ইসলাম অন্য ধর্ম কে সন্মান করতে বলে?
দ্বীন নিয়ে হীনমন্যতার বা কম্প্রমাইজ নেই কিছু নেই। আপনি আপনার বাবাকে রেখে কাউকে খুশি করার জন্য নিশ্চয়ই অন্য কাউকে সম্মান দেখাতে গিয়ে বাবা ডাকবেন না।
মুমিন হওয়ার একটি শর্ত হল পরিপূর্ণ ইসলামে প্রবেশ, সকল তাগুতকে অস্বীকার৷ ইমাম তাবারি বলেন যা কিছুকে আল্লাহ স্থানে বসানো হয় তাই তাগুত। এটা হতে পারে প্রভুত্যের দিক দিয়ে, হতে পারে ভালোবাসার দিক দিয়ে, হতে পারে মান্য করার দিক দিয়ে, হতে পারে ভক্তির দিক দিয়ে।
এক স্রষ্টা ব্যতিত আর উপাস্য নেই, তিনিই সার্বভোম ক্ষমতার মালিক, ইসলাম একমাত্র মনোনীত দ্বীন, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ আল্লাহর নবী ও রাসুল এটার ঘোষণা করার মাধ্যমে আপনি বাকি সকল কুফরী, শিরকি মতবাদ, ধর্ম ও ব্যবস্থাকে সম্পুর্ন বাতিল বলে ঘোষনা করছেন।
এখানে সেসব বাতিল জিনিসের জন্য সম্মান আসা অসম্ভব। আমরা কাফেরদের মত ও ধর্মকে সম্মান করি না, আমরা সর্বোচ্ছ ব্যক্তিকে সম্মান দেখাতে পারি, যার বৈধতা রয়েছে। আপনি শরিয়াহ রাষ্ট্রে অমুসলিম নাগরীক, চুক্তিবদ্ধ জনতা, নিরাপত্তা প্রাপ্ত ব্যক্তিবিশেষকে সম্মান দেখানে পারেন, শ্রদ্ধা জানাতে পারেন, তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারেন, বিভিন্ন লেনদেন ও লাভজন কল্যানকর সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন। এটা হল আপনার সাথে তার সম্পর্ক ও পারষ্পরিক বিশ্বাসের সম্মান রক্ষার্থে ও ইসলামের আদেশের কারণে, কিন্তু তার ধর্মের প্রতি সম্মান দেখাতে গিয়ে নয়।
সহজ সরল উত্তর হল, ইসলাম অন্য ধর্মকে সম্মান করতে শেখায় না, অন্য ধর্মের মানুষকে সম্মান করতে শেখায়।