Home»User Profile (Beta) User Profile (Beta) On behalf of the authorsQuestions(1)Answers(61)Posts(8)Commentsহাদিসে সরাসরি উল্লেখ আছে ওরা মূত্র খেয়ে ভাল হইছিল।আল্লাহ কেন বিষ্ঠা খেতে বলছেন এবং কেন তাদের এমন্তেই ভাল করেন নাই বোঝা খুবই স্বাভাবিক। আল্লাহ জানতেন ওরা কাফের তাই তিনি তাদের রক্ষা করেন নাই। কিন্তু এখানেই আল্লাহর রহমত ও দয়া নিহিত যে তিনি ওদেরকে ওদেরই প্রচলিত পদ্ধতিতে সুস্থ হবার একটা সুযোগ দিয়েছেন। আল্লাহ কাফেরদের রক্ষা করেন না।আল্লাহ কি ভয় পাবেন হায় হায় মানুষ আমার সিদ্ধান্তে কি ভাববে বা কেমন ভাবে রিএক্ট করবে বা তাদের ভাল লাগা বা মন্দ লাগার বেসিসে তিনি ডিশিসন দেবেন বা তিনি পরোয়া করবেন যে অমুক কাজটা করলে হয়ত ইসলামের বদনাম হবে তাই আমাকে পৃথিবীর মানুষের ভাল লাগা মন্দ লাগা অনুযায়ী ডিসিশন দিতে হবে ? অর্থাৎ আল্লাহ কি মানুষের "কেমন লাগবে" এটার উপর নির্ভরশীল হয়ে তার কর্ম পরিচালনা করবেন, না আল্লাহ এমন নন। তিনি অমুখাপেক্ষী। কারো কোন ফিলিংসে তার কিছু যায় আসে না। তিনি যা চান তা হুকুম দেন ও করেন কারণ আল্লাহ বলেন:নিশ্চয়ই আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন। (কুরআন - 2:253; 22:14; 85:16)তিনি যা করেন সে সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় না, তবে তাদের জিজ্ঞাসা করা হবে। (কুরআন 21:23)আপনারা সাপ খোপের বিষ, নোংরা প্রাণি শূকর ইত্যাদি থেকে ক্যান্সারের ঔষধ ও ভ্যাকসিন বানান৷ অথচ বিষ্ঠা দেখলে নাক শিটকান। এইটা একটু দ্বিচারিতা। অথচ এই আপনারাই মুসলিমরা যদি শুকরের জেলাটিনের ভ্যাকসিন নিতে আপত্তি জানায় তখন হাসাহাসি করেন। তো ভাই ঔষধ যেটাতেই পাওয়া যাক ইসলাম সেটা ব্যবহারের অনুমতি দেয়। এই থেকেই দলিল সাব্যস্ত হয়, ঘৃণ্য কোন বস্তুতে বা হারাম কোণ বস্তুতে ঔষধী গুনাগুন থেকে থাকলে তা ব্যবহার করা যাবে। ইসলাম মানুষের উপর তার ক্ষমতার বাহিরে বোঝা চাপায় না। কাজেই ইসলাম বিভিন্ন জিনিস ব্যবহারের মাধ্যেমে মানুষকে সুযোগ দেয় সুস্থ হবার। আপনাদের কেবলা ইউরোপের খ্রিস্টান চার্চের পাদ্রীরা যা করত যে মানুষকে চিকিতসা করতে দিত না। ইসলাম তা করেনা। কারণ আল্লাহ বলেছেন, "এমন কোন রোগ নেই যার ঔষধ আমি বানাইনি"আর এটাও বলবেন যদি বলেন আরকি, যে উটের মূত্র দ্বারা চিকিতসা এটা ইসলামের নব্য কোন আবিষ্কার না। এটা আরবদের প্রচলিত চিকিতসা পদ্ধতি। ইসলাম keeps windows open, to get relief from sickness. আল্লাহ অবশ্যই জানতেন তিনি পরবর্তীতে আরো জ্ঞানী লোক সৃষ্টি করবেন যারা নতুন চিকিতসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করবে। এইজন্যই তো তিনি আগে থেকে মানুষকে inform করে দিয়ে হাদিসের মাধ্যমে বলে দিয়েছিলেন যে, " এমন কোন রোগ নাই যার ঔষধ আমি সৃষ্টি করি নাই"৷ এই হাদিস থেকেই মানুষ বুঝতে পারে