
১৯ শতকের তুরষ্কে বেশ চমকপ্রদ একটা ভালোবাসার উপাখ্যান আছে। তুর্কির প্রত্যন্ত একটি গ্রামের মোড়লের ছেলে আজিজ। তিন ভাইয়ের মধ্যে সে সবচেয়ে বড় কিন্তু অন্যান্য ভাইদের তুলনায় বেশ অবহেলিত। কারণ সে অন্যান্য দশ-পাচটা স্বাভাবিক মানুষের মতো ছিলো না। সে ছিলো বিকলাঙ্গ কিংবা সহজভাবে বললে শরীরের উপরের অংশের বামপাশ প্যারালাইযড। নাম তার আজিজ।
আজিজের মস্তিষ্ক সাধারণ মানুষের মতোই ছিলো। সে স্বাভাবিক মানুষের মতোই চিন্তা করতো, আনন্দ আর দুঃখ অনুভব করতো, তার ইচ্ছা-আকাঙ্খা ছিলো। কিন্তু মানুষ এগুলো সম্পর্কে খুব কমই চিন্তা করতো। সে যে দুঃখ পায় একথা ভুলে গিয়ে মানুষ তাকে নিয়ে প্রতিনিয়ত হাশি-তামাশা করতো। গ্রামের বাচ্চারা তো আরেক কাঠি সরেস। তারা আজিজকে ট্রিট করতো পাগল হিসেবে। কথা বলতে না পারা, বিকলাঙ্গ আজিজ এগুলো সবই বোবা মুখে সহ্য করতো আর নীরবে কাঁদতো।
পরিবারের বড় হলেও আজিজের কোনো ভবিষ্যৎ ছিলো না। তার ছোট দুই ভাইয়ের বিয়ে হয়ে গেলেও শারীরিক ত্রুটির কারণে কেউই তাকে বিয়ের উপর্যুক্ত মনে করলো না। এমনকি নিজে বিয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করার পরও। অবশ্য সমাজের নিয়মে নানা কথা চিন্তা করে কেউই আজিজকে পাত্রী দিবে না এবং এমনটাই হয়ে আসছে। কিন্তু একদিন একটা মিরাকেল ঘটলো।
একদিন আজিজের বাবা একজন বিত্তশালী লোককে খুন হওয়া থেকে বাঁচায়। সদ্য মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসার অনুভূতি হয়তো স্রষ্টার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। একইভাবে স্রষ্টা যে উসিলায় রক্ষা করলেন সে উসিলার কদর করাও। আর উক্ত বিত্তশালী লোকের উসিলা ছিলো আজিজের বাবা। কৃতজ্ঞতা স্বরূপ সে নিজ মেয়েকে মোড়লের ছেলের সাথে বিয়ে দেওয়ার ওয়াদা করলো।
তবে এখানে একটি গুরুতর সমস্যা ছিলো। মোড়লের অবিবাহির ছেলে বলতে শুধুমাত্র আজিজ ছিলো আর সেতো বিকলাঙ্গ। বিপরীতে বিত্তশালী লোকের মেয়ে ছিলো রূপে-গুনে সমগ্র গ্রামে পরিচিত। এমন পরিবার ছিলো না যে তাকে নিজ ঘরের জন্য বধু হিসেবে বরণ করতে রাজী ছিলোনা। তাদের পরিবারও বেশ স্বচ্ছল। তাহলে কি কারনে উক্ত লোক নিজ মেয়েকে আজিজের সাথে বিয়ে দিবে? আর কোন বা কারণেই মেয়ে তার সংসার করবে? কিন্তু লোকটি তার ওয়াদার কথা ভুলে গেলো না। মুসলিম হিসেবে সে ওয়াদার খেলাফ করা কখনো শিখেনি। তাই কথামতোই মেয়েকে বিয়ে দিলো।
গ্রামের মুরব্বিগোছের মহিলারা পাত্রীকে দেখতে গেলো। মোড়লের ছেলে আর নিজ পরিচিত ছেলের পাত্রী বলে কথা। পাত্রীর রূপে-গুনে তারা অবাক হয়ে থাকলো আর মনে মনে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে আফসোস করলো। এদিকে পাত্রী মিজিনও জানতে পারলো আজিজের বিকলাঙ্গের কথা। কিন্তু বাবার ওয়াদার কথা মনে করে সে বিয়েতে দ্বিমত করেনি। বরং সে আজিজকে মেনে নেয় তার ভবিষ্যৎ অভিভাবক হিসেবে।
