
- এনসিপি যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক দিলশানা পারুলের ইসলামবিদ্বেষ ও শাহবাগীপনা
- এনসিপি যুগ্ম সদস্য সচিব প্রীতম দাশের ইসলামবিদ্বেষ
- এনসিপি সংগঠক শওকত আলীর সমকামী এক্টিভিজম ও ইসলামবিদ্বেষ
- ডাঃ তাসনিম জারার জুলাই আন্দোলনে ঘোলাটে অবস্থান, অন্যদিকে সমকামিতা ও এনজিওর আইডিয়োলজি প্রচার
মাহফুজ থেকে শুরু করে NCP এর অনেক চেনা মুখ বলেছিলো তাদের পরিচয় মুসলিম। তাই তারা এমন কোনো কাজ করবে না, যা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক। শওকত আলীকে, National Citizen Party (জাতীয় নাগরিক পার্টি – NCP) এর দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। NCP এর পুরো নাম হওয়া উচিত- ন্যাশনাল সার্কাস পার্টি। এক একটা নমুনা পাচ্ছি শুধু।
সমকামিতা পক্ষে ২০১৩ সালে বিজ্ঞান এর দোহাই দিয়ে ফেইসবুকে ওপেনলি এই আইডিওলোজি কে সমর্থন করেন তিনি।
২০১৫ সালে তিনি নিজ দেয়ালে এক ছবি আপলোড করেন, ৬ রঙের সিকুয়েন্স ইউজ করার মাধ্যমে। এখন আপনি যদি কাকোল্ড হয়ে থাকেন, আপনি বলবেন, “ভাই এইটা জাস্ট রং, চিল ব্রো”! যদিও ক্যাপশনে সেলিব্রেট প্রাইড লেখা আছে।
ঐ একই ছবি তে একজন প্রশ্ন করছিলো, উনি গে নাকি। উত্তরে সে বলে, গে না, তবে সমর্থক। সুতরাং এই ৬ রং, ইচ্ছাকৃতভাবেই ব্যবহার করা।
তৎকালীন আওয়ামী শিক্ষামন্ত্রী নওফেল একবার বলছিলো, ট্রান্স শব্দ নাকি বই তে ইউজ করা হয় নাই তাই শরিফ শরীফার গল্প আসলে হিজড়াদের নিয়ে। আওয়ামীর সেই একই বয়ান ব্যবহার করছে, শওকত আলী। সে বলতে চেয়েছে, শরীফ শরীফার গল্প ট্রান্স ইস্যু না, হিজড়া ইস্যু। এরকম বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর জন্য কি সে NCP-জাতীয় সার্কাস পার্টি জয়েন করতে পেরেছে?
সামিনার লুৎফার আইডিওলোজি কী আমরা সবাই জানি। তিনি সমকাম নিয়ে এক্টিভলি কাজ করে গেছেন। কিন্তু তার আইডিওলোজি কে জাস্টিফাই করার জন্য তিনি আলেমদের কে কটাক্ষ করলেন। প্রশ্ন আসে একটাই, লুৎফাকে ডিফেন্ড করতে গিয়ে আলেমদের অপমান কেন করবে?
উত্তর পূর্বের সকল স্ক্রিনশট আবার দেখলেই বুঝবেন।
লুৎফাকে এক্সপোজ করায় আসিফ মাহতাবকে কটাক্ষ এবং লুৎফা কে ট্রান্স সমর্থক বলায় উনি চেতি গেছেন।
পারভেজ আলম এর একটা পোস্ট তিনি শেয়ার করেন, ২০২৪ সালে। সেখানে পারভেজ দেখায় লিবারেল মানবাধিকার এর জায়গা থেকে এলজিবিটিকিউ কমিউনিটির প্রতি উদারতা পাপ। আর এই দাওয়াতি অ্যাপ্রোচ, পারভেজ আলম এর মতে, হুমকি ধামকির তুলনায় পজিটিভ।
এছাড়া, লুত (আ) এর সত্য ঘটনাটি, পারভেজ আলম এর মতে, খুবই প্রাচীন প্রসঙ্গ। তাই বর্তমান সময়ে নৈতিক দিক নির্দেশনা হিসেবে এইটা প্রাসঙ্গিক সাব্যস্ত করা কঠিন।
আর এইটা শওকত আলী শেয়ার করেছে।
শুধু সে সমকামিতার প্রচারেই সীমাবদ্ধ না, বরং পাক্কা ইসলামবিদ্বেষীও! কারো মিসম্যানেজমেন্টকে কাজে লাগিয়ে ইসলামের জাকাতের বিধানকে কটাক্ষ করে দেওয়া পোস্ট শেয়ার করে সে। এমনকি আল্লাহর নামও বিকৃত করে শুধু আল্লা লেখার কাজগুলো ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক ও হিন্দুত্ববাদীদেরই দেখা যায়। [আর্কাইভকৃত]
ফুটবল খেলা নিয়েও তার মুসলিমদেরকে ও ঈমানকে কটাক্ষ করতে ছাড়ে না সে,
কুখ্যাত শাতিমে রাসূলদের বিভিন্ন মতবাদে সে আবার একাত্মতা পোষণ করে,
ইসলামে মহিলাদের হিজাবের বিধান নিয়ে প্রচারকেও কটাক্ষ করে পোস্ট করে শওকত আলী! [আর্কাইভকৃত]
রমাদ্বান মাস নিয়ে ইসলামবিদ্বেষীদের প্রোপাগান্ডামূলক লেখাও তার ফিডে শেয়ার করতে দেখা যায়ঃ
কুখ্যাত নাস্তিক হুমায়ুন আজাদের উক্তিগুলো তার কাছে খুবই প্রিয়, যেখানে আল্লাহ্ সুবহানাওয়াতা’আলা এবং তাঁর ঘর মসজিদকেও কটাক্ষ করা হয়!
সচেতন পাঠকরা ভাবুন, দেখুন। বাংলাদেশে কি তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি আবারও ইসলামবিদ্বেষের রাজনীতি কায়েম করতে চলেছে?

