যে ঔষধ প্রকৃতিতে আল্লাহ যেকোন বস্তুর মধ্যেই রেখে দিয়েছেন, শুধু খুজে বের করাই মানুষের দায়িত্ব। ইসলামিক গোল্ডেন এইজে বাগদাদ ও স্পেনের চিকিতসকেরা শুধু এই একটা হাদিসের উপর ভিত্তি করেই চিকিতসা বিদ্যার উন্নয়ন সাধণ করেছিলেন, কেউই রোগব্যাধির চিকিতসায় উটের মূত্রেই আটকে থাকেনাই, তখন কেউ এসব চিকিতসা পদ্ধতি উন্নয়ন করার জন্য বাধাপ্রাপ্তও হয়নি, এমনটা কেউই বলেনি আমাদের তো ঐশ্বরিক উটের মূত্র আর দুধ নামক মহাঔষধ আছেই আমরা কেন অন্য চিকিতসা খুজতে যাব? কারণ এইটাই ইসলামি আকিদা, যে তা মানুষকে অনুসন্ধান করতে অনুপ্রেরণা দেয়, সমস্যার সমাধান খুজতে বলে। এইজন্যই ঊটের মূত্র ব্যবহারকে ফরজ করা হয়নি। এমন কোন বিধানও নাই যে চিকিতসা শুধুমাত্র এবং শুধুমাত্র উটের মূত্র দিয়াই করতে হবে অন্য কিছু দিয়ে করা যাবেনা। এইজন্যই উলামারা অনুমোদন দিয়েছেন উটের মূত্রের চেয়ে উত্তম চিকিতসা থাকলে উত্তম চিকিতসাটাই গ্রহণ করতে হবে। ইসলাম নতুন চিকিতসা ব্যবহারে বাধা দেয়না যেমন ইতিহাস দেখুন তাইলেই বুঝবেন:“Koranic injunction on the need to heal the sick, meanwhile, spurred enormous gains in medicine and the creation of advanced hospitals, complete with such innovations as specialised wards, regular doctors’ rounds, free health care for indigent patients, and humane treatment of the insane. Grounding their work in Greek learning initially passed along by Nestorian Christians fleeing Byzantine religious persecution, the Arabs went on to develop new medicines and new methods for preparing the active ingredients of these drugs. They made important discoveries in the field of vision and optics and advances in surgery. Revealing an early and growing recognition of germs and other disease pathways, the authorities chose to base Baghdad’s main hospital at a site where tests had shown that raw meat putrefied most slowly.Major medical schools were established in Damascus, Baghdad, Cordoba, and Cairo… Unlike the medieval Christian West, which tended to view illness and disease as divine punishment, the Arab physicians looked for imbalances or other physical causes that could be treated as part of their religious mission.”-- JONATHAN LYONS, THE HOUSE OF WISDOM: HOW ARAB LEARNING TRANSFORMED WESTERN CIVILIZATION; CHAPTER 4 (BLOOMSBURY PUBLISHING)দ্বিতীয়ত, আপনি হিন্দুদের সাথে তুলনা দিয়েছেন, হিন্দুরা যদি শুধুমাত্র জীবনরক্ষা কারী ঔষধ হিসাবে গোমূত্র ব্যবহার করত, আমাদের কোনই আপত্তি ছিল না। কিন্তু বেচারা পাজিতদের ব্যাপারটা সম্পূর্নই ভিন্ন, আপনি কখনো কোন মুসলিমকে উটের মূত্র দ্বারা ওযু বা গোসল করতে দেখেছেন? না।