হিন্দুধর্ম

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য

কর্ণ – মহাভারতে অন্যতম বিষদালোচিত একটি চরিত্র। হিন্দুদের কাল্পনিক গ্রন্থ মহাভারত অনুসারে কর্ণ অন্যতম শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা ছিলো। আসুন দেখা যাক, তার জন্ম সম্পর্কে। কর্ণের জন্ম রহস্য কী? কীভাবে সে সূর্যের সন্তান হলো।

শ্রীমদ্ভাগবত (মহাপুরাণ)-এর বর্ণনা

শ্রীমদ্ভাগবততে আছে,

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য

একসময় দুর্বাসা পৃথার পিতা কুত্তির গৃহে আতিথ্য গ্রহণ করেছিলেন, এবং পৃথা তখন পরিচর্যার দ্বারা তাঁকে সন্তুষ্ট করে, যে কোন দেবতাকে আহ্বান করার এক অলৌকিক শক্তি প্রাপ্ত হয়েছিলেন। সেই শক্তি পরীক্ষা করার জন্য পরম পবীত্রা কুত্তী সূর্যদেবকে আহ্বান করেছিলেন।

কুন্তী সূর্যদেবকে আহ্বান করা মাত্রই সূর্যদেব তাঁর সম্মুখে উপস্থিত হয়েছিলেন, এবং কুন্তী তখন অত্যন্ত বিস্মিত হয়েছিলেন। তিনি সূর্যদেবকে বলেছিলেন, “আমি কেবল এই অলৌকিক শক্তির প্রভাব পরীক্ষা করছিলাম। অকারণে আপনাকে আহ্বান করেছি বলে আমি অত্যন্ত দুঃখিত। দয়া করে আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং ফিরে যান।”

সূর্যদেব বললেন—হে সুন্দরী পৃথা! দেবদর্শন কখনও ব্যর্থ হয় না। তাই আমি তোমার গর্ভে আমার বীর্য আধান করব এবং তার ফলে তোমার এক পুত্র হবে। তুমি অবিবাহিতা, তাই যাতে তোমার যোনি অক্ষত থাকে, সেই ব্যবস্থা আমি করব।

এই কথা বলে সূর্যদেব পৃথার গর্ভে বীর্য আধান করেছিলেনএবং তারপর স্বর্গে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। তারপর, তৎক্ষণাৎ কুস্তীর গর্ভে দ্বিতীয় সূর্যদেবের মতো একটি শিশুর জন্ম হয়েছিল।

কুন্তী লোকাপবাদের ভয়ে বহু কষ্টে পুত্রস্নেহ পরিত্যাগ করে, অনিচ্ছা সত্ত্বেও সেই শিশুটিকে একটি পেটিকাবদ্ধ করে নদীর জলে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন।[1]শ্রীমদ্ভাগবত, শ্রীল অভয়চরনাবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ বিরচিত তাৎপর্যসহিত (সংস্কৃত এবং বঙ্গানুবাদ), ৯ম স্কন্দ, অধ্যায় ২৪, শ্লোক ৩২-৩৬

শ্রীমদদেবীভাগবত (উপপুরাণ)-এর বর্ণনা

দেবী ভাগবত পুরাণে এই ঘটনাটি এসেছে এভাবে[2]শ্রীমদদেবীভাগবতম্, ২য় স্কন্দ, অধ্যায় ৬, শ্লোক ১৫-৩০, পৃ ৩০৫-৩০৭, অনুবাদঃ নীলকণ্ঠ ভট্ট,

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য

দুৰ্ব্বাসা ঋষি সেই স্থানে আসিয়া উপস্থিত হন, কুস্তী তাঁহার সেবা করিলে পর তিনি অতিশয় সস্তুষ্ট হইয়া তাঁহাকে একটী মন্ত্র প্রদান করেন। এই মন্ত্র পাঠ করিয়া যে কোন দেবতাকে আহ্বান করিলে তিনি সমাগত হইয়া আহ্বানকারীর মনোবাঞ্ছা পূরণ করিয়া থাকেন ॥১৫-১৬

অনন্তর, দুর্ব্বাসা গমন করিলে সেই গৃহস্থিতা কুত্তী মন্ত্রের পরীক্ষার্থ কোন্ দেবকে আহ্বান করি ইহা চিন্তা করিতে লাগিলেন ॥১৭৷৷

