বাংলাদেশফাঁদহিউম্যানিজম

বাংলাদেশে জাতিসংঘের ‘মানবাধিকার’ অফিস – ঘটতে পারে যে যে বিপদ!

মানবাধিকারের নামে পশ্চিমা এজেন্ডার জন্য জুলাই হয় নি

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়-এর অফিস বাংলাদেশে স্থাপনের জন্য অন্তর্ব‌তীকালীন সরকার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। জনমানুষের বিরোধিতা সত্ত্বেও দ্রুততার সহিত এ কাজে অগ্রগতি দেখাচ্ছে পশ্চিমা পুতুল সরকার। বাংলাদেশের আমজনতা আমরা যখন এর বিরোধিতা করছি, তখন পশ্চিমা এজেন্ডাধারী অনেকে অভিযোগ করছে যে আমাদের এ বিরোধিতার কারণ আমরা বলছি না, আদতে কোনো বিরোধিতার কারণ নেই। সেগুলো ডকুমেন্টেশন করার জন্যই এই প্রবন্ধের প্রচেষ্টা। বাংলাদেশে জাতিসংঘের ‘মানবাধিকার’ অফিস স্থাপন করলে যে যে বিপদ ঘটতে পারেঃ

Contents Hide
9 কাদের মতামত নিয়ে খোলা হচ্ছে জাতিসংঘের অফিস? জনগণ নাকি জনশত্রু?
9.1 ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার অফিস খোলার বিপক্ষে যারা

জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপের আশঙ্কা

বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে সরকার ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক চাপ ফেইস করে (যেমন US-এর ভিসা নিষেধাজ্ঞা-২০২৩[1]ডেস্কএ. অ. (2023, September 22). বাংলাদেশে ভিসা নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আছেন যারা, জানাল যুক্তরাষ্ট্র. International Television Channel Ltd. (NTV). Retrieved July 24, 2025, from https://www.ntvbd.com/world/news-1287905 ), এটি সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত হিসেবে দেখা যায়।

ভেনেজুয়েলা ২০২৪-এ জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস বন্ধ করে দিয়েছে, “inappropriate role” আর “colonialist, abusive and violating attitude.” এর অভিযোগে।[2]VOA News. (2024, February 15). Venezuela shuts down UN human Rights Office, expels staff. Voice of America. https://www.voanews.com/a/venezuela-shuts-down-un-human-rights-office-expels-staff-/7489547.html নেপালও এই অফিস বন্ধ করে দিয়েছে ২০১১ সালে। বাংলাদেশের তো এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত!

পার্বত্য চট্টগ্রামের সন্ত্রাসীদের পক্ষে জাতিসংঘের ‘মানবাধিকার’

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে খ্রিস্টান রাজ্য বানানোর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রও উদ্বেগের বিষয় বলে উল্লেখ করে হেফাজতের শীর্ষ এই দুই নেতা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে সন্ত্রাসীরা পার্বত্য চট্টগ্রামে যে সন্ত্রাসবাদ, অশান্তির দাবানল সৃষ্টি করেছে, তা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। এমনকি পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩৮ হাজার বাঙালি হত্যার দায় ও সব ঘটনার দায় অবশ্যই সন্ত্রাসীদের নিতে হবে।

কিন্তু জাতিসংঘ তাদের ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ না নিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে সন্ত্রাসীদের পক্ষে বক্তব্য বিবৃতি দিয়েছে…।হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন পাহাড় থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে হঠাতে চায়[3]Bangladesh: UN expert concerned about non-implementation of Chittagong Hill Tracts Accord, 02 December 2022, OHCHR https://www.ohchr.org/en/press-releases/2022/12/bangladesh-un-expert-concerned-about-non-implementation-chittagong-hill, যেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী পার্বত্য সন্ত্রাসীগোষ্ঠী এক্টিভ। চোখের সামনেই যে জাতিসংঘের ‘মানবাধিকার’ আমাদের সার্বভৌমত্বের বিরোধী, সেখানে কীভাবে এসব মেনে নেওয়া যায়?

জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র এবং দেশভাগের ষড়যন্ত্র

বিদ্যুৎ বড়ুয়া ২০২৩ সালে এই সংক্রান্ত একটি প্রবন্ধ লিখেছেন দৈনিক ইত্তেফাকে, সেখান থেকে উল্লেখযোগ্য অংশঃ

জাতিসংঘে আদিবাসীদের অধিকারসংক্রান্ত ঘোষণাপত্র (UNDRIP) ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭ বৃহস্পতিবার সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। জাতিসংঘের আইএলওর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে উপজাতিদের আদিবাসী বানানোর জন্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে এ দেশের তথাকথিত গণমাধ্যম, সুশীল, বুদ্ধিজীবী, মানবাধিকারকর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক। অনেক গণমাধ্যম এখানে আদিবাসী শব্দ প্রচারে যতটা উত্সাহী, ততটা কিন্তু উপজাতি শব্দ প্রচারে উৎসাহী নয়। এর পেছনেও বড় কারণ আছে। কারণ হচ্ছে, এ দেশের অধিকাংশ সুশীল, বুদ্ধিজীবী, গণমাধ্যম, এনজিও, খ্রিষ্টান মিশনারি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পশ্চিমা অর্থায়নে পরিচালিত হয়।

…সেই  ঘোষণাপত্রে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য অনেকগুলো অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে—১. ভূমির অধিকার, ২. আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার, ৩. স্বায়ত্তশাসনের অধিকার, ৪. জাতীয়তা লাভের অধিকার, ৫. জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ।

অর্থাৎ, এখানে দেশভাগের করণীয়গুলোর অধিকার তাদের দেওয়া হয়েছে। তজ্জন্য বাংলাদেশের উপজাতিরা নিজেদের আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি তুলছে। মিশনারি ও পশ্চিমারা যেভাবে গাইডলাইন দিচ্ছে, ঠিক সেভাবেই এ দেশের তথাকথিত গণমাধ্যমগুলোও আদিবাসী শব্দটি প্রচার করে থাকে। গণমাধ্যমের এই  আচরণে দেশের অধিকাংশ মানুষ উপজাতিদের আদিবাসী হিসেবে সম্বোধন করছে। লাভ-ক্ষতি বিবেচনা না করেই আদিবাসী বলে আসছে।

…উপরোক্ত ঘোষণাপত্রের কিছু অংশে চোখ বুলিয়ে আমরা জানতে পারলাম, পশ্চিমা দেশগুলো, এনজিও, নন-এনজিও, দাতা সংস্থা, মিশনারি ও কূটনৈতিক মাধ্যমকে ব্যবহার করে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিরতা তৈরি করতে বাঙালি ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মিথ্যাচার করছে। এবং এই অঞ্চল থেকে বাঙালিকে উৎখাত করতে নানা রকম ষড়যন্ত্র করছে। ১৭০০ সালের পরবর্তী সময়ে পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে বিতাড়িত হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের আশ্রয় গ্রহণ করা এবং ব্রিটিশদের হিলট্রেকস ম্যানুয়েলের ৫২ ধারামতে অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত উপজাতীয়দের বাংলাদেশের আদি বাসিন্দা তথা ভূমিপুত্র হিসেবে প্রমোট করছে। এর ফলে অভিবাসী উপজাতিরা নিজেদের আদিবাসী হিসেবে পরিচয় বহন করছে।[4]আদিবাসীদের অধিকারসংক্রান্ত জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র ও বাংলাদেশের অবস্থান, বিদ্যুৎ বড়ুয়া, দৈনিক ইত্তেফাক, প্রকাশ : ২১ মে ২০২৩ https://www.ittefaq.com.bd/644792

রেফারেন্স থেকে এই লেখাটির বিস্তারিত পড়ে নেবেন, বুঝতে পারবেন কেন জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের আগমন বাংলাদেশবিরোধী আদিবাসী ষড়যন্ত্র ও পাহাড়ী সন্ত্রাসবাদকে ত্বরান্বিত করবে।