বা আপনি জাস্ট একটা হাদিস দেখান এই মর্মে "হে মুমিন গণ তোমরা উটের মূত্র পান কর, কারণ এতে বরকত, সমৃদ্ধি, পরকালের মুক্তি রয়েছে". দেখাতে পারবেন না আশা করি। কিন্তু হিন্দুদের বিশ্বাস গোমূত্র সম্পর্কে সম্পূর্নই bizarre যেমন এখানে উল্লেখ আছে, যে শুধুমাত্র অতীব জরুরি জীবনরক্ষাকারী চিকিতসা নয় কিছু আলতু ফালতু কাজ যেমন পবিত্রতা অর্জন, পাপমুক্তি, পুন্যার্জন ইত্যাদিতেও ঢালাও ভাবে গোবর ও গোমূত্র খাওয়াটা হিন্দু ধর্মীয় বিধান যা অত্যন্ত অযৌক্তিক। কারণ কোথায় জীবন বাচানো, আর কোথায় পাপ পুন্য নাশ তাও নোংরা বস্তু দিয়ে।জীবন বাচাতে তো আপনারা শূকরের ভ্যাকসিন নিতে যেহেতু আপত্তি করেন না তাহলে এরকম কোন ঔষধ থেকে থাকলে এগুলাতে আপত্তি হওয়া উচিত না কারণ আপনাদের নাস্তিকদের জন্য তো পাপ পুন্য পবিত্রতা, এক্সিস্ট করে না যা এক্সিস্ট করে তা হইল এই পৃথিবীর ক্ষণস্থায়ী জীবনের ভোগ আর বস্তুবাদ এবং আপনাদের জন্য বেচে থাকাটা হইল যক্ষের ধন কাজেই রোগীর জীবনরক্ষার গুরুত্ব আপনাকে আর বুঝাতে হবেনা আশা করি, সেই হিসাবেই বললাম। দ্বিতীয়ত উটের মূত্রের হাদিসগুলায় কোথাও যমযম কূপের পানির মতন ঢালাও ভাবে ফযীলত অর্জনের জন্য তা পান করতে বলা হয়নি বা এমন কোন বা সাধারণ কোন উতসাহও নেই, মূত্র টা ব্যবহারের অনুমতি আছে কিছু special circumstance এ। হিন্দুদের গোমূত্র নিয়ে অদ্ভুদ বিশ্বাস নিম্মরূপ:https://www.frommuslims.com/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a7%82%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93/#f+3031+3+18তৃতীয়ত উটের মূত্র দিয়ে চিকিতসা করার বিধান হিন্দু ধর্মেও পাওয়া যায়:আয়ুর্বেদ হতে:Ustramūtram (Urine of a Camel) (83)शोफकुष्ठोदरोन्मादमारुतकृमिनाशनम् ॥ ४६४अर्शोघ्न कारभं मूत्रं विजानीयाच्चिकित्सकः ॥S.S.Su. 45. 228.The urine of a camel is useful in oedema (anasarca), skin disorders,ascites, ummada (psychological disorders), pacifies vatadosa, worms andpiles.শুধুমাত্র উটের মূত্রই নয় হিন্দুরা কতপ্রকারের মূত্র ব্যবহার করে দেখুন :Gomutram (Cow's Urine) (77)गोमूत्र गोजलं गोम्भो गोपानीयं च गोस्रवः ॥गवापो गोकीलालं च गोनीरं सुरभीजलम् ॥ ४५७गोमूत्र कटु तिक्तोष्णं सक्षारं लेखन सरम् ॥लघ्वग्निदीपनं मेध्यं पित्तलं कफवातजित् ॥ ४५८मूत्रप्रयोगसाध्येषु गव्यं मूत्रं प्रयोजयेत् ॥ S.S.Su. 45.221गोमूत्र (Gomutram), गोजलं (Gojalam), गोम्भः (Gombhah), गोपानीयं(Gopaniyam), गोस्रवः (Gosravah), गवापः (Gavāpah), गोकीलाल (Gokilalam),गोनीर (Goniram), सुरभीजलम् (Surabhijalam) are synonymous.Gomitra is pungent, bitter and salty in taste. It pacifies kapha and vata dosas and aggravates pitta dosa. It is salty, slimming, mild laxative,laghu, stimulates digestive capacity and promotes intellect. When urine isto be prescribed as a medicine gomutra should be used.