এই সময় দিবাকর সূৰ্য্যকে উদিত দেখিয়া কুন্তী সেই মন্ত্র পাঠ করিয়া তাহাকে আহ্বান করিলেন ॥১৮॥

সূর্য্যদেব মন্ত্রপ্রভাবে নিজ মণ্ডল হইতে অতিসুন্দর মানুষমূর্তি ধারণ করিয়া আকাশমার্গ হইতে সেই গৃহে কুন্তীর সম্মুখে অবতরণ করিলেন ॥১৯॥

চারুলোচনা কুস্তী সূর্য্যদেবকে সমাগত দেখিয়া অতিশয় বিস্ময়ান্বিতা হইয়া কাঁপিতে কাঁপিতে তৎক্ষণাৎ রজস্বলা হইয়া পড়িলেনএবং কৃতাঞ্জলি হইয়া বলিলেন, দেব ! আপনার দর্শনেই আমি কৃতার্থ হইয়াছি এক্ষণে নিজ মণ্ডলে গমন  করুন ৷৷২০-২১।।

এই কথা শ্রবণ করিয়া সূর্য্য কহিলেন, কুন্তী ! তুমি মন্ত্ৰবলে কিজন্য আমাকে আহ্বান করিলে এবং আহ্বান করিয়া কিজন্যই বা সম্মুখাগত আমাকে ভজনা করিতেছ না! হে চারু লোচনে! আমি এক্ষণে কামার্ত হইয়াছি, বিশেষত তোমার প্রতি আমার প্রেমাসক্তি হইয়াছে,অতএব আমাকে ভজনা কর। আমি মন্ত্রবলে তোমার অধীন হইয়াছি, অতএব – রতিক্রীড়ার জন্য আমাকে গ্রহণ কর॥২২-২৩॥

সূর্য্যদেবের এই কথা শ্রবণ করিয়া কুন্তী কহিল, হে ধর্মজ্ঞ! আপনিই সকলের সাক্ষী স্বরূপ। এক্ষণে আমি ত কন্যা, আপনাকে নমস্কার করি। হে সুব্রত! আমাকে কুলকন্যা বলিয়া জানিবেন অতএব কোনরূপ দুৰ্ব্বাক্য বলিবেন না॥২৪॥

সূৰ্য্যদেব ইহা শুনিয়া বলিলেন, কুন্তি! যদি আমি অদ্য বৃথা ফিরিয়া যাই তাহা হইলে সমস্ত দেবগণের নিকট নিন্দাভাজন হইব এবং ইহা আমার অতিশয় লজ্জার বিষয় তাহাতে সন্দেহ নাই। কুন্তি! অদ্য তুমি যদি আমাকে ভজনা না কর তাহা হইলে তোমাকে এবং যে ব্রাহ্মণ তোমায় এই মন্ত্র প্রদান করিয়াছে তাহাকে অতিকঠোর শাপ প্রদান করিব।।২৫-২৬ ॥

(আর যদি তুমি আমায় ভজনা করতাহা হইলে) হে বরাননে ! তোমার কন্যাধর্ম্ম স্থির থাকিবে,কেহই এ বিষয় জানিতে পারিবে নাএবং আমার সদৃশ তোমার একটা সস্তান হইবে ॥২৭॥

দেবপতি সূৰ্য্য এই কথা বলিয়া সেই একাগ্রচিত্তা এবং অতিলজ্জিতাকুন্তীকে  উপভোগ করিয়াঅভিলষিত বর প্রদান করত প্রস্থান করিলেন ৷৷২৮॥

অনন্তর সেই  সুশ্রোণী কুস্তী গৃহে থাকিয়া গোপনে গর্ভধারণ করিতে লাগিল। ইহা কেবল তাঁহার প্রিয় ধাত্রী জানিত অন্য কেহ অধিক কি তাহার মাতা পর্যন্তও জানিতে পারেন নাই ॥২৯॥  এইরূপে কিছুদিন গত হইলে অতি গোপনে সেই গৃহে একটা মনোহর পুত্র জন্মিল।

মহাভারতের বর্ণনা

মহাভারতের আদিপর্বেও[3]মহাভারত, আদিপর্ব, অধ্যায় ১১১, অনুবাদঃ কালীপ্রসন্ন সিংহ এই ঘটনার বর্ণনা রয়েছে,

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য

কুন্তী কন্যকাবস্থায় ব্রাহ্মণসেবায় ও অতিথিপরিচর্য্যায় নিযুক্তা ছিলেন এবং সর্ব্বপ্রযত্ন-সহকারে পরিচর্য্যা দ্বারা অভ্যাগতদিগকে পরিতুষ্ট করিতেন। একদা ধার্ম্মিকাগ্রগণ্য মহাতেজস্বী, জিতেন্দ্রিয়, মহর্ষি দুর্ব্বাসা কুন্তিভোজের গৃহে আতিথ্যস্বীকার করিলেন। আতিথেয়ী [অতিথিসেবাকূশলা] কুন্তী ভক্তিযোগ-সহকারে ও পরম-সমাদরে তাঁহার সেবাবিধি নির্ব্বাহ করিলে, মহর্ষি পরিতুষ্ট হইয়া তাঁহাকে এক মহামন্ত্র প্রদান করিলেন এবং কহিয়া দিলেন, ”বৎসে! আমি তোমার সেবায় সন্তুষ্ট হইয়া তোমাকে এই মহামন্ত্র প্রদান করিলাম, তুমি ইহা পাঠ করিয়া যে যে দেবতাকে আহ্বান করিবে, তাঁহাদের প্রভাববলে তোমার গর্ভে এক এক পুৎত্র উৎপন্ন হইবে।”  কুন্তী-গর্ভে কর্ণের জন্ম      মুনিবর এই বলিয়া প্রস্থান করিলে পর কুন্তী বালস্বভাবসুলভ কৌতুহলাক্রান্ত হইয়া মহর্ষি-দত্ত মন্ত্র দ্বারা সূর্য্যদেবতাকে আহ্বান করিলেন। মন্ত্রবলে অশেষ-ভুবনদ্বীপ-দীপক [সমস্ত জগৎ উদ্ভাসনকারী] ভগবান তৎক্ষণাৎ আসিয়া সম্মুখে উপস্থিত হইলেন এবং কহিলেন, ”সুন্দরি! তোমার অভিপ্রায়ানুসারেউপস্থিত হইয়াছি, কি করিতে হইবে, বল?” কুন্তী এই অদ্ভুদ ব্যাপার-দর্শনে আশ্চর্য্যান্বিত হইয়া কৃতাঞ্জলিপুটে নিবেদন করিলেন, ”ভগবান! এক ব্রাহ্মণ আমাকে বিদ্যা ও বরপ্রদান করিয়া যান, আমি তৎপরীক্ষা-বাসনায় আপনাকে আহ্বান করিয়া অতি মূঢ়ের কার্য্য করিয়াছি, আমার আপরাধ হইয়াছে, ভগবান! এক্ষণে চরণ ধরিয়া বিনয়পূর্ব্বক প্রার্থনা করিতেছি, কৃপাময়! কৃপা প্রকাশ করিয়া অপরাধ মার্জ্জনা করুন। স্ত্রীলোক সহস্র অপরাধে অপরাধনী হইলেও তাহাকে ক্ষমা করা মহতের কর্ত্তব্য কর্ম্ম।” সূর্য্যদেব কুন্তীর কাতরোক্তি শুনিয়া মধুরবচনে কহিলেন, ”সুন্দরি! মহর্ষি দুর্ব্বাসা তোমাকে যে বর ও বিদ্যা প্রদান করিয়া গিয়াছেন, আমি তৎসমস্ত অবগত আছি, তুমি ভীত হইও না, অসন্দিগ্ধচিত্তে আমার ভোগাভিলাষপুর্ণ কর। দেখ শুভে! তুমি আমাকে আহ্বান করিয়াছ, আমি তাহাতেই আসিয়াছি, এক্ষণে আমার মনোরথ ব্যর্থ করা কোনক্রমেই উচিত নহে; আর যদি তুমি একান্তই অসম্মত হও, তাহা হইলে অবশ্যই দোষভাগিনী হইবে, সন্দেহ নাই।”সূর্য্যদেব এইরূপ নানা প্রকার বুঝাইলেও কুন্তী কন্যাবস্থা ও লজ্জাভয়ের অনুরোধ স্বীকার পাইলেন না। তখন সূর্য্যদেব পুনর্ব্বার কহিলেন, ”হে বরবর্ণিনি! তোমার কিছুমাত্র শঙ্কা নাই। আমি কহিতেছি, আমার প্রসাদবলে ইহাতে তোমার কোন দোষ হইবে না।” এই বলিয়া কুন্তীকে সম্মত করিয়া তাঁহার সহিত সহবাসে প্রবৃত্ত হইলেন।সূর্য্যদেবের সহযোগে কুন্তী গর্ভবতী হইলেন এবং সর্ব্বশাস্ত্রবেত্তা, কবচকুণ্ডলধারী, পরমরূপবান এক পুৎত্র-সন্তান প্রসব করিলেন। ঐ পুৎত্র ভুবনতলে কর্ণ নামে বিশ্রুত হইয়াছিল। ভগবান্ সূর্য্যদেব তুষ্ট হইয়া পুনর্ব্বার কুন্তীকে কন্যাত্ব প্রদান করিয়া অম্বরতলে [আকাশে] আরোহণ করিলেন। কুন্তী সদ্যজাত নবকুমার দর্শনে বিষণ্ণ মনে ভাবিতে লাগিলেন, ”এখন কি করি? এ বিষয় কি গোপন রাখিব, না প্রকাশ করিব? ” পরিশেষে বন্ধুজন ভয়ে আত্মদোষ গোপন করাই শ্রেয়ঃকল্প স্থির করিয়া সেই মহাবলপরাক্রান্ত সদ্যঃপ্রসুত কুমারকে লইয়া জলে নিক্ষেপ করিলেন।

