- এনসিপি যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক দিলশানা পারুলের ইসলামবিদ্বেষ ও শাহবাগীপনা
- এনসিপি যুগ্ম সদস্য সচিব প্রীতম দাশের ইসলামবিদ্বেষ
- এনসিপি সংগঠক শওকত আলীর সমকামী এক্টিভিজম ও ইসলামবিদ্বেষ
- ডাঃ তাসনিম জারার জুলাই আন্দোলনে ঘোলাটে অবস্থান, অন্যদিকে সমকামিতা ও এনজিওর আইডিয়োলজি প্রচার
দিলশানা পারুল জাতীয় নাগরিক পার্টি – জানাপ (National Citizen Party – NCP) এর যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হিসাবে পদ পেয়েছে। কিন্তু আসলে বাংলাদেশের মুসলিমদের জন্য সে কতটুকু সেইফ হবে সেটাই চিন্তার বিষয়।
সে আরেক ইডিয়ট খোমেনির পোস্টকে মক করার ভাবনা নিয়ে এআই দিয়ে বানানো মুসলিম মেয়ের অশ্লীল ছবি পোস্ট করে সে। [আর্কাইভকৃত]
এবং তাতে বিন্দুমাত্রও অনুশোচনা নেই তার!
তার কমেন্টবক্সে একাধিকজন তার কাজ বুঝতে পেরেছে অবশ্যই।
আমাদের কাছে সর্বশেষ ৫ই মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত তথ্যে দিলশানা পারুল এখনো একটুও অনুতপ্ত নয়। আরেকজনের দোষ আমাদের উপর চাপিয়ে নিজেকে জাস্টিফাই করার চেষ্টায় আছে।
তারপর গানবাজনার বিরুদ্ধে র্যান্ডম মুসলিমের পোস্টকে সে এখন ছাত্রলীগ/হিজবুত তাহরীর বানিয়ে দিচ্ছে। সে নাকি কোন মেয়েদের নিয়ে বলছে ‘হবে না’, তাই বাংলাদেশে ইসলামাইজেশন হবে না। [আর্কাইভকৃত]
তার ফেমিনিস্ট চিন্তাভাবনা অনুযায়ী সে কাঁঠালের আমসত্ত্ব জাতীয় “বৈবাহিক ধর্ষণ” প্রচার করে একটি ব্লগে। সুতরাং সে ক্ষমতায় গেলে আপনাদের দাম্পত্য জীবনের উপর এসব ট্র্যাশ আইন ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে না তার কী গ্যারান্টি?
তিনি আগস্টের পরে তাসনিম জারার অবস্থান দিয়ে তার জুলাই জাস্টিফাই করেন! ভাবা যায়! তবে এইটা জাস্ট স্কিল ইস্যু ধরে এড়িয়ে যেতে পারেন।
মাওলানা মা’মুনুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রীর বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের ছড়ানো প্রোপ্যাগান্ডা গিলে তিনি মাওলানা মা’মুনুল হকের বিয়েকে “লীভ টুগেদার” হিসাবে প্রচার করছেন! “নারী শোষণ” হিসাবে প্রচার করছেন! [আর্কাইভকৃত]
মাওলানা মামুনুল হক তাঁর স্ত্রীর সাথে বিয়ের ব্যাপারে সত্য বললেও, সেটাকে মক করে দিলশানা পারুল অবৈধ সম্পর্ক বলে প্রচার করেছেন! [আর্কাইভকৃত]
যদিও তাদের এই অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিতই হয়েছে শেষ পর্যন্ত।[1]ধর্ষণ মামলায় মাওলানা মামুনুল হক বেকসুর খালাস, কালের কণ্ঠ, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৪ https://www.kalerkantho.com/print-edition/last-page/2024/10/25/1438926
তিনি ভবিষ্যতে মুসলিমবঙ্গের মুসলিমদের জন্য কতটুকু সেইফ হবেন সেটা তার নিচের কথাবার্তা থেকে বোঝা যায়ঃ [আর্কাইভকৃত]
“আমরা যখন শ্লোগান দিতাম তখন একসাথে বলতাম
মৌলবাদ নিপাত যাক !
স্যেকুলারিজম মুক্তিপাক
স্বৈরতন্ত্র নিপাত যাক , গনতন্ত্র মুক্তিপাক !”Dilshara Parul
ফ্যাসিবাদের প্রথম আলো বন্ধের কথাতে তার গা জ্বলে যায়! অথচ প্রথম আলো গং দের অপসাংবাদিকতা তিনি অস্বীকারও করেন না! হাহা! [আর্কাইভকৃত]
ধর্মকর্ম তিনি মানেন না ঠিকই, তবে আবার মাহফুজদের লালনবাদ কে ইসলাম হিসেবে প্রোমোট করতেও ভোলেন না! লালনবাদ ও খিলাফাহ (হিজবুত তাহরীর নাম দিয়ে) এর বাইনারিতে তিনি লালনবাদকে ইসলাম হিসাবে উপস্থাপন করেন।
ফুলের দোকান ভেঙ্গে দেওয়ার দায় তিনি তৌহিদি জনতার উপরে চাপায়ে দিতেও রাজি আছেন। আবার শাতেমে রাসূল রাখাল রাহার বিরুদ্ধে প্রতিবাদকে তিনি রাজনীতি হিসাবে উপস্থাপন করতেও এক পায়ে খাড়া। [আর্কাইভকৃত]
২০১৩ সালে শাহবাগ থেকে তোলা কোনো এক শিশুর একটি ছবি পোস্ট করে তিনি আসলে কী বোঝাইতে চাইছিলেন ঠিক বুঝে আসছে না। কারণ একই ছবি শাহবাগীদের ব্লগেও দেখেছি, ইসলামোফোব গণজাগরণ মঞ্চের ব্লগগুলোতে ইউজ করতে! আপনারা প্রশ্ন করুন তাকে ২০১৩ সালে প্রহসনমূলক আওয়ামী বিচার নিয়ে তার অবস্থান কী ছিলো?
যদিও তার অন্যান্য পোস্ট দেখে তা স্পষ্ট যে সেই ২০১৩ সালের শাহবাগী ছিলোঃ [আর্কাইভকৃত ১, ২]
শেষ মুহূর্তে তার নারীবাদ ও অশ্লীলতা প্রচারের আর দুটো উদাহরণ দিয়ে যাইঃ
এনসিপিকে কাজে লাগিয়ে আর কী কী করবেন আল্লাহ মালুম।
Footnotes
| ⇧1 | ধর্ষণ মামলায় মাওলানা মামুনুল হক বেকসুর খালাস, কালের কণ্ঠ, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৪ https://www.kalerkantho.com/print-edition/last-page/2024/10/25/1438926 |
|---|





























