বাংলাদেশসেক্যুলারিজমহেইট স্পিচ

এলজিবিটি জঙ্গি, আমাদের নিরাপত্তা এবং বাম-সেক্যুলারদের মুখোশ

কী হলো, কী হচ্ছে, কী হবে?

সম্প্রতি শিরচ্ছেদকৃত মাথার ব্যঙ্গচিত্র এঁকে এবং ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক ও বিশিষ্ট একাডেমিক ড. সরোয়ার হোসেন এবং আসিফ মাহতাব উৎসকে পরপর একাধিকবার হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর তৈরি হয় দুটি মেরু। এক ভাগে ছিল এলজিবিটিকিউ বিরোধী শক্তি ও ইসলামপন্থীরা। অন্যদিকে ছিল হত্যার হুমকি দেওয়া সন্ত্রাসী, বাম রাজনৈতিক দল এবং কতিপয় সুশীল সমাজ। আমার আজকের লেখায় তুলে ধরবো কীভাবে শুরুটা হলো, কারা উস্কানি দিচ্ছে এবং সামনের দিনে কী কী করতে হবে আমাদেরকে। চলুন, শুরু করা যাক।

শুরুটা যেখান থেকে

শুরুটা হয় আগষ্টের ১১ তারিখে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী সাফওয়ান চৌধুরী রেবিল তার আইডি Antarctica Chowdhury থেকে ড. সরোয়ার হোসেন এবং আসিফ মাহতাবের কাটা মাথার কার্টুন পোস্ট করে এবং লেখে, “Kill public figures who are against your marriage rights.” – এখানে Marriage rights বলতে Same-sex marriage বা সমলিঙ্গের বিয়ের কথা বলা হয়েছে, যেটা তার প্রোফাইলের অন্য একাধিক পোস্ট দেখলেই বুঝা যায়।

এই সাফওয়ান চৌধুরী ফেসবুকে অস্ত্র বানানোর ছবি পোস্ট করতো এবং শ্রেণিকক্ষ ও বাসে অস্ত্র বহনও কতো। সে ট্রান্সজেন্ডার হয়েও (এ কারণে নিজেকে ‘সাহারা চৌধুরী’ নামে পরিচয় দিতো) নির্দ্বিধায় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছিল। কারণ আওয়ামীপন্থী ভিসি ড. মোঃ জহিরুল হকের মদদে সাফওয়ান ট্রান্সজেন্ডার হিসেবে অতিরিক্ত ২০% স্কলারশিপসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পেরেছে।

এলজিবিটি জঙ্গি, আমাদের নিরাপত্তা এবং বাম-সেক্যুলারদের মুখোশ

এখানেই শেষ নয়। মাওবাদী সন্ত্রাসবাদে বিশ্বাসী বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাজিদ বিন শহীদ ১২ তারিখে পোস্ট করে এই লিখে, “আসিফ মাহতাব উৎস আর সারোয়ারের কাউন্টডাউন শুরু হইছে, শেষটা আমরাই দেখবো”

এরপর সামনে আসে ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সদস্য এবং ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রেদোয়ান আহমেদ। সেও ঐ উগ্রবাদী সংগঠনের সাথে জড়িত। সে সাফওয়ানকে সমর্থন জানায় এবং আসিফ মাহতাবের ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করে যেখানে লেখা ছিল, “এই জানোয়ারগুলোকে হত্যা করতে হবে।” এই পোস্টটাই তারপর শেয়ার দেয় একই সংগঠনের হাদিউজ্জামান আসাদ, যে কিনা ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্র।

এই হলো মূল ঘটনা। কিন্তু আপনি কি জানেন এই হত্যার হুমকির সূত্রপাত ঘটার পেছনে আরেক কারিগর ছিল, যে কিনা ঘৃণা ছড়িয়েছিল? তিনি হলেন মোহাম্মদ ইশরাক। সে ক্রমাগত আসিফ মাহতাব উৎসকে অপমান করে পোস্ট করে যায় এবং একটি পোস্টে ড. সরোয়ার হোসেনকে ‘এলজিবিটি সরোয়ার’ বলে সম্বোধন করে।

