নবী করিম (সঃ) এর সুপারিশ কতোটুকু সত্য!
সূরা (২) বাকারা: ১২৩ আয়াত।
সূরা (২) বাকারা: ২৫৪ আয়াত।
সূরা (৩৬) ইয়াসীন: ২৩ আয়াত।
সূরা (৬) আন‘আম: ৫১ আয়াত।
সূরা (৬) আন‘আম: ৭০ আয়াত।
সূরা (৩২) সাজদা: ৪০ আয়াত।
সূরা (১০) ইউনুস: ১৮ আয়াত।
সূরা (৩৯) যুমার: ৪৪ আয়াত।
সূরা (২) বাকারা: ২৫৫ আয়াত।
সূরা (১০) ইউনুস: ৩ আয়াত।
সূরা (১৯) মারইয়াম: ৮৭ আয়াত।
সূরা (২০) তাহা: ১০৯ আয়াত।
সূরা (৩৪) সাবা: ২৩ আয়াত।
সূরা (২১) আম্বিয়া: ২৬-২৯ আয়াত।
সূরা (৫৩) নাজম: ২৬ আয়াত
হাদিস সত্য কিনা তা প্রশ্ন করার আগে আপনি যে আয়াতগুলোর রেফারেন্স দিয়েছেন সেগুলো কপি পেস্ট কার পূর্বে একটু প্রতিটা দেখে নিলে সেখানেই উত্তর পেয়ে যেতেন, কারন এর উত্তর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা নিজেই কোরআনে দিয়ে দিয়েছেন সেই আয়াত কয়েকটির মধ্যেই যেগুলোর রেফারেন্স আপনি উল্লেখ করেছেন,
কে আছে এমন, যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর নিকট সুপারিশ করতে পারে? সম্মুখের অথবা পশ্চাতের সবই তিনি অবগত আছেন। একমাত্র তিনি যতটুকু ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত, তাঁর জ্ঞানের কিছুই তারা আয়ত্ত করতে পারেনা। [সূরা বাকারা আয়াত ২৫৫]
সেদিন পরম করুণাময় যাকে অনুমতি দিবেন আর যার কথায় তিনি সন্তুষ্ট হবেন তার সুপারিশ ছাড়া কারো সুপারিশ কোন কাজে আসবে না। [সূরা ত্ব-হা আয়াত ১০৯]
সেদিন রূহ* ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে, যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দেবেন সে ছাড়া অন্যরা কোন কথা বলবে না। আর সে সঠিক কথাই বলবে। [সূরা আন-নাবা আয়াত ৩৮]
তাদের সামনে ও পেছনে যা কিছু আছে সবই তিনি জানেন। আর তারা শুধু তাদের জন্যই সুপারিশ করে যাদের প্রতি তিনি সন্তুষ্ট। তারা তাঁর ভয়ে ভীত। [সূরা আল-আম্বিয়া আয়াত ২৮]
আর আসমানসমূহে অনেক ফেরেশতা রয়েছে, তাদের সুপারিশ কোনই কাজে আসবে না। তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন এবং যার প্রতি তিনি সন্তুষ্ট, তার ব্যাপারে অনুমতি দেয়ার পর। [সূরা আন-নাজম আয়াত ২৬]