বাংলাদেশের “জাতীয় মানবাধিকার কমিশন” এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের অপ্রয়োজনীয়তা

বাংলাদেশে ইতিমধ্যে National Human Rights Commission (NHRC) আছে, যা ২০০৯ সালে গঠিত হয়েছে[5]জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1023.html এবং একই কাজ করার জন্য গঠিত হয়েছে যেটা জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের করার কথা। UN অফিস খোলা হলে এটি NHRC-এর কাজের সাথে ওভারল্যাপ করে অপ্রয়োজনীয় বোঝা সৃষ্টি করতে পারে, যা স্থানীয় সক্ষমতা ডাউনপ্লে করে। অর্থাৎ, UN এর মানবাধিকার অফিস খোলার অর্থই হচ্ছে জাতীয় প্রতিষ্ঠান ও সাংবিধানিক আইনকে অকার্যকর ঘোষণা করা।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের 'মানবাধিকার' অফিস - ঘটতে পারে যে যে বিপদ!

UN অফিসের মতো বাইরের প্রতিষ্ঠান NHRC-কে দুর্বল করে দিবে এবং তাদের কাজে ইন্টারফেয়ার করবে, যা উন্নয়নশীল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বাধা। অথচ ফ্যাসিস্ট রেজিম যাওয়ার পর দরকার ছিলো জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংস্কার করা, তা না করে বহিঃশক্তি দেশে ঢোকানো হচ্ছে। বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা অধিক টেকসই।

বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্টঃ বাংলাদেশ ভঙ্গুর একটি দেশ হিসেবে চিহ্নিত হবে

বর্তমানে বিশ্বের মাত্র ১৬টি দেশে সংস্থাটির কার্যালয় রয়েছে।[6]https://www.ohchr.org/en/about-us/where-we-work এই দেশগুলো হচ্ছে- বুরকিনা ফাসো, কম্বোডিয়া, সুদান, ইয়েমেন, শাদ, কলম্বিয়া, গুয়াতেমালা, গিনি, হন্ডুরাস, লাইবেরিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, নাইজার, তিউনিসিয়া, ফিলিস্তিন ও সিরিয়া। এসব দেশের বেশিরভাগই গৃহযুদ্ধকবলিত বা সন্ত্রাসবাদে পর্যদুস্ত।

দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই ওএইচসিএইচআর-এর অফিস খোলার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। বিশেষত শ্রীলংকা ও নেপাল বহু চাপের মুখেও তাদের দেশে মানবাধিকার কমিশনের কান্ট্রি অফিস খুলতে দেয়নি। ঢাকায় কার্যালয় করা হলে এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ওপর চাপ তৈরি হবে।

প্রধানত দীর্ঘ আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও সিভিল ওয়ারে ভঙ্গুর কিছু দেশে মানবাধিকার কমিশনের কান্ট্রি অফিস রয়েছে। বাংলাদেশে জাতিগত কোনো সংঘাত হয়নি। বাংলাদেশে সিভিল ওয়ার অথবা ভঙ্গুর নিরাপত্তা অবস্থা নেই। এই অফিস স্থাপন করতে দিলে বাংলাদেশকে সিভিল ওয়ারে পতিত ভঙ্গুর নিরাপত্তার দেশ হিসেবে স্বীকার করে নেয়া হিসেবে দেখা হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও বিশ্লেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন,

ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনের অফিস খোলা হলে একটি নেগেটিভ প্রভাব পড়বে। বিশ্বে একটি ধারণা  তৈরি হবে যে, বাংলাদেশ মারাত্মক একটি বাজে অবস্থায় আছে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশও খুশি হবে। তারা রীতিমতো হাততালি দেবে। তারা মনে করবে বাংলাদেশে এখন আর বেশি বিনিয়োগ হবে না। কারণ তারা নিজেরাই প্রতিযোগী।[7]Banglanews24. (2025, July 9). ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয় খোলা নিয়ে বিতর্ক কেন? banglanews24.com. https://www.banglanews24.com/banglanews-special/news/bd/1551397.details

রাজনৈতিক অপব্যবহার, শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রভাব ও মুসলিমবিরোধী এজেন্ডা