আমাদের প্রতিক্রিয়া ও নিন্দা

এই হমকিগুলোর পর ইসলামপন্থী জনতা, সংগঠন এবং ড. সরোয়ার হোসেন ও আসিফ মাহতাব কিছু পদক্ষেপ নেন। প্রথমেই বলতে হয় জিডি করার কথা। ড. সরোয়ার হোসেন এবং আসিফ মাহতাব উৎস যথাক্রমে ১২ই আগষ্ট এবং ১৪ই আগষ্ট জিডি করেন। তারপর একে একে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস, জুলাই স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ, দারুল উলূম মইনুল ইসলাম হাটহাজারি মাদরাসার সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের JUST Islamic Knowledge Seekers Society, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালইয়ের NSTU Islam Practitioners Society (IPS), মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির (সাফওয়ানের বিশ্ববিদ্যালয়) সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির (রেদোয়ানের বিশ্ববিদ্যালয়) EWU Islamic Community-EWUIC এবং ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ সহ বহু প্ল্যাটফর্ম নিন্দা প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করে। অন্যান্য মিডিয়া বিষয়টা চেপে গেলেও ‘দৈনিক আমার দেশ’ পত্রিকা এই খবর ছাপায়।[1]আবু সুফিয়ান (১২ই আগস্ট, ২০২৫), দেশের দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে হত্যার হুমকি, দৈনিক আমার দেশ, https://www.dailyamardesh.com/education/amdxznyrwj5rt

এলজিবিটি জঙ্গি, আমাদের নিরাপত্তা এবং বাম-সেক্যুলারদের মুখোশ

সাফওয়ানকে প্রত্যাহার ও প্রতিক্রিয়া

নিন্দা ও প্রতিবাদের মুখে সাফওয়ান ওরফে সাহারাকে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর কী হয় জানেন? বামপন্থী রাজনীতিবিদ জোনায়েদ সাকি সাফওয়ানকে ভিক্টিম হিসেবে দেখিয়ে পোস্ট করেন এবং বলেন, “মব সন্ত্রাস করে ট্রান্স অধিকার এক্টিভিস্ট সাহারা চৌধুরীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।” এই পোস্ট আবার শেয়ার করে বিশিষ্ট ট্রান্সজেন্ডার হোচিমিন ইসলাম।

এলজিবিটি জঙ্গি, আমাদের নিরাপত্তা এবং বাম-সেক্যুলারদের মুখোশ

তারপর আনু মুহাম্মদ, সামিনা লুৎফা এবং মঞ্জুর আল মতিনসহ ১৬২ জন কথিত সুশীল সাফওয়ানের পক্ষে দাঁড়ায় এবং তাকে বহিষ্কার করায় নিন্দা জানায়, যেটা আবার প্রথম সারির একাধিক পত্রিকা প্রকাশও করে জোরেসোরে। এখানেই শেষ হয়নি ঔদ্ধত্য প্রদর্শন। বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সরাসরি এই উগ্রবাদীর পক্ষ নিয়ে বিবৃতি প্রদান করে বলে, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়ার পরিবর্তে লৈঙ্গিক বৈচিত্র্য বিরোধী অবস্থান নিয়েছে।” ছাত্র ইউনিয়নের এই অবস্থান হবে সেটা আগেই ধারণা করা হয়েছিল। কারণ উগ্রবাদীদের অনেকেই ছাত্র ইউনিয়নের সাথে জড়িত বা ছাত্র ইউনিয়ন দ্বারা প্রভাবিত।

এলজিবিটি জঙ্গি, আমাদের নিরাপত্তা এবং বাম-সেক্যুলারদের মুখোশ

এভাবে নির্লজ্জের মতো উগ্রবাদীদেরর পক্ষ নেয় সুশীল ও বামপন্থীরা। এর প্রতিবাদে Intifada Bangladesh, সাধারণ আলেম সমাজ এবং বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস (সিলেট মহানগর) নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করে। তারপর আরেকটা উল্লেখযোগ্য কাজ হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ জন, সাস্টের ১৬ জন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন, বুটেক্সের ১৪ জন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ জন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ জন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ জন, বুয়েটের ২ জন এবং বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের ১২ জন সহ মোট ২৫০ জন শিক্ষক এই হত্যার হুমকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।[2]সরোয়ার-মাহতাবকে প্রকাশ্যে হত্যার প্ররোচনা: ২৫০ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের উদ্বেগ, দৈনিক আমার দেশ, ১৭ই আগস্ট, ২০২৫ https://www.dailyamardesh.com/national/amdzkawufbulo

Read More...  চীন বনাম দেশীয় বামপন্থীঃ কে বেশি বৈজ্ঞানিক?

