আল্লাহর ইবাদত না করলে জাহান্নাম কেন?

প্রশ্নোত্তর (Q&A)Category: ইসলামআল্লাহর ইবাদত না করলে জাহান্নাম কেন?
আল্লাহ শুধুমাত্র তার ইবাদত না করার কারণে বা অন্য কিছুর ইবাদত করা বা  তাকে বিলিভ না করার কারণে মানুষকে জাহান্নামে পাঠাবেন?  এটা কি আল্লাহর  ego নয়? একজন উদার সৃষ্টিকর্তার পক্ষে এটা কি সম্ভব? তিনি তো দয়ালু, তাইলে বিশ্বাসের ভুলের কারণে মাত্র তিনি চিরস্থায়ী জাহান্নাম দিবেন? এতে কি তার সংকীর্নতা প্রকাশ পায় না আবার তিনিই বলেন তার ইবাদতের প্রয়োজন নাই! ইনফ্যাক্ট তিনি নিজের বাবা মাও নন বিলিভার হইলে তার কাছে প্রে করতে নিষেধ করছেন এটা কেমন?
2 Answers
Ashraful Nafiz Staff answered 4 months ago

জ্বী এটা উনার ইগো, এটা উনার অহংকার, কারন সকল ক্ষমতার মালিক তিনি, সব কিছুর স্রষ্টা তিনি, সকল সম্মানের অধিকারী তিনি, অহংকার শুধু উনাকেই মানায়, আপনার অথবা আমাকে অহংকার মানায় না।

তিনি উদার তার মানেতো এই না যে তিনি নিজের মান, মর্যাদা, সম্মান, বড়ত্ব, শ্রেষ্টত্বকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া কাউকে পশ্রয় দিবেন, এই জাতীয় কাজ উদারতা নয় বড়ং আত্মপরিচয়হীনতায় ভুগার লক্ষন, এই জাতীয় উদারতা আত্মমর্যাদাহীনতায় ভোগা কারো দ্বারা মানায়, এই জাতীয় উদারতা যার কোন মূল্য, সম্মান, ক্ষমতা, শেষ্টত্ব নেই তার দ্বারা মানায়। এসবকে আদতে উদারতার নাম দেওয়াটাও সাধারন কোন ব্যক্তির জন্যও অপমান জনক। এসব উদারতা না দেখানো সংকীর্নতার প্রকাশ নয় বরং এই জাতীয় উদারতা দেখানো মানেই হচ্ছে সংকীর্ণতা, এই জাতীয় উদারতা এটাই প্রমান করে যে এই জাতীয় উদারতা দেখাচ্ছে ত্রুটি তার মধ্যেই রয়েছে, খুত, সমস্যা, ঝামেলা তার মধ্যেই রয়েছে। আর এসব স্রষ্টার শানের বিরোধী।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সম্মান, মর্যাদাহীন নন যে এমন লোক যে আল্লাহর সকল নেয়ামত পাওয়ার পরেও সারাজীবন আল্লাহর বিরোধীতা করে গেছে, তার সত্য দ্বীনকে গ্রহন করেনি, তার উপর ইমান আনে নি এমন কাউকে এমনি এমনি জান্নাতে পাঠিয়ে দিবেন, তাকেতো এই কারনে সৃষ্টি করা হয় নি! এত সতর্কতার পরও যদি সে আল্লাহকে না মানে তাহলে যে জাহান্নামের যোগ্য না হয়ে কি জামাই আদর পাওয়ার যোগ্যতা রাখে?

আর যে জাহান্নামে যাবে কনফার্ম তার জন্য কিসের ভিত্তিতে দোয়া করবে যেন তাকে মাফ করে দেওয়া হয়?

আরো জানতে চাইলে দেখতে পারেন - শুধু ইসলাম গ্রহন না করায় অমুসলিমরা জাহান্নামি হবে কেন?

Tahsin Arafat Staff answered 3 months ago
পরীক্ষার খাতায় আবশ্যক প্রশ্নটির উত্তর না করলে বাকি ঐচ্ছিক প্রশ্নের উত্তর লেখা মূল্যহীন হয়ে যায়। সেখানে প্রশ্নকর্তা ও মূল্যায়ণকারী আল্লাহ তা'আলার দেওয়া ফরজ ছেড়ে কীভাবে এই প্রশ্ন করতে পারেন?
Back to top button