-Ajāmūtram (She goat's urine)कासश्वासापहं शोफकामलापाण्डुरोगनुत् ॥ ४५९कटुतिक्तान्वितं द्वागमीषन्मारुतकोपनम् ॥S.S.Su. 45. 223.Ajamutra (she goat's urine) is pungent and bitter in taste and slightlyaggravates vatadosa. It is useful in cough, dyspnoea. oedema, jaundiceand anaemia.Mesimutram (Ewe's urine) (79)QDhanvantari Nighanțuकासप्लीहोदरश्वासशोषवर्चो ग्रहे हितम् ॥ ४६०सक्षारं कटुकं तित्तमुष्णं वातघ्नमाविकम् ॥ S.S.Su. 45.224.Meşimutra is pungent, bitter and salty in taste, usnavirya, pacifiesvatadosa. It is useful in cough, disorders of spleen, ascites, dyspnoea, con-sumption and constipation.-Mahişimutram (Urine of a she buffalo) (80)दुर्नामोदरश्लेषु कुष्ठमेहादिव्याधिषु ॥ ४६१आनाहशोफगुल्मेषु पाण्डुरोगे च माहिषम् ॥S.S.Su. 45.222."Jrine of a she buffalo is useful in piles, ascites, colics, skin disorders,polyuria (including diabetes melliuts), tympanites, anasarca, tumours(diverticulosis) and anaemia.Gajamutram (Urine of an elephant) (81)सतित्तं लवणं भेदि वातघ्नं पित्तकोपनम् ॥ ४६२तीक्ष्णं क्षारं किलासे च नागमूत्रं प्रयोजयेत् ॥S.S.Su. 45. 226.Gajamutra is bitter and salty in taste, purgative, pacifies vatadosaand aggravates pittadosa. It is sharp and salty and used in white patcheson the skin.अश्वमूत्रंAswamutram (Urine of a horse) (82)दीपनं कटुतिक्तोष्णं वातचेतोविकारनुत् ॥ ४६२आश्यं कफहरं मूत्र कृमिदद्वषु शस्यते ॥S.S.Su. 45.225.The urine of a horse is pungent and bitter in taste, usnavirya, pacifyvata kapha dosas, psychological disorders, and is useful in worms and dadru. (a skin disorder with itching)এগুলা বৈজ্ঞানিক কি অবৈজ্ঞানিক এই তর্কে আমাদের জড়ানোর কোন ইচ্ছা নাই। ওরা যদি এগুলা ব্যবহার করে করুক আমাদের কোনই সমস্যা নাই। আশা করি আপনি দুইটা পক্ষের এই মূত্র ব্যবহার সংক্রান্ত পার্থক্য গুলা বুঝতে সক্ষম হবেন।চতুর্থত, আপনাকে উপরের কমেন্টে নাফিজ ভাই কিছু বৈজ্ঞানিক প্রমাণও দিয়েছে, বিশ্বাস করা বা না করা আপনার ব্যাপার কিন্তু আমি কিছু বলি, উটের মূত্রের হাদিস গুলাতে দেখা যায় নবী (সা) মদিনা থেকে দূরবর্তী একটা "নির্দিষ্ট" স্থানের কিছু "নির্দিষ্ট" "যাকাতের" উটের দুধ ও মূত্র পানের অনুমতি কিছু "কাফের" লোককে দিয়েছিলেন। এখন এক্ষেত্রে এমন হওয়াটা খুব অস্বাভাবিক নয় যে উক্ত উট গুলো বিশেষ কোন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন উট এবং উক্ত উটের মূত্র ও দুধে আল্লাহ প্রদত্ত "বিশেষ বা execeptional কোন properties" ছিল । এই দাবি আপনি যেমন একেবারেই নাকচ করতে পারেন না। যেহেতু লোকগুলা উক্ত জিনিস পানে সুস্থতা লাভ করেছিল। এমন হওয়াটা খুবই অস্বাভাবিক নয় যে উক্ত চিকিতসা খালি উক্ত লোকগুলোর জন্যই উক্ত বিশেষ স্থানে উক্ত উটগুলোর মাধ্যমেই বরাদ্দ ছিল উক্ত চিকিতসার কার্যকরীতা সার্বজনীন ভাবে কাজ করবে এমন কোন indication উক্ত হাদিসে নাই। তাছাড়া মডার্ন মেডিসিনের কত ঔষধই তো সার্বজনীন ভাবে ও সমানভাবে সবার জন্য universally, absolutely and similarly কাজ করেনা। কারণ হাদিসে এমন কিছু নেই যে উক্ত মূত্র কোন মহা ঔষধ টাইপের কিছু এমন কোন গুণাগুন বর্ণিত নাই। আর আরবে যারা ব্যবহার করত তারা ইসলাম আরবে আসার আগে থেকেই ব্যবহার করত তারা উপকার না পাইলে ব্যবহার কেন করত? এই চিকিতসা ইসলামের নব্য কোন আবিষ্কার না। ইসলাম শুধু এধরণের চিকিতসাগুলা ব্যবহারের অনুমতি দেয় যখন অন্য কোন ঔষধ ব্যবহারের উপায় না থাকে। দেওয়ার পেছনের যৌক্তিকতা এই যে মুসলিমরা যেন জীবন রক্ষাকারী যেকোন ঔষধ তা সেটা নাপাক,হারাম, বিষাক্ত বা নোংরা বস্তু দিয়েই তৈরি হোক না কেন ততক্ষণাত বিকল্প উপায় না পাওয়া গেলে তা গ্রহণ করতে hesitate না করে ও বাধার সম্মুখীন না হয় যাতে প্রাণহানী না হয় । উলামারা এভাবেই দলিল নিয়েছেন। উপরে নাফিজ ভাই বদরউদ্দিন আইনি (রহ) এর ফতোয়া উল্লেখ করেছেন এরকমই। আর বর্তমানের কথা যদি বলেন বর্তমানে উলামাদের অভিমত এটাই যেহেতু এখন বিকল্প ঔষধ পাওয়া যাচ্ছে সেহেতু এখন উটের মূত্র ব্যবহারের কোন প্রয়োজনীয়তা নাই। কারণ উটের মূত্র তখনই ব্যবহার জায়েজ যখন অন্য বিকল্প ঔষধ না থাকে। চিকিতসা উটের মূত্র দিয়েই করতে হবে, বা এটা ব্যবহার করা ফরজ এমন তো কিছুনা। নিছক জায়েজ মাত্র, তাও বিপদে পড়লে। আর এটা অই ঘটনায় তো স্পষ্টই যে কাফেররা আগেও উটের মূত্র খাইত তাদের তাই ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হইছে। সিম্পলি ধরে নেন মুসলিম দেশে বসবাসকারী কোন খ্রিস্টান যদি বলে brandy নামক মদ খেলে আমার সর্দি জ্বর সারে ও মুসলিম শাসক যদি তাকে তা খাবার অনুমতি দেয় তাতে অন্যায়ের তো কিছু নাই।পঞ্চমত, আপনার বক্তব্য ছিল, যেটা আমি আগেও উল্লেখ করছি, আপনি বললেন যে কেন আল্লাহ হাদিসে উল্লেখিত উক্ত লোকেদের "এমনি এমনি" ভাল করে দিলেন না। Hold on ভাই, ওরা আল্লাহর এতটাও দয়া পাবার যোগ্য ছিল না, ওরা একে তো মিথ্যুক, ইসলাম গ্রহণ সম্পর্কে মিথ্যা বলছিল, দ্বিতীয়ত ওদের পরবর্তী কর্মকান্ড সম্পর্কে আল্লাহ আগে থেকেই অবশ্যই অবগত ছিলেন। ওরা সুস্থ হবার পর কি কি অপরাধ করছিল তা হাদিসগুলাতেই বর্ণিত আছে। তারপরেও এটাই ওদের প্রতি আল্লাহর দয়া যে ওদের মুনাফিকি ও মিথ্যাচারের ও সুস্থ হবার পরবর্তী অবশ্যম্ভাবী অপরাধ জানবার পরেও আল্লাহ ওদের ততক্ষণাত অসুস্থাবস্থাতেই গজব দিয়ে ধ্বংস করেন নাই, চাইলেই হয়ত করতে পারতেন, বরঞ্চ তিনি ওদেরকে দয়া করে ওদের ওদেরই নিজস্ব প্রচলিত চিকিতসা পদ্ধতি ইউজ করেই সুস্থ হবার একটা সুযোগ দিয়েছেন, ছাড় দিয়েছেন। কিন্তু ওরা তাতেও সংশোধন হয়নি। উপরন্তু নারকীয় কতিপয় অপরাধ করে বসল। প্রথমেই ওদের "এমনি এমনি" সুস্থ করে দেওয়াটা আসলে ওরা deserve করত না।এই ঘটনা দ্বারাই মুসলিমরা দলিল নেয় যে জীবন রক্ষাকারী চিকিতসার প্রয়োজনে যেকোন কিছু ব্যবহার করা জায়েজ। জীবনের মূল্যটাই বেশি ও জীবন রক্ষা করা ফরজ। এই ঘটনা না ঘটলে হয়ত আজকে মুসলিমরা কোন ঔষধ গ্রহণ করতেই হেজিটেট করত যেমন । হাদিস শাস্ত্রে কোথাও এমন কথা নেই যে উটের মূত্র পানে কোন না কোন ধার্মিক ও পরকালীন উন্নতি আছে, আর সুন্নাত সুন্নাত চিল্লাবেন না ভাই। সুন্নাত তখনই সাব্যস্ত হয় যখন রাসূলুল্লাহ স্বয়ং কোন কাজ করে থাকেন এবং নিজে তা এপ্লাই করেন নিজের উপর। উটের মূত্র দ্বারা চিকিতসা ইসলাম পূর্ব আরবের প্রথা ছিল, মানুষ যদি বেনিফিট না পেত তাহলে তা ইউজই করত না। আপনি বড়জোর এতটুক বলতে পারেন ইসলাম কেন মানুষকে উটের মূত্র খেতে বারণ করেনি। করেনি কেন আশা করি তা বুঝতেই পারছেন, কারণ ইসলাম চিকিতসার সবগুলা উপায় খোলা রাখতে চায়। সে চায় মানুষ সুস্থ হোক। কারণ নবী সা বলেছেন " তোমরা ঔষধ গ্রহণ কর। কারণ আল্লাহ এমন কোন রোগ নেই যার ঔষধ সৃষ্টি করেন নাই". ঔষধটা খুজে নেবার দায়িত্ব মানুষের। কারণ আল্লাহ বলেছেন, "যে জাতি নিজেদের সাহায্য করেনা আল্লাহও তাদের সাহায্য করেনা"। ইসলাম মানুষকে সুস্থ হবার সুযোগটা দেয় তা যা দিয়েই হউক, আপনাদের জান্নাত ইউরোপের পাদ্রীরা তো সেসময় কারো রোগ ব্যাধি হইলে তারে এক ঘরে করে রাখত তাকে চিকিতসা করতে দিত না। আশা করি পার্থক্যটা বুঝতে পারছেন। হিন্দুদের সাথে তো আমাদের তুলনাই হয়না। ওদের গোমূত্র ওদের ইবাদত বা প্রার্থনা বা পরিশুদ্ধির একটা মেইন অঙ্গ। ইসলামে এমন কিছু নেই। উটের মুত্র পানে বরকত সওয়াব পবিত্রতা অর্জন এমন কিছুই নেই।এখন আপনি হয়ত বলবেন, আল্লাহ কেন সুন্দর সুন্দর জিনিসে নিরাময় রাখলেন না এটার উত্তর খুবই স্বাভাবিক। কারণ আল্লাহ বলেন, "আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নয়"তিনি এও বলেন:"وَعَسَىٰٓ أَن تَكۡرَهُواْ شَيۡٔٗا وَهُوَ خَيۡرٞ لَّكُمۡۖ وَعَسَىٰٓ أَن تُحِبُّواْ شَيۡٔٗا وَهُوَ شَرّٞ لَّكُمۡۚ وَٱللَّهُ يَعۡلَمُ وَأَنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ٢١٦﴾ [البقرة: ٢١٦]“এবং হতে পারে কোন বিষয় তোমরা অপছন্দ করছ অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হতে পারে কোন বিষয় তোমরা পছন্দ করছ অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আর আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ২১৬]"- উত্তর দিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরমিলা হবু ডাক্তার ভাইOn উটের মূত্র নিয়ে করা সমস্ত অভিযোগের পোস্টমর্টেমইসলামে কুফুর বিধান রয়েছে তা কি জানা রয়েছে? আপনি সম্ভবত ফ্রম মুসলিমস এরই একজন লেখক, লেখকদের কাছ থেকে এমন মুর্খতাপূর্ণ মন্তব্য আমরা কেউই আশা করি না।