এলজিবিটি জঙ্গি, আমাদের নিরাপত্তা এবং বাম-সেক্যুলারদের মুখোশ

কেন এতো ঝামেলা?

ড. সরোয়ার হোসেন এনং আসিফ মাহতাব উৎস এমন এক এজেন্ডার গোমর ফাঁস করে দিয়েছেন, যার সাথে জুড়ে আছে ট্রিলিয়ন ডলারের লেনদেন। বৈশ্বিকভাবে LGBTQ নেটওয়ার্কের শিকড় অনেক দূর পৌঁছে গেছে। এর ফলে যত বেশি যৌন বিকৃতি  তত বেশি উপার্জন হচ্ছে এক শ্রেণীর গোষ্ঠীর। এছাড়াও LGBTQ একটি রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। কিন্তু ওনারা দুজন ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন যেন বাংলাদেশ কওমে লূতের ফিতনায় না পড়ে। এখানেই ষড়যন্ত্রকারীদের সমস্যা।

ইতিমধ্যে বাংলাদেশে LGBTQ নিয়ে কাজ বহুদূর এগিয়েছে পলিসি মেকিংকে প্রভাবিত করার মত সক্ষমতা তারা অর্জন করেছে। এমনকি কোটি কোটি টাকাও ঢালা হয়েছে এসব প্রজেক্টের পেছনে। বহু প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়ে আছে এই ইস্যুর উপর ভিত্তি করে। সেই সাথে অদৃশ্য শক্তির চাহিদা বাস্তবায়নের ব্যাপার তো রয়েছেই। এমতাবস্থায় এই দুই শিক্ষক যেভাবে লড়াই করছেন, তাতে এলজিবিটি ও কর্পোরেট গোষ্ঠীর ভিত নড়ে যাচ্ছে।

তো, জালিম যেভাবে সত্য-প্রকাশকারীর মুখ চেপে ধরতে চায়, কণ্ঠরোধ করতে চায় সেভাবেই কথিত অ্যাক্টিভিস্টরা প্রথমে ভয় দেখিয়ে ওনাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে যায়। এছাড়াও যারা Anti LGBTQ Movemnt নিয়ে কাজ করছেন, তাদের মনেও টেরর জাগিয়ে তোলাও অন্যতম উদ্দেশ্য। আর একই সাথে বামপন্থী রাজনীতিবিদ এবং সুশীল ব্যক্তিবর্গের স্বার্থ মিলে যাওয়ায় তারাও এই দ্বন্দ্বে নিজেদের নাম লিখিয়ে ফেলেছে।

কী হতে চলেছে?

এটাকে শুধুমাত্র টেরর সৃষ্টি করা বা রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি মনে করলেও ভুল হবে। হতার হুমকি অনেক বড় কিছুকেও ইঙ্গিত করে, যেহেতু তাদের অধিকাংশই উগ্র মাওবাদী সংগঠনের লোক। আর এ সকল কথিত অ্যাক্টিভিস্ট ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা সুযোগ পেলে প্রকৃত ইসলামপন্থীদের কিংবা তাদের গোমর ফাঁসকারীদের কচুকাটা করতেও দ্বিধা করবে ন। সেটারই এক দুঃসাহসিক পূর্ব-প্রস্তুতি হিসেবে তারা এমন হুমকি দিতেও পারে। যেভাবে শাহবাগী বয়ান অবৈধ হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করেছিল, অনেকটা তেমন কিছুর সূত্রপাত হচ্ছে।

আমরা আশা করি, এমনটা না হোক।  তবে সমকামিতাবান্ধব ট্রান্সজেন্ডারপ্রেমী এই সরকার যে পরিবেশ তৈরি করেছে এবং এনজিও ভিত্তিক চিন্তা-প্রকল্পের যেভাবে বিস্তার ঘটছে, তাতে সামনের দিনগুলো চ্যালেঞ্জিং হবে। পশ্চিমা এজেন্ডার বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে  আমরা কিছুদিন আগেও জঙ্গি নাটকের প্রচেষ্টা দেখেছি।  তারই ধারাবাহিকতায় সত্য প্রকাশকারীদেরকে নানাভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হতেই থাকবে।

