কুরআনে নামাজের দলিল নিয়ে প্রশ্ন
৫ ওয়াক্ত নামায, তাহাজ্জুদের নামায, জুমুআর নামায, ঈদের নামায, জানাজার নামায কী কুরআনে আছে ? এবং এই নামায গুলো কত রাখাত ও নিয়ত ? আশা করি এর সমাধান নিয়ে আসবেন, ইনশাল্লাহ.
ভাই কোরআনে সব কিছু থাকতে হবে বিষয়টাতো এমন না, কোরআনে যদি একে বারে ডিটেইলস সব কিছু লিখাই থাকে তাহলে আল্লাহ আর রাসূল যা বলে তা মানতে কেন বলতেন! সরাসরিই বলতে পারতেন শুধু কোরআন মান। কোরআনে অসংখ্যা যায়গায় রাসূলের আনুগত্য করতে বলা হয়েছে, রাসূল যা বলেন তা করতে বলা হয়েছে, রাসূল যে ফয়সালা দেন সেটা মেনে নিতে বলা হয়েছে, রাসূল যে বিধান দেন তা গ্রহন করতে বলা হয়েছে, চাইলে এই বিষয়ে এটা পড়ে দেখতে পারেন [ শুধু কুরআন বিশ্বাসকারীদের (আহলে কুরআন) ভুল সংশোধন [পার্ট ১] ]
আর কোরআনে সালাতের কথা রয়েছে। ৫ ওয়াক্ত সালাতের কথাও রয়েছে, কিন্তু কোরআনে সরাসরি ফজর যোহর এই নামগুলো নেওয়া হয় নি বরং কোন কোন বেলায় সালাত পড়তে তা বলা হয়েছে। [বিস্তারিত - সূরা রূম ১৭-১৮, সূরা হুদ ১১৪, সূরা বনি ইজরাইল ৭৮, সূরা ত্বহা ১৩০] জুমার সালাতের কথাও কোরআনে আল্লাহ বলেছেন [সূরা জুমা আয়াত ৯-১০] আর তারাবিহ শব্দটা কোরআন হাদিসে কোথাও নেই, হাদিসে তাবারিকে রাতের সালাত বলে সম্ভোধন করা হয়েছে, আর তাহাজ্জুদও একই রকম রাতের সালাত, আর আল্লাহ কোরআনে তাহাজ্জুদের সালাতের কথা বলেছেন [সূরা বনি ইজরাইল আয়াত ৭৯, সূরা মুজাম্মিল আয়াত ১-৪ ]
এটিও পড়তে পারেন - কোরআনে কি সত্যি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের কথা নেই?
আর কোরআন ও হাদিসে নিয়ত পড়ার কোন বিধান নেই, নিয়ত করার বিধান আছে। সালাতের আগে বা রোজা রাখতে মুখে নিয়ত পড়ার কোন প্রয়োজন নেই, অনেক আলেমতো এটাকে বিদআতও বলেছেন। আপনি যে সালাতে দাড়াচ্ছে, কেন দাড়াচ্ছে কারন আপনি সালাত পড়বেন এটাই নিয়ত, আপনি যে রাতে ভাত খেতে উঠেছেন, কেন উঠেছেন? রোজা রাখতে, আর এটাই নিয়ত, আলাদা করে মুখে আরবি, ইংলিশ, বাংলা ফার্সি কোন ভাষায় নির্দিষ্ট নিয়ত পড়ার কোন বিধান ইসলামে নেই।