবে চুল হতে যেন বিন্দু বিন্দু পানি টপকাচ্ছে। তিনি ইসলামের জন্য মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শুকর নিধন করবেন ও জিযিয়া রহিত করবেন। তিনি তাঁর যুগে ইসলাম ছাড়া সকল ধর্ম বিলুপ্ত করবেন এবং মাসীহ দাজ্জাল কে হত্যা করবেন। তিনি পৃথিবীতে চল্লিশ বছর অবস্থান করবেন, অতঃপর মৃত্যুবরণ করবেন এবং মুসলিমরা তাঁর জানাযা পড়বে।[11]সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩২৪; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
দাজ্জালের ক্ষমতা ও কুটকৌশল সম্পর্কে বাইবেলে নতুন নিয়মে বলা আছে:-
শয়তানের শক্তিতে সেই পাপ পুরুষ আসবে। সে মহাপরাক্রমের সাহায্যে নানা ছলনাময়ী অলৌকিক কাজ, অদ্ভুত লক্ষণ ও চিহ্ন দেখাবে। যারা বিনাশপথের যাত্রী তাদের ভ্রান্তিজনক বিষয়ে সে ভোলাবে। পরিত্রাণ পাবার জন্য যে সত্য রয়েছে তা ভালবাসতে যারা অস্বীকার করছে, তারাই সেই বিনাশপথের যাত্রী। তাই ঈশ্বর ওদের মধ্যে এমন এক শক্তি পাঠিয়েছেন, যাতে ওরা ভুল কাজ করে। তাই যারা সত্যে বিশ্বাস করল না, ও মন্দ বিষয়ে আনন্দ করল তারা বিচারে দোষী সাব্যস্ত হবে।[12]থিষলনীকীয়দের প্রতি দ্বিতীয় পত্র 2:9-12 https://www.bible.com/bible/3150/2TH.2.9-12
ঠিক একই কথা হাদিসে আমরা দেখতে পাই। আল্লাহর নবী (ﷺ) বলেন-
কেউ দাজ্জাল এর আবির্ভাবের কথা শুনলে সে যেন তার থেকে দূরে চলে যায়। আল্লাহর কসম! যে কোন ব্যক্তি তার নিকট এলে সে অবশ্যই মনে করবে যে, সে ইমানদার। অতঃপর সে তার দ্বারা তার মধ্যে জাগরিত সন্দেহপূর্ণ বিষয়ের অনুসরণ করবে। তিনি এরূপই বলেছেন।[13]সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩১৯; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
দাজ্জাল কোন এক সম্প্রদায়ের কাছে আসবে এবং তাদেরকে (তার অনুসরণে) আহ্বান করবে। অতএব লোকেরা তার প্রতি ঈমান আনবে। তখন সে আকাশকে নির্দেশ করবে, ফলে জমিন (ঘাস ফসলাদি) উৎপাদন করবে। লোকেদের গবাদিপশু সন্ধ্যায় যখন ফিরবে, তখন উচ্চ কুঁজবিশিষ্ট এবং দুধে ওলান ভর্তি (অবস্থায়) কোমর টেনে ফিরবে। অতঃপর সে (দাজ্জাল) অপরদিকে আহ্বান করবে, কিন্তু তারা তার দাবি অস্বীকার করবে। তখন সে তাদের নিকট থেকে ফিরে আসবে। অতএব সে কওমের লোকেরা মহাদুর্ভিক্ষে নিপতিত হবে। ফলে তাদের হাতে ধন-সম্পদ কিছুই থাকবে না। অতঃপর সে (দাজ্জাল) একটি অনাবাদ পতিত জায়গা অতিক্রম করবে এবং তাকে লক্ষ্য করে বলবে, তোমার ভিতরে যে সমস্ত রয়েছে তা বের করে দাও। অতঃপর উক্ত ধন-সম্পদ এমনিভাবে তাদের পেছনে ছুটতে থাকবে, যেমনিভাবে মৌমাছির দল তাদের সরদার মৌমাছির পিছনে ছুটে চলে।