শারীয়বৃত্তীয় ত্রুটি থাকায় আজিজ অবহেলিত মানুষের কষ্ট বেশ ভালোভাবে বুঝতো। আর তাই কেউ সাহায্যপ্রার্থী ছিলো কিন্তু আজিজ তাকে সাহায্য করেনি এমন নজির কখনো পাওয়া যায়নি। আজিজের স্ত্রী মিজিন তার এই গুণটি বেশ ভালোভাবেই দেখে। কিন্তু তার মতো সুন্দরী মেয়ে কেনই বা তার সংসার করবে! ধার্মিক মিজিন অবশ্য তার স্বামীর প্রতি আনুগত্যশীল ছিলো। তাই স্বামীর সাথে সে কখনো খারাপ ব্যবহার করেনি। বরং সে বিশ্বাস করতে শুরু করে সমগ্র জীবন তার স্বামীর পাশে সে থাকবে। কিন্তু গ্রামবাসীদের নানা কু-কথা আর গুজবের কারণে খুব শীঘ্রই তারা গ্রাম ত্যাগ করে শহরে বসবাস করতে বাধ্য হয়।
এরপর আজিজ ফিরে আসে অনেক বছর পর। কিন্তু এবার ভিন্ন রূপে। সে আসে একটি সুন্দর গাড়িতে করে, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে। তখন সে আগের মতো বিকলাঙ্গ ছিলো না। বরং সে তখন একজন স্বাভাবিক সুদর্শন যুবক। তার এই পরিবর্তনের কারণে শুরুতে কেউই তাকে চিনতে পারেনি। পরবর্তীতে নিজের পরিচয় দেওয়ার পর গ্রামবাসী পূনড়াইয় অবাক হয়ে তাকিয়ে রয়।
আজিজের এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি অবদান ছিলো তার স্ত্রীর। সে কখনো তাকে তুচ্ছ করেনি, ছোট করে দেখেনি। বরং নিজেকে পরিবর্তনের জন্য সর্বদা স্বামীর পাশে ছায়া হিসেবে ছিলো। আজিজও স্ত্রীকে সুখী দেখতে চাইতো। তাই বিকলাঙ্গ শরীর নিয়েই সে তীব্র পরিশ্রমে রোজগার শুরু করে, অবসর সময়ে বন্ধুদের সহায়তায় ব্যায়াম করে। অবশেষে এই দুই দম্পতির অক্লান্ত পরিশ্রমে স্রষ্টা তাদের আরেকটি নেয়ামত দান করেন। আজিজ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই সিনারিওকেও মিরাকেল বলা হয় অবশ্য। অবশেষে বৃদ্ধ বয়সে এই দম্পতিকে দেখা যায় শীতের পার্কে মোটা জামা পরে একজন আরেকজনের হাত ধরে জগতের শ্রেষ্ঠ সময় পার করছে। যেন আল্লাহর দেওয়া ভালোবাসার সবচেয়ে উত্তম নিদর্শন।
আজিজ আর মিজিনের ঘটনা ব্যাখ্যা করার সামর্থ্য আধুনিক বিজ্ঞানের নেই। বরং আধুনিক বিজ্ঞান বলবে নারীরা কখনো তার থেকে কম সফল পুরুষদের সাথে সংসার করে না। আধুনিক বিজ্ঞান বলে নারীরা পুরুষদের বেছে নেয় একমাত্র বেটার প্রোভাইডার আর বেটার জিনের জন্য। আধুনিক বিজ্ঞান বলবে মানুষ কার কর্মের বিপরীতে বস্তুগত কিছু না পেলে সে তাতে আগ্রহবোধ করে না। কিন্তু আজিজ আর মিজিনের সংসার আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়না।
আজিজ আর মিজিন আধুনিক যুগের একটি উপমা মাত্র। এরকম উপমা আরও হাজার হাজার ছড়িয়ে আছে। এগুলোর কোনোটারই গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা বিজ্ঞান দিতে পারে না। বরং সে সবকিছুর ব্যাখ্যা দেয় বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। আর যে পৃথিবীতে বস্তুই সবকিছু সেখানে মিজিনেরা কেন স্বামীর প্রতি ভালোবাসা আর আনুগত্য বজায় রাখবে? বস্তুবাদী সমাজ তো তাকে আরও বেটার ডিজার্ভ করার কথা বলে থাকে।