UN মানবাধিকার অফিসগুলো প্রায়শই পশ্চিমা দেশের (যেমন US, EU) রাজনৈতিক এজেন্ডা প্রচার করে বলে আমাদের কাছে দৃশ্যমান। ইরাক যুদ্ধ, সিরিয়া যুদ্ধে UN সবসময়েই পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষে থাকে।[8]Zaman, S. S. (2025, February 24). Does the United Nations have a Bias Problem? International Policy Digest. https://intpolicydigest.org/does-the-united-nations-have-a-bias-problem/ আমরা ফিলিস্তিনে ইজরায়েলী গণহত্যার বিষয়েও UN এর নিরব ভূমিকা দেখেছি।

চীনে নির্যাতিত উইঘুর মুসলিম অধিকার এক্টিভিস্টদের তথ্য চীন সরকারের কাছে পাচার করে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস।[9]Leaked emails confirm UN passed info to China in name-sharing scandal. (2021, January 18). Retrieved July 24, 2025, from https://www.aa.com.tr/en/europe/leaked-emails-confirm-un-passed-info-to-china-in-name-sharing-scandal/2114163[10]NGO: U.N. gave China names of rights activists, May 24, 2017, UNWatch https://unwatch.org/ngo-u-n-gave-china-names-rights-activists/

বুঝতে পারছেন, এই মানবাধিকার অফিসগুলোর আসল উদ্দেশ্য ও কাজ কী!? এটা মূলত মুসলিমদের নিয়ন্ত্রণ করার টুলমাত্র। তাহলে বাংলাদেশে জাতিসংঘের প্রভাব বাড়ানো মানে আস্তে আস্তে দেশের নিয়ন্ত্রণ পশ্চিমাদের হাতে দিয়ে দেওয়া।

OHCHR এর ফান্ডিং উৎস এবং কাদের এজেন্ডা?

আমরা যদি ২০২৫ সালে OHCHR এর ফান্ডিং প্রতিষ্ঠানগুলো[11]Voluntary contributions to OHCHR in 2025. https://www.ohchr.org/sites/default/files/documents/aboutus/fundingbudget/voluntarycontributions2025.pdf দেখি, তাহলে দেখা যায় সবচেয়ে বেশি ফান্ডিং দিচ্ছে পশ্চিমা দেশগুলো।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের ফান্ডিং উৎস

এই দুনিয়ায় ফ্রিতে এই পরিমাণ অর্থ কোনো দেশই ব্যয় করবে না। যদি না UN সেই দেশের পারপাস সার্ভ‌ করে। নেদারল্যান্ড কিন্তু বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজেক্টের মাধ্যমে LGBT ও গর্ভপাতের বৈধতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে বলে আমাদের কাছে ডকুমেন্টস্‌ এসেছে[12]https://www.facebook.com/share/p/1AJAi3mTJg/[13]https://www.facebook.com/share/p/1GbzYAWna7/। তাহলে বাংলাদেশে জাতিসংঘের প্রভাব বাড়ানো আমাদের কোন দিকে নিয়ে যাবে সেটা সহজেই অনুমেয়।

জাতিসংঘের ‘মানবাধিকার’ – LGBT, পতিতাবৃত্তির বৈধতা…

জাতিসংঘ বিভিন্ন দেশে তার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন বিধিবদ্ধ করানোর জন্য কাজ করে থাকে। আর আন্তর্জাতিক শব্দ মানেই যে পশ্চিমাদের বোঝানো হয় সেটা আমরা সবাই জানি। আমরা দুর্বল তাই আমাদের পশ্চিমা আইন মানতে হয়।

তার মধ্যে অন্যতম হলো LGBT Rights, জাতিসংঘ সমকামী-ট্রান্সজেন্ডারদের সকল প্রকার সুবিধার জন্য কাজ করে থাকে।