অতঃপর দাজ্জাল যৌবনে পূর্ণাঙ্গ এক যুবককে তার প্রতি আহ্বান করবে, (কিন্তু তার প্রতি অস্বীকারের দরুন) দাজ্জাল তাকে তরবারির আঘাতে দ্বি-খণ্ডিত করে ফেলবে এবং উভয় খণ্ডকে এত দূরে দূরে নিক্ষেপ করবে যে, একটি নিক্ষিপ্ত তীরের দূরত্ব পরিমাণ তাদের মধ্যে ব্যবধান হবে। অতঃপর সে উভয় খণ্ডকে নিজের কাছে ডাকবে, ফলে ঐ যুবক জীবিত হয়ে তার সামনে উপস্থিত হবে, তখন তার মুখমণ্ডল হাস্যোজ্জল হয়ে উঠবে। যখন সে এ সকল কাণ্ডে লিপ্ত, ঠিক এমনি সময়ে আল্লাহ তা’আলা হঠাৎ ’ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) কে (আকাশ হতে) পাঠাবেন এবং তিনি দামিশকের পূর্ব প্রান্তের শ্বেত মিনারা হতে হলুদ রঙের দু’টি কাপড় পরিহিত অবস্থায় দুজন মালাকের (ফেরেশতার) পাখায় হাত রেখে অবতরণ করবেন।[14]মিশকাতুল মাসাবিহ,হা-৫৪৭৫ https://www.hadithbd.com/hadith/link/?id=85453
ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) দামেশকের পূর্ব প্রান্তে একটি সাদা মিনারে অবতরণ করবেন এবং ‘লুদ্দ’ নামক স্থানের দ্বারপ্রান্তে দাজ্জাল কে নাগালে পাবেন এবং হত্যা করবেন।[15]সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩২১; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
নবী (ﷺ) আরো বলেন-
দাজ্জালের সাথে কি থাকবে, এ সম্পর্কে আমি নিশ্চিত অবগত আছি। তার সাথে প্রবহমান দু’টি নহর থাকবে। একটি দৃশ্যত ধবধবে সাদা পানি বিশিষ্ট এবং অপরটি দৃশ্যত লেলিহান অগ্নির মতো হবে। যদি কেউ সুযোগ পায় তবে সে যেন ঐ নহরে প্রবেশ করে যা কে দৃশ্যত অগ্নি মনে হবে এবং চক্ষু বন্ধ করতঃ মাথা অবনমিত করে সে যেন সেটা থেকে পানি পান করে। সেটা হবে ঠান্ডা পানি। দাজ্জালের চক্ষু লেপা হবে এবং তার চোখের উপর নখের মতো পুরু চামড়া থাকবে এবং উভয় চোখের মাঝখানে পৃথক-পৃথকভাবে কাফির লেখা থাকবে । শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে সকল মূ’মিন ব্যক্তি এ লেখা পাঠ করতে পারবে।[16]সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭২৫৭; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
এছাড়া বাইবেলে নতুন নিয়মে শেষ জামানায় ঈসা (আঃ) এর আগমনের ব্যাপারে সেন্ট পৌল জানান-
‘অতএব, নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে তোমরা কোনো কিছুরই বিচার কোরো না। প্রভুর আগমন পর্যন্ত অপেক্ষা করো। অন্ধকারে যা গুপ্ত আছে, তা তিনি আলোয় নিয়ে আসবেন এবং সব মানুষের হৃদয়ের অভিপ্রায় উদ্ঘাটিত করবেন। সেই সময় প্রত্যেকে ঈশ্বর থেকে তার প্রশংসা লাভ করবে।[17]1 করিন্থীয় 4:5 https://www.bible.com/bible/2412/1CO.4.5
যিশু বলেন’-
“মনুষ্যপুত্র যখন তাঁর মহিমায়, তাঁর সমস্ত দূতদের সঙ্গে নিয়ে আসবেন, তিনি স্বর্গীয় মহিমায় তাঁর সিংহাসনে উপবেশন করবেন। সমস্ত জাতিকে তাঁর সামনে উপস্থিত করা হবে। তিনি লোকেদের, একজন থেকে অপরজনকে পৃথক করবেন, যেভাবে মেষপালক ছাগদের মধ্য থেকে মেষদের পৃথক করে।[18]মথি 25:31-32 https://www.bible.com/bible/2412/MAT.25.31-32
ঠিক একইভাবে হাদিসে বলা ঈসা (আঃ) ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে আবির্ভূত হবেন। যেমনঃ-নবী (ﷺ) বলেনঃ