আমাদের সময়কালেও স্রষ্টা প্রদত্ত এমন ভালোবাসার উদাহরণের অভাব নেই। হারাম সম্পর্ক থেকে সর্বদা দূরে থাকা এক জোড়া পাত্র-পাত্রী আল্লাহ সুবহানাল্লাহু ওয়া তা’য়ালার দেওয়া পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়। সংসারে তাদের ভালোবাসার কমতি ছিলো না। কিন্তু স্বৈরাচারী প্রশাসন তাদের সংসারে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। নিজেদের টার্গেট পূরণের জন্য জ*ঙ্গি জুজুর মামলায় ধরে নিয়ে যায়। এদিকে তার জামিনের কোনো নিশ্চয়তা নেই। সদ্য বিবাহিত স্ত্রীর কথা চিন্তা করে সে তাকে তালাক নিয়ে নিতে বলে। কিন্তু তার স্ত্রী নাছোড়বান্দা, সে তাকে ছাড়া অন্য কাউকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করতে নারাজ। তার কথা ছিলো দুজনে একসাথে জান্নাতে যেতে চায়। মাশাআল্লাহ, তারা যেন আল্লাহর আরেক নিদর্শন।
আধুনিক বিজ্ঞান এই ঘটনাকেও ব্যাখ্যা করার সামর্থ্য রাখে না। বরং বিজ্ঞানের মতে স্বামী বিকলাঙ্গ হলে, প্রোভাইড করতে না পারলে স্ত্রী চলে যাবে এটাই স্বাভাবিক। স্বামী হলো প্রোভাইডার, সো তার গুরুত্ব প্রোভাইড করা পর্যন্ত। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটা হলো স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু উপরের ঘটনা কিংবা আজিজ আর মিজিনের গল্প বিজ্ঞানের কাছে অস্বাভাবিক।
সর্বদা সুখের খোঁজে থাকা মানুষ আজিজ আর মিজিনের মতোই একটি শুভ্র-নিরিহ সংসার চায়। আমরাও চাই সংসারে আল্লাহর রহমত আর নেয়ামত থাকুক, আল্লাহর দেওয়া ভালোবাসা থাকুক। সেখানে দুনিয়াবি স্বার্থ না থাকুক। কিন্তু আমরাই আবার নানা ঘটনায় সামাজিক বিজ্ঞান কিংবা মনোবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা খুঁজতে আরম্ভ করি। আমরা তখন এমন উপসংহার টানি যা নিজেরাও পছন্দ করি না। কখনো সহশিক্ষার কুফল বুঝাতে কিংবা কখনো কর্পোরেট চাকরির থাবা থেকে নারীদের বিরত রাখতে আমরা আশ্রয় নেই বস্তুবাদী সামাজিক দর্শনের কিংবা ফ্রয়েডিয় সাইকোলজির। অথচ আধুনিক যুগের সহশিক্ষা আর কর্পোরেট চাকরির পুঁজিবাদী প্রজেক্টের সূচনা এই বস্তুবাদী সামাজিক বিজ্ঞানগুলো হতেই। একইভাবে সহশিক্ষা কিংবা কর্পোরেট জবের কুফল বুঝানোর জন্য এগুলোর আশ্রয় না নিয়ে আল্লাহর বিধানের আলোকে ব্যাখ্যা দেওয়াই যথেষ্ট ছিলো। আর মুমিন তো তারা যারা আল্লাহর বিধান জানার পর বলে আমরা শুনলাম ও মেনে নিলাম। তাদের মনে আল্লাহর বিধান নিয়ে কোনো বক্রতা থাকে না।
বিশ্বাস করুন বা না করুন যখন আপনি বুদ্ধিবৃত্তিক ব্যাখ্যার কারণ দর্শিয়ে উক্ত সামাজিক বিজ্ঞানকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার শুরু করেন তখন আপনি একপ্রকার তাদের ফাঁদেই পা দিয়ে দেন। আর একইসাথে আপনি নিজেকে পরোক্ষভাবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিকট একপ্রকার দলিল হিসেবে উপস্থাপন করতে থাকেন। ফলত তারাও আপনাকে দলিল হিসেবে উপস্থাপন করে একই ধারা চলমান রাখবে। কিন্তু বিপ্লবের আমূল পরিবর্তনে সমাজে বিদ্যমান থাকা এসব সামাজিক বিজ্ঞানেরও পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য।