লেখক আসিফ আদনান তাঁর চিন্তাপরাধ বইয়ে উল্লেখ করেছেন,

সমকামিতার প্রচার, প্রসার ও স্বাভাবিকীকরনের এই এজেন্ডা গ্লোবাল, এবং বিশ্ব রাজনীতির সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেই এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। ১৯৯৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ঘোষণা করে সমকামিতা কোন অসুস্থতা না কোন বিকৃতিও না। অর্থাৎ সমকামিতা স্বাভাবিক। OHCHR, UNDP, UNFPA, UNHCR, UNICEF, UNODC, UN Women, WFP, ILO, UNESCO, World Bank এবং UNAIDS –সহ জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, বৈষম্য নিরসন মানবাধিকার ও ব্যক্তি স্বাধীনতা রক্ষার নামে উন্নতশীল দেশগুলোতে বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোতে সমকামিতার প্রচার, প্রসার ও স্বাভাবিকীকরনের জন্য কাজ করছে। এদের মধ্যে Office of the United Nations High Commissioner for Human Rights (OHCHR) সমকামিতাকে মানবাধিকারের সংজ্ঞার ভেতরে ফেলে এর প্রচার করছে[14]LGBTQI+ rights at the United Nations. Wikipedia. https://en.wikipedia.org/wiki/LGBTQI%2B_rights_at_the_United_Nations#UN_agencies_and_entities । OHCHR সমকামিতার প্রচার ও প্রসারের জন্য Free & Equal নামে একটি আলাদা ক্যাম্পেইন চালু করেছে যার ঘোষিত উদ্দেশ্যে মাঝে আছে শিশুদের সমকামিতা সম্পর্কে সচেতন করা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ব্যবহারের মাধ্যমে সমকামিতা ও সমকামের প্রতি সহনশীলতা তৈরি করা এবং মিডিয়ার মাধ্যমে সমকামিতার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা[15]UN free & equal. Retrieved July 24, 2025, from https://www.unfe.org/what-we-do। Free & Equal ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে জাতিসঙ্ঘ সমকামি ‘বিয়ে’-কে বৈধতা দেয়ার জন্য বলিউডের মিউযিক ভিডিও-ও তৈরি করেছে।[16]Asif Adnan, সমকামী এজেন্ডা: ব্লু-প্রিন্ট. (3 July, 2017). Retrieved July 24, 2025, from https://chintaporadh.com/somokami-agenda

বাংলাদেশে জাতিসংঘের 'মানবাধিকার' অফিস - ঘটতে পারে যে যে বিপদ!
জাতিসংঘের LGBT এর প্রতি নীতি

জাতিসংঘ বাংলাদেশে এসব ইমপোজ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে সক্রিয়ভাবে। জাতিসংঘের সমকামী দূতকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার জন্যও ট্রায়াল দিয়েছিল তারাঃ[17]দৈনিক আমার দেশ, ৩ই জুলাই, ২০২৫

Read More...  এনসিপি যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক দিলশানা পারুলের ইসলামবিদ্বেষ ও শাহবাগীপনা

বাংলাদেশে জাতিসংঘের 'মানবাধিকার' অফিস - ঘটতে পারে যে যে বিপদ!

তাহলে গোড়ার সমস্যা কোথায় বুঝতে পারছেন?

ঢাবির শিক্ষার্থীরা বলেন,

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় এলজিবিটিকিউ (সমকামিতা, ট্রান্সজন্ডার ইত্যাদি) এবং পতিতাবৃত্তির স্বীকৃতি ও ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করে থাকে। যা বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক মূল্যবোধ ও প্রচলিত আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষা সিলেবাসেও তারা এসব বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করতে সরকারকে চাপ প্রয়োগ করবে। যার কারণে আমরা শিক্ষার্থীরা খুবই উদ্বিগ্ন।[18]প্রেস রিলিজ, ঢাবির বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তারিখ: ২০ জুলাই, ২০২৫

OHCHR এর এলজিবিটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পর্কে তাদের ওয়েবসাইটেই জানতে পারবেন।[19]https://www.ohchr.org/en/sexual-orientation-and-gender-identity[20]https://www.ohchr.org/en/stories/2015/10/un-chief-lgbt-rights-leave-no-one-behind