ঈসা বিন মরিয়ম (আঃ) ন্যায়পরায়ণ শাসক ও ইনসাফগার ইমাম হিসাবে অবতরণ না করা পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। তিনি ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকর হত্যা করবেন, জিযয়া মওকুফ করবেন এবং ধন-সম্পদের প্রাচুর্য হবে, এমনকি তা কেউ গ্রহণ করবে না।[19]সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৪০৭৮; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
এছাড়াও ভন্ড খ্রিস্টানদেরকে যিশু/ঈসা (আঃ) তাদেরকে শায়েস্তা করবেন। তিনি বলবেন:-
“যারা আমাকে ‘প্রভু, প্রভু’ বলে, তারা সবাই স্বর্গরাজ্যে প্রবেশ করতে পারবে না; কিন্তু যে আমার স্বর্গস্থ পিতার ইচ্ছা পালন করবে, সেই প্রবেশ করতে পারবে। সেদিন, অনেকে আমাকে বলবে, ‘প্রভু, প্রভু; আমরা কি আপনার নামে ভবিষ্যদ্বাণী করিনি? আপনার নামে কি ভূত তাড়াইনি ও বহু অলৌকিক কাজ করিনি?’ তখন আমি তাদের স্পষ্ট বলব, ‘আমি তোমাদের কোনোকালেও জানতাম না। দুষ্টের দল, আমার সামনে থেকে দূর হও![20]মথি 7:21-23 https://www.bible.com/bible/2412/MAT.7.21-23
ঠিক একই কথা কুরআনে বলা হইছে-
যখন আল্লাহ বললেনঃ হে ঈসা ইবনে মরিয়ম! তুমি কি লোকদেরকে বলে দিয়েছিলে যে, আল্লাহকে ছেড়ে আমাকে ও আমার মাতাকে উপাস্য সাব্যস্ত কর? ঈসা বলবেন; আপনি পবিত্র! আমার জন্যে শোভা পায় না যে, আমি এমন কথা বলি, যা বলার কোন অধিকার আমার নেই। যদি আমি বলে থাকি, তবে আপনি অবশ্যই পরিজ্ঞাত; আপনি তো আমার মনের কথা ও জানেন এবং আমি জানি না যা আপনার মনে আছে। নিশ্চয় আপনিই অদৃশ্য বিষয়ে জ্ঞাত।[21]সূরাঃ আল মায়িদাহ ৫:১১৬
ঈসা আসার পর কি ঘটবে সে ব্যপারে আল্লাহ বলেন-আর আহলে-কিতাবদের মধ্যে যত শ্রেণী রয়েছে তারা সবাই ঈমান আনবে ঈসার উপর তাদের মৃত্যুর পূর্বে। আর কেয়ামতের দিন তাদের জন্য সাক্ষীর উপর সাক্ষী উপস্থিত হবে।[22]সূরাঃ আন নিসা, ৪:১৫৯
| ⇧1 | সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩১৬; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস |
|---|---|
| ⇧2 | যিহিষ্কেল 37:21 BCV https://bible.com/bible/2412/ezk.37.21.BCV |
| ⇧3 | https://www.jewsforjudaism.org/knowledge/articles/jesus-in-the-talmud/ |
| ⇧4 | যিহিষ্কেল 37:22 BCV https://bible.com/bible/2412/ezk.37.22.BCV |
| ⇧5 | https://forward.com/fast-forward/337161/israels-sephardic-chief-rabbi-gentiles-here-to-serve-the-jews/ |
| ⇧6 | থিষলনীকীয়দের প্রতি দ্বিতীয় পত্র 2:3-4; https://www.bible.com/bible/3150/2TH.2.3-4 |
| ⇧7 | সহীহুল জামে আস্-সাগীর, হাদীছ নং-৭৭৫২ https://www.hadithbd.com/books/link/?id=3111 ; অনুরূপ আরেক হাদিস:- সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৭১৩২; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস |
| ⇧8 | থিষলনীকীয়দের প্রতি দ্বিতীয় পত্র 2:5-6; https://www.bible.com/bible/3150/2TH.2.5-6 |
| ⇧9 | সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩২৬; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস |
| ⇧10 | থিষলনীকীয়দের প্রতি দ্বিতীয় পত্র 2:7-8 https://www.bible.com/bible/3150/2TH.2.7-8 |
| ⇧11 | সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩২৪; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস |
| ⇧12 | থিষলনীকীয়দের প্রতি দ্বিতীয় পত্র 2:9-12 https://www.bible.com/bible/3150/2TH.2.9-12 |
| ⇧13 | সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩১৯; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস |
| ⇧14 | মিশকাতুল মাসাবিহ,হা-৫৪৭৫ https://www.hadithbd.com/hadith/link/?id=85453 |
| ⇧15 | সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৩২১; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস |
| ⇧16 | সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭২৫৭; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস |
| ⇧17 | 1 করিন্থীয় 4:5 https://www.bible.com/bible/2412/1CO.4.5 |
| ⇧18 | মথি 25:31-32 https://www.bible.com/bible/2412/MAT.25.31-32 |
| ⇧19 | সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৪০৭৮; হাদিসের মান: সহিহ হাদিস |
| ⇧20 | মথি 7:21-23 https://www.bible.com/bible/2412/MAT.7.21-23 |
| ⇧21 | সূরাঃ আল মায়িদাহ ৫:১১৬ |
| ⇧22 | সূরাঃ আন নিসা, ৪:১৫৯ |





Can you debunk this guy? https://vedkabhedexposse.blogspot.com/2025/02/blog-post.html please use sanskrit versions of the text. In your debunk, if you make one.
We’ve already got your comment, please wait till our writers get info it.
I was waiting for months. So I cannot wait anymore
আপনি কি একজন হিন্দু? যদি নাই হন, তাহলে একটা হিন্দুর আর্টিকেল নিয়ে এত উত্তেজিত হওয়ার কারণ কি?
এমন না তো যে ইসলাম নিয়ে পোস্ট লিখছে!
একটা আর্টিকেল লিখতে গিয়ে গিয়ে কত গবেষণা করতে হয়, তা তো জানেন নিশ্চয়ই? একটু কষ্ট করে ধৈর্য ধারণ করলে হয় না?
@মুহাম্মাদ লাবিব, can you please translate what you said? It would be preferred if you do so.
Are you a Hindu? If not, then what is the reason for getting so excited over an article about a Hindu?
It’s not like the post is about Islam!
Surely you know how much research goes into writing an article, right? Can’t you just be a little patient and endure the effort?
Here you go…
@মুহাম্মাদ লাবিব,
It’s not that its not about islam. It’s the fact that a counter has been made for ved ka bhed and the counters need to be destroyed. And regarding patience, buddy, I have been waiting for seven months.
We apologize for keeping you waiting. We are extremely sorry. In which language would it be more convenient for you if I write? Bangla or English