হাজরে আসওয়াদ কি প্যাগানিজমের প্রতিক!

প্রশ্নোত্তর (Q&A)হাজরে আসওয়াদ কি প্যাগানিজমের প্রতিক!
Rayhan Rashid asked 1 বছর ago
"Narrated Az-Zubair bin 'Arabi:   A man asked Ibn `Umar about the touching of the Black Stone. Ibn `Umar said, "I saw Allah's Messenger (ﷺ) touching and kissing it." The questioner said, "But if there were a throng (much rush) round the Ka`ba and the people overpowered me, (what would I do?)" He replied angrily, "Stay in Yemen (as that man was from Yemen). I saw Allah's Messenger (ﷺ) touching and kissing it.""[1]
হাজরে আসওয়াদের কাছে না যেতে পারলেও জোর করে যেতে হবে? না হলে হজ হবে না? একজনের প্রশ্ন, এটা কি paganism বা idolatry নয়? আর ইবনু উমর রাগান্বিত হয়ে বললেন কেন? শান্তিপূর্ণ ভাবে তো বলা যায়।
"মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) ... ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের পিঠে (আরোহণ করে) বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেন, যখনই তিনি হজরে আসওয়াদের কাছে আসতেন তখনই কোন কিছু দিয়ে তার প্রতি ইশারা করতেন।"[2][3]
এই ব্যাপারটা নিয়েও কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছে!
2 Answers
Tahsin Arafat answered 1 বছর ago

হাজরে আসওয়াদ একটি পাথর। এবং এটি জান্নাতী পাথর হওয়ায় মুসলিমদের নিকট সম্মানিত ও অন্যতম সম্মানের প্রতীক। আর কিছুই নয়।

Musaddad narrated to us, Hammad narrated to us from Az-Zubair bin 'Arabi, who said: A man asked Ibn 'Umar (may Allah be pleased with them) about touching the Black Stone (Istilam al-Hajar). He replied, "I saw the Messenger of Allah (peace be upon him) touching it and kissing it." The man said, "What if I am crowded? What if I am overwhelmed?" Ibn 'Umar replied, "Leave your 'what if' in Yemen. I saw the Messenger of Allah (peace be upon him) touching it and kissing it."

এখানে উমর রাঃ রেগে বলুক, আর স্বাভাবিক ভাবেই বলুক। কথার উদ্দেশ্য একই থাকে। হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করা সুন্নাহর অংশ। এটাই বোঝানো হয়েছে।

"একজনের প্রশ্ন, এটা কি paganism বা idolatry নয়?" এই প্রশ্নটার সারমর্ম হচ্ছে, সে একজন আগেই দাবি করছে এটা paganism বা idolatry, এবং আমাদেরকে সেটা ভুল প্রমাণ করতে বলেছে।

এর উত্তর হলো, না এটা paganism বা idolatry নয়।

Muhammad Al Ibrahim answered 1 বছর ago

আপনি বলেছেন, ‘ইবনু উমর রাগান্বিত হয়ে বললেন কেন?’ কারণ আপনি হাদীসের যে অনুবাদ পড়েছিলেন সেখানে লেখা ছিল, ‘He replied angrily…’

কিন্তু হাদীসের মূল আরবি পাঠে রাগান্বিত হওয়ার কথা নেই। এখানে আপনার দেওয়া অনুবাদে অনুবাদগত ভুল রয়েছে। ফাতহুল বারীতেও বলা হয়নি, ইবনু উমার রাগান্বিত হয়ে বলেছিলেন।

তিনি খুব সম্ভব এই অনুবাদটা কপি করেছিলেন। এখানে উক্ত ভুলটা উপস্থিত রয়েছে। আমি অন্য আরো কিছু অনুবাদ দেখেছি, যেগুলোয় এই ভুলটা করা হয় নি। বাংলা অনুবাদেও নেই, ইংরেজিতেও হয় নি।

এই হাদীসের ব্যাখ্যায় ফাতহুল বারীতে ইবনে হাজার আসকালানী (রহ) লিখেছেন,

 ‘وَإِنَّمَا قَالَ لَهُ ذَلِكَ لِأَنَّهُ فَهِمَ مِنْهُ مُعَارَضَةَ الْحَدِيثِ بِالرَّأْيِ فَأَنْكَرَ عَلَيْهِ ذَلِكَ وَأَمَرَهُ إِذَا سَمِعَ الْحَدِيثَ أَنْ يَأْخُذَ بِهِ وَيَتَّقِيَ الرَّأْيَ، وَالظَّاهِرُ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ لَمْ يَرَ الزِّحَامَ عُذْرًا فِي تَرْكِ الِاسْتِلَامِ’

আর তিনি তাকে এ কথা বলেছিলেন কারণ, তার এই কথা থেকে তিনি হাদীসের রায়ের বিপরীত (অবস্থা)টা বুঝতে পেরেছিলেন। তাই তিনি তাকে এ থেকে নিষেধ করেন এবং কখনো কোন হাদীস শুনলে সে হাদীসকে আঁকড়ে ধরতে এবং (ভিন্নতর) অভিমত প্রদান থেকে বেঁচে থাকতে আদেশ করলেন। আর, বাস্তবতা হচ্ছে ইবনু ওমর (রাদিআল্লাহু আনহুমা) এমন কোন ভিড় দেখতে পাননি, যা হজরে আসওয়াদ চুম্বন করার ক্ষেত্রে ওজর হতে পারে।

তথ্যসূত্রঃ https://shamela.ws/book/1673/2143#p2

অতএব, দেখা যাচ্ছে

১. আপনার দেওয়া হাদীসের উদ্ধৃত অনুবাদে সমস্যা আছে।

২. ইবনু ওমর রাদিআল্লাহু আনহুমার সময় হাজীদের সংখ্যা এই সময়ের মতো এতো বেশি ছিল না বলে সেই ইয়ামানি ব্যক্তিটির এমন প্রশ্ন অবান্তর ছিল। তাই তিনি এভাবে উত্তর দিয়েছিলেন।

আল্লাহ আলিম

Back to top button