মৃত্যুদণ্ডের বিচার হ্রাসঃ বাতিল হবে জুলাই গণহত্যার বিচার

ঢাবি শিক্ষার্থীরা বলেন,

ধর্ষক কিংবা খুনী যাদের শাস্তি বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে, এসব অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করতে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস থেকে সরকারের উপর চাপ আসবে। ফলে দেশে অপরাধ প্রবণতা বাড়বে এবং ফরীয়াদীরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হবে![21]প্রেস রিলিজ, ঢাবির বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তারিখ: ২০ জুলাই, ২০২৫

২০২৪ সালে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় খুনী হাসিনা কর্তৃ‌ক খুন সহ বিভিন্ন সময়ে গুম-নির্বিচারে গ্রেফতার-সহিংসভাবে বিরোধ দমন ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন। তবে বাংলাদেশের বিচারিক আইন থেকে মৃত্যুদণ্ড উঠিয়ে না দিলে সেসব তথ্য দেবে না জাতিসংঘ। এই হলো তাদের মানবাধিকারের নমুনা।

জাতিসংঘ মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রোরি মুনগোভেন বলেন, বিচার প্রক্রিয়ার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণ না করলে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধানী দলের পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বাংলাদেশের কাছে দেওয়া হবে না। প্রতিবেদনে অপরাধীদের চিহ্নিত করা হয়নি। কিন্তু আমরা প্রচুর তথ্য সংরক্ষণ করেছি। সর্বোচ্চ মান অনুযায়ী এসব সংরক্ষণ করা হচ্ছে যাতে করে পরে ব্যবহার করা যায়। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে বাংলাদেশের বিচারিক প্রক্রিয়াকে সহযোগিতা করার বিষয়ে রোরি মুনগোভেন বলেন, জাতিসংঘের নীতিমালা অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি আমাদের জন্য একটি সমস্যা। আমরা এমন বিচারে সহযোগিতা করতে পারি না যেটা মৃত্যুদণ্ডের দিকে নিয়ে যায়। তবে বিচার প্রক্রিয়া বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে চলতে হবে।[22]ইনকিলাবদ. (2025, February 13). মানবাধিকারের চরম লংঘনকারী হাসিনা. দৈনিক ইনকিলাব. https://dailyinqilab.com/national/article/732368

হাজার হাজার নিরপরাধ মানুষের খুনীর শাস্তি হতে দেবে না জাতিসংঘের ‘মানবাধিকার’। বাংলাদেশে জাতিসংঘের ‘মানবাধিকার’ অফিস আসার মাধ্যমে জুলাই আরেকধাপ মৃত্যুবরণ করলো।

বাংলাদেশে জাতিসংঘ থাকলে জুলাই গণহত্যার সঠিক বিচার হবে না। আমরা অন্তর্ব‌তীকালীন সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছি জুলাইয়ের সঠিক বিচার, আহতদের পুনর্বাসন, নিহতদের পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য। কিন্তু কাজ করছে তার বিপরীত।

দায়মুক্তির চুক্তি: রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ কোথায়?

OHCHR যেসব দেশে কাজ করে, সেখানে তারা প্রায়ই ‘দায়মুক্তি’র শর্তে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর অর্থ, তারা সেসব দেশে আইনত অনেক বিচারের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করার সক্ষমতা রাখে। এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য মোটেও নিরাপদ নয়। আমরা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখেছি, OHCHR সম্পূর্ণ দায় ঢাকার উপর চাপাতে ব্যস্ত।

“বাংলাদেশে প্রস্তাবিত মানবাধিকার কার্যালয়ে যেসব কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে, তাদের আজীবন দায়মুক্তি চায় জাতিসংঘ। পাশাপাশি এ কার্যালয়ের সব কার্যক্রমের দায় বাংলাদেশকে নিতে হবে। জাতিসংঘ প্রস্তাবিত খসড়ায় এমন শর্ত রাখা হয়েছে।”[23]সকল দায় ঢাকার ওপর চাপাতে চায় জাতিসংঘ, তাসনিম মহসিন, দৈনিক সমকাল, ১৬ জুলাই ২০২৫ https://samakal.com/bangladesh/article/305619

শেষ পর্যন্ত অফিশিয়ালি জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় চালু হয়েই গেল।[24]প্রেস স্টেইটমেন্ট, ১৮ই জুলাই, ২০২৫, Chief Advisor GOB

বাংলাদেশে জাতিসংঘের 'মানবাধিকার' অফিস - ঘটতে পারে যে যে বিপদ!