আধুনিক সভ্যতা নারীকে দেবী মনে করে। তারা নারী ও পুরুষকে শুধু প্রতিযোগী বানায় না বরং পুরুষকে করে তোলে নারীর দাস। ফ্রয়েডের ভাষায় পুরুষ নারীকে দেবীজাত মনে করে। আদতে ফ্রয়েডের কথা বস্তুবাদী কিংবা তৎকালীন ইউরোপীয় সিম্প সমাজের জন্য মানানসই। মূলত নারীকে দেবজাত মনে করার প্রবণতা থেকেই সামাজিক বিজ্ঞানগুলো ইউরোপীয় নারীদের হীন কাজগুলোকে এক প্রকার নর্মালাইজ শুরু করে। আর এর থেকেই ধারণা আসে প্রোভাইডার, বেটার ডিজার্ভ করার ধারণার। বাস্তবিকপক্ষেই যদি নারীরা বেটার ডিজার্ভ করে তাহলে সে কেন দেউলিয়া হয়ে যাওয়া ব্যবসায়ীর সংসার করবে? কেন দুর্ঘটনায় চোখ হারানো স্বামীকে সে এয়ারপোর্টেই ফেলে আসবে না? কেন সে মিজিনের মতো বিকলাঙ্গ পুরুষের সংসার করবে? সামাজিক বিজ্ঞানের তত্ত্বগুলো বিজ্ঞান অনুযায়ী এগুলো তো অস্বাভাবিক। বরং স্বাভাবিক হলো তাদের ছেড়ে দেওয়া।
আপত্তি আসতে পারে যে প্রকৃতিতে প্রানীদ্বয়ের মাঝে এই ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়। আচ্ছা ঠিক আছে কিন্তু প্রকৃতিতে প্রানীদ্বয়ের মাঝে সমকামিতা বিদ্যমান, বেবুন ও শিম্পাঞ্জিরা কানিবালিজম প্র্যাকটিস করে, এনাকোন্ডা বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পর সদ্য জন্ম নেওয়া বাচ্চাদের ফেলেই চলে যায়, এক ধরনের পেঙ্গুইন নিজের বিষ্ঠা নিজেই ভক্ষণ করে। তাহলে প্রকৃতির উদাহরণে এগুলোও কি মানুষের জন্য স্বাভাবিক বলা হবে? প্রকৃতিতে বিদ্যমান প্রানীদ্বয়ের জন্য তাদের নিয়ম, মানুষের জন্য মানুষের নিয়ম।
বুদ্ধিবৃত্তিক রিফিউটেশনের চেষ্টা করতে গিয়ে আমরা পরোক্ষভাবে প্রমোট করে দিচ্ছি আমাদেরই শত্রুদের যাদের রেফারেন্স দিয়ে শত্রুরা আমাদের নৈতিকতার উপর প্রশ্ন তোলে। একইভাবে মানুষের ফিতরাহ কিংবা ন্যাচার নির্ধারণেও আমরা আশ্রয় নিচ্ছি এইসব সামাজিক বিজ্ঞানের। অথচ এগুলো ফিতরাহ কিংবা ন্যাচার এমনটা খোদ সামাজিক বিজ্ঞানগুলোও দাবি করেনি। বরং তার দাবি হলো মানুষের ইনেট তথা সুনির্দিষ্ট কোনো বৈশিষ্ট্য নেই। স্থান, কাল, পাত্রভেদে মানুষের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন হয়। তাছাড়া কোনটা মানুষের ফিতরাহ আর কোনটা না তা ব্যাখ্যা করার অধিকার একমাত্র ইসলামের আছে। মুসলিম হিসেবে এটা বিশ্বাস করা গুরুত্বপূর্ণ।
এই সামাজিক বিজ্ঞানগুলো মূলত তৈরি হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু সমাজকাঠামোর উপর ভিত্তি করে। কাজেই ইউরোপীয় দার্শনিকদের চোখে মানুষ একটি যৌনজীব, এমনটা হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। আর ফ্রান্সের কথা তো আরও করুন।
পরিশেষে রাসপুতিনের সাথে জার সম্রাগীর পরকীয়ার সম্পর্ক আপনি সামাজিক বিজ্ঞান দ্বারা মেলাতে পারবেন না। একইভাবে প্রহরীর সাথে পরকীয়া করে ভ্লাদের জন্ম দেওয়া নারীর ঘটনাও আপনি সামাজিক বিজ্ঞান দ্বারা মেলাতে পারবেন না। কাজেই এখনই চিন্তা করা প্রয়োজন যে একটি সুস্থ, নিছক দুনিয়াবি স্বার্থহীন সমাজ গঠনের জন্য আপনার এই সামাজিক বিজ্ঞানগুলোকে গ্রহণ কিংবা পরিত্যাগ উচিত কিনা। আজিজ আর মিজিনের মতো স্বার্থহীন সংসারের পথে প্রধান বাধা এই সামাজিক বিজ্ঞানগুলো কিনা।




