নারীর দিয়াত পুরুষের অর্ধেক কেন?
দিয়াত দেওয়া নিহত ব্যক্তির জন্য মূল্য নয়; বরং মৃত্যব্যাক্তির পরিবার যে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের সেই ক্ষতিপূরণ করা। যেহেতু নিহত ব্যাক্তি একজন পুরুষ হলে পরিবারের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নিহত ব্যাক্তি একজন নারী হওয়ার চেয়ে তূলনামূলক বেশি, তাই নারীদের দিয়াতের অর্থ পুরুষের তূলনায় অর্ধেক । যেহেতু ইসলাম পুরুষের উপর পরিবারের আর্থিক দায়িত্ব ন্যাস্ত করেছে অর্থাৎ একজন পুরুষ তার স্ত্রী,সন্তান ও পরিবারের বরণপোষণের ব্যবস্থা করতে বাধ্য সুতরাং একজন পুরুষ নিহত হলে তার পরিবারের বেশি আর্থিক সাহায্য দরকার এটাই যুক্তিযুক্ত। ভুলবশত হত্যা করে, তাকেও এর কাফ্ফারা দিতে হবে টানা দুই মাস রোজা রাখার মাধ্যমে, সে নারী হোক বা পুরুষ হোক। এটি দ্বারা বুঝা যায় যে দিয়াতের সাথে লিঙ্গের কোনো সম্পর্ক নেই।
নারীদেরকে তাদের নিজের জন্য, তাদের পরিবারের জন্য অথবা সন্তানদের জন্য অর্থ ব্যয় করবার দায়িত্ব দেয়া হয়নি। বরং এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পুরুষকে। এমনকি শরিয়তে যিয়াফত, আক্বল, সুলহ ‘আলাল আমওয়াল – এসব জায়গাতেও অর্থ ব্যয় করার দায়িত্ব পুরুষের। যিয়াফত (الضيافة) দ্বারা বোঝানো হয় মেহমানদের জন্য অর্থ ব্যয় করা। আক্বল (العقل) দ্বারা বোঝানো হয় দিয়াত বা রক্তপণ। সুলহ ‘আলাল আমওয়াল ( الصلح على الأموال ) দ্বারা বোঝানো হয় দুইটি বিবাদমান গোত্রের মধ্যে সন্ধির জন্য তাদের সম্পদ থেকে যে অর্থ পরিশোধ করতে হয়।
https://response-to-anti-islam.com/show/ইসলামে-নারীদেরকে-কি-পুরুষদের-তুলনায়-কম-অধিকার-দেয়া-হয়েছে–/288#:~:text=দ্বারা%20বোঝানো%20হয়-,দিয়াত%20বা%20রক্তপণ,-।%20সুলহ%20‘আলাল%20আমওয়াল