এবং তারা যা করবে সব দায় আমাদের দেশের নিতে হবে। এটা কতটা ভয়ানক চিন্তা করে দেখেছেন?

কাদের মতামত নিয়ে খোলা হচ্ছে জাতিসংঘের অফিস? জনগণ নাকি জনশত্রু?

আবু সুফিয়ান লিখেছেন,

“সরকারের এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এসেছে, যখন দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক চাপ বিদ্যমান। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি ও সময়জ্ঞান জনআস্থা ও গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ইসলামবিদ্বেষী নারীবাদী কয়েকটি সংগঠন স্বাগত জানিয়েছে, যারা পশ্চিমাদের লিঙ্গসমতা (gender equality), ঘৃণ্য পতিতাবৃত্তিকে সামাজিক স্বীকৃতি প্রদান, সমাজ ধ্বংসকারী সমকামিতাসহ এলজিবিটিকিউ (LGBTQ)-এর মতো তথাকথিত মানবাধিকার নিয়ে তৎপর; অথচ নারীদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, অমানবিক শ্রম থেকে মুক্তি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে তাদের কোনো উচ্চকণ্ঠ না থাকার কারণে তারা সর্বস্তরের জনগণের নিকট বিতর্কিত ও সমালোচিত। 

এছাড়া, এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে দেশে সাম্প্রদায়িক উস্কানিদাতা ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের ধোঁয়া তুলে দেশের উপর মার্কিন-ভারতের হস্তক্ষেপ আহ্বানকারী বিতর্কিত নেতৃত্ব। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক সংকট সমাধানে অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ ও তৎপরতা না থাকলেও মার্কিনীদের স্বার্থরক্ষায় তাদের বিভিন্ন পদক্ষেপ জনগণকে ক্ষুব্ধ ও হতাশ করেছে। এমনকি তারা অতিস্বল্প সময়ে মার্কিনীদের আনুগত্যের একের পর এক নির্লজ্জ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”

ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার অফিস খোলার বিপক্ষে যারা
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ঢাকা মহানগর
  • ৩১শে অক্টোবর, ২০২৪, সকাল ১০টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী‌বৃন্দ
জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ
সিপিবি
  • বাংলানিউজ২৪ (১০ই জুলাই, ২০২৫)
শায়খ আহমাদুল্লাহ
ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ
বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া, সিলেট
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী‌বৃন্দ
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীবৃন্দ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী‌বৃন্দ
যুব জমিয়ত বাংলাদেশ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
ইনকিলাব মঞ্চ
  • ২৩শে জুলাই, ২০২৪ – মিরর নিউজ
ইন্তিফাদা ফাউন্ডেশন
পক্ষে যারা
হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী

অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠার লোক গোবিন্দ প্রামাণিক যে কিনা বিজেপির সাথে বিবিধ গুজবে কাজ করে থাকে, তাকে এই সংস্থাটির পক্ষে দালালি করতে দেখা গেছে।

ইহুদী-নাস্তিক গোষ্ঠী

ইহুদী ডেভিড বার্গম্যানের বউ সারাহ হোসেন। যে BLAST নামক সংস্থা খুলে নাস্তিক ব্লগার, সমকামী, উগ্র নারীবাদ, পতিতাবৃত্তির পক্ষে দীর্ঘদিন করে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি নারী বিষয়ক যে সংস্কার প্রস্তাব এসেছে, তার পেছনেও এই মহিলার হাত আছে।

তাহলে এই সংস্থাটি কাদের পারপাস সার্ভ‌ করবে বোঝা যাচ্ছে? কেন আমাদের জন্য তা বিপজ্জনক তা কি বোঝা যাচ্ছে?