সাইবার নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ নিশ্চিতকরণ, সবার জন্য অধিকার ইত্যাদি নাম দিয়ে বিভিন্ন বয়ান তৈরি হবে, আইন তৈরি হতে পারে, হতে পারে আন্দোলন। আর এসবের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে পশ্চিমা আদর্শের সম্প্রসারণ, যেটাকে অন্তরে নিয়েই প্রফেসর ইউনূস কাজ করে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি এসবের বিরুদ্ধে যারাই বুক চিতিয়ে লড়াই করবেন, তাদেরকে কটুক্তিকারী, পশ্চাদপদ, জঙ্গি, মৌলবাদী ইত্যাদি পূর্বের ট্যাগগুলো দিয়েই দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করা হবে।

দেখুন, ঘৃণা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিল মোহাম্মদ ইশরাক। আর এরপর শুরু হয় সরাসরি হুমকি প্রদান। ইশরাক, সাফওয়ান, সাজিদ, রেদোয়ান এবং হাদিউজ্জামান একটা চেইন তৈরি করেছে, যেটা মূলত উগ্রবাদ সৃষ্টি করছে। আর বামপন্থী ও অন্যরা মিলে ভিক্টিমদেরকেই ক্রিমিনিলাইজ করেছে। তার মানে বুঝাই যাচ্ছে যে সেক্যুলার, লিবারেল, বাম, এনজি্‌ সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা-সকলে মিলে দেশটাকে বিষাক্ত করার চেষ্টা করবে। আর প্রথম আলো, ডেইলি স্টার এবং বাংলা ট্রিবিউনেরর মতো বিদেশী ফান্ডপ্রাপ্ত দালাল মিডিয়া থাকবেই এসবের পক্ষে ন্যারেটিভ তৈরির কাজে।

শেষ কথা

আমাদের বিরুদ্ধে আছে অপশক্তি, আর পেছনে আছে পূর্বপুরুষদের গৌরবগাঁথা। আমাদেরকে লড়াই করে যেতে হবে, জনগণকে সচেতন করতে হবে এলজিবিটিকিউ নামক ঘৃণ্য পাপাচারপূর্ণ এজেন্ডার ব্যাপারে। এখনই সময় এই তথাকথিত যৌন সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর অপতৎপরতার ব্যাপারে জানার এবং অন্যকে বুঝানোর। যারা এখনো ‘সমতার আড়ালে সমকামিতা মিশন’ বইটি পড়েননি, তাদের উচিত বইটা দ্রুত পড়ে ফেলা। তাহলে আপনার সামনে সবকিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে।

এলজিবিটি জঙ্গি, আমাদের নিরাপত্তা এবং বাম-সেক্যুলারদের মুখোশ

আর যারা পড়ে ফেলেছেন বইটা, জানেন সমকামী ও ট্রান্সজেন্ডারদের ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে; তাদের উচিত ব্যাপক পরিসরে অ্যাক্টিভিজম করা। সচেতনতামূলক লিফলেট, ডিজিটাল পোস্টার এবং ইনফোগ্রাফিক বানিয়ে এলজিবিটিকিউ এর গভীরতা তুলে ধরা যেতে পারে। সেই সাথে চলবে আত্মশুদ্ধির লড়াই, চলবে পশ্চিমা ফ্রেমিং থেকে নিজের চিন্তাকে মুক্ত করার লড়াই।

আমরা হারবো না, আমাদের দুই শিক্ষককে হারতে দিবো না। আমরা দমে যাবো না, আমরা ভয় পাবো না। এই ভূখন্ড ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে যেমন মুক্ত হয়েছে, তেমনি মার্কিন দাদাগিরি ও সকল বিদেশী ষড়যন্ত্র থেকেও রক্ষা পাবে ইনশাআল্লাহ।

Citation is loading...

Footnotes

Footnotes
1 আবু সুফিয়ান (১২ই আগস্ট, ২০২৫), দেশের দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষককে হত্যার হুমকি, দৈনিক আমার দেশ, https://www.dailyamardesh.com/education/amdxznyrwj5rt
2 সরোয়ার-মাহতাবকে প্রকাশ্যে হত্যার প্ররোচনা: ২৫০ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের উদ্বেগ, দৈনিক আমার দেশ, ১৭ই আগস্ট, ২০২৫ https://www.dailyamardesh.com/national/amdzkawufbulo
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Back to top button