প্রথমত স্বামীর জন্য উচিৎ হল তার নিজের স্টেটাসের কাউকে বিয়ে করা, তার চাইতে উপরের কাউকে নয়। তারপরও যদি উচ্চ বিত্ত্বে কোন নারীকে বিবাহ করে তাহলে স্বামীর জন্য এটা বৈধ নয় সেই স্ত্রীকে গরিবদের মত পড়তে বাধ্য করবে। একজন নিম্ন বিত্ত্বের মেয়ে স্বামীর অবস্থার কথা চিন্তা করে নিজেকে খুব সহজে মানিয়ে নিতে পারবে যা একজন উচ্চ বিত্ত্বের নারীর পক্ষে প্রায় অসম্ভব।বিধানটা এই কারনে এমন দেওয়া হয়েছে। দয়া করে মন্তব্য করার পূর্বে নিজেই বিবেক দিয়ে একটু চিন্তা করে দেখবেন।স্বামীকে বলা হয় নি গরিবকে গরিবের মত কাপড়-ছোপড়, আসবাবপত্র দিতে হবে, বলা হয়েছে যতটুকু দিলে যথেষ্ট হবে ততটুকু দেওয়া বাধ্যতামূলক। তার যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে সে দুজনইকেই দুটো সমান সমান রাজপ্রাসাদ বানিয়ে দিয়ে সেখানে রানী বানিয়ে রাখতে পারে, এতে কোন অপত্তি নেই। একজন বড় ঘরের স্ত্রীর বেশি লাগবে এটা যেমন কমন সেন্স এর বিষয় একজন নিম্নবিত্ত্ব স্ত্রী কম দিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে পারবে এটাও কমন সেন্স এর বিষয়। তাই কেউ যদি সেই লেভেলের সামর্থ্যবান না হয় তাহলে সে সেভাবে বিষয়গুলোকে হেন্ডেল করার চেষ্টা করবে, কিন্তু তার মানে এই নয় ইচ্ছাকৃত বৈষম্য করবে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও, নিয়ত যদি হয় বৈষম্যের, হীনতা প্রকাশের, একজনকে অবমূল্যায়ন করা ও অপরজনকে বেশি মুল্যায়ন করার তাহলে যে তা বৈধ হবে না সেটাও কমন সেন্স এর বিষয়।নারী-পুরুষের সমতার একটা কনসেপ্টও আছে, বিষয়টা নিয়ে সংক্ষেপে বলা সম্ভব না তারপরও দুটো কথা বলি। এই সমতার মানে হল নারী নির্যাতন, ধর্ষণের মত মামলা পুরুষ নির্যাতন নিয়েও বানানাতে হবে, নারীর গর্ভকালীর বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাও পুরুষদেরকে দিতে হবে। না হয় তা সমতার নামে মসকারী ছাড়া আর কিছুই না।আশা করি সমতা কি বুঝতেই পেরেছেন। ইসলাম সবসময়, সব ক্ষেত্রে ন্যায় অধিকারের কথা বলে, অবস্থা ভেধে সেই ন্যায্যা অধিকার সমান অধিকারের রূপেও হতে পারে। ন্যায্যাতা কি ও সমতা কি তা যদি ভালো করে বুঝেন তাহলে এই টপিকে আর কোন প্রশ্ন আশা করি আপনার থাকবে না। On ইসলামে একাধিক বিবাহCrop Citation is loading...Citation style: APAMLACopy Citation Share Facebook X Messenger Messenger WhatsApp Telegram Share via Email Print