অতএব, আওয়াজ তুলুন।

বিবিধ

এ প্রসঙ্গে অন্যান্য কনটেন্টঃ

Citation is loading...

Footnotes

Footnotes
1 ডেস্কএ. অ. (2023, September 22). বাংলাদেশে ভিসা নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আছেন যারা, জানাল যুক্তরাষ্ট্র. International Television Channel Ltd. (NTV). Retrieved July 24, 2025, from https://www.ntvbd.com/world/news-1287905
2 VOA News. (2024, February 15). Venezuela shuts down UN human Rights Office, expels staff. Voice of America. https://www.voanews.com/a/venezuela-shuts-down-un-human-rights-office-expels-staff-/7489547.html
3 Bangladesh: UN expert concerned about non-implementation of Chittagong Hill Tracts Accord, 02 December 2022, OHCHR https://www.ohchr.org/en/press-releases/2022/12/bangladesh-un-expert-concerned-about-non-implementation-chittagong-hill
4 আদিবাসীদের অধিকারসংক্রান্ত জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র ও বাংলাদেশের অবস্থান, বিদ্যুৎ বড়ুয়া, দৈনিক ইত্তেফাক, প্রকাশ : ২১ মে ২০২৩ https://www.ittefaq.com.bd/644792
5 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ http://bdlaws.minlaw.gov.bd/act-1023.html
6 https://www.ohchr.org/en/about-us/where-we-work
7 Banglanews24. (2025, July 9). ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয় খোলা নিয়ে বিতর্ক কেন? banglanews24.com. https://www.banglanews24.com/banglanews-special/news/bd/1551397.details
8 Zaman, S. S. (2025, February 24). Does the United Nations have a Bias Problem? International Policy Digest. https://intpolicydigest.org/does-the-united-nations-have-a-bias-problem/
9 Leaked emails confirm UN passed info to China in name-sharing scandal. (2021, January 18). Retrieved July 24, 2025, from https://www.aa.com.tr/en/europe/leaked-emails-confirm-un-passed-info-to-china-in-name-sharing-scandal/2114163
10 NGO: U.N. gave China names of rights activists, May 24, 2017, UNWatch https://unwatch.org/ngo-u-n-gave-china-names-rights-activists/
11 Voluntary contributions to OHCHR in 2025. https://www.ohchr.org/sites/default/files/documents/aboutus/fundingbudget/voluntarycontributions2025.pdf
12 https://www.facebook.com/share/p/1AJAi3mTJg/
13 https://www.facebook.com/share/p/1GbzYAWna7/
14 LGBTQI+ rights at the United Nations. Wikipedia. https://en.wikipedia.org/wiki/LGBTQI%2B_rights_at_the_United_Nations#UN_agencies_and_entities
15 UN free & equal. Retrieved July 24, 2025, from https://www.unfe.org/what-we-do
16 Asif Adnan, সমকামী এজেন্ডা: ব্লু-প্রিন্ট. (3 July, 2017). Retrieved July 24, 2025, from https://chintaporadh.com/somokami-agenda
17 দৈনিক আমার দেশ, ৩ই জুলাই, ২০২৫
18, 21 প্রেস রিলিজ, ঢাবির বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তারিখ: ২০ জুলাই, ২০২৫
19 https://www.ohchr.org/en/sexual-orientation-and-gender-identity
20 https://www.ohchr.org/en/stories/2015/10/un-chief-lgbt-rights-leave-no-one-behind
22 ইনকিলাবদ. (2025, February 13). মানবাধিকারের চরম লংঘনকারী হাসিনা. দৈনিক ইনকিলাব. https://dailyinqilab.com/national/article/732368
23 সকল দায় ঢাকার ওপর চাপাতে চায় জাতিসংঘ, তাসনিম মহসিন, দৈনিক সমকাল, ১৬ জুলাই ২০২৫ https://samakal.com/bangladesh/article/305619
24 প্রেস স্টেইটমেন্ট, ১৮ই জুলাই, ২০২৫, Chief Advisor GOB
5 1 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Back to top button