সেসময় কুন্তীর বয়স কত ছিলো?

মহাভারতের বর্ণনা থেকে দেখা যায়, কুন্তী কন্যাবস্থায়/কন্যকাবস্থায় ছিলো। ১২২ অধ্যায়ে দেখা যায়, পরবর্তীতে কুন্তী নবযৌবনা (Just Puberty)  হয়। অর্থাৎ, সূর্য্যের সাথে যৌনসহবাসের সময় সে নাবালিকাই ছিলো।

হিন্দু আইনশাস্ত্র পরাশরসংহিতায়[4]পরাশরসংহিতা ৭:৮ আছে,

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য

সংবর্ত্তসংহিতায়[5]সংবর্ত্তসংহিতা ৬৫-৫৮ এসেছে,

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য
সংবর্ত্তসংহিতা ৬৫-৬৮

অর্থাৎ, কন্যা/কন্যকা কুন্তী সেসময় দশ বছর বয়সী ছিলো।

ধর্ষণ নাকি ব্যভিচার?

এটা পাঠকের উপরেই ছেড়ে দিলাম। ৩টি বর্ণনা একসাথে মিলিয়ে দেখা যায়,

নাবালিকা কুন্তী সূর্য্যদেবকে আহবান করে ক্ষমা চেয়েছে, চলে যেতে বলেছে।

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য
সূর্য্যদেবকে কুন্তীর আহবান

কিন্তু কামার্ত এবং ১০ বছর বয়ষ্কা অবিবাহিত কুন্তীর প্রতি প্রেমাসক্ত সূর্য্য কুন্তীকে শাপ দেওয়ার কথা বলে ব্লেকমেইল করে এবং তাকে কন্যাবস্থায় আবার ফিরিয়ে দেওয়ার কথা (সহবাস করে ভার্জিনিটি নষ্ট করার পর আবার সেটা ফিরিয়ে দেওয়া) বলে কুন্তীকে সহবাসে ❝সম্মত❞ করে। তারপর সূর্য্য কুন্তীকে উপভোগ করে। সূর্য্যের ঔরসে কর্ণের জন্ম হয়।

সূর্য্যদেব-কুন্তীর ব্যভিচার এবং কর্ণের জন্ম রহস্য
কর্ণকে জলে ভাসাচ্ছে কুন্তী

এবং লোকলজ্জায় সেই ফসল কর্ণকে জলে ভাসিয়ে দেয় কুন্তী।

এই ঘটনাকে ব্যভিচার বলবেন নাকি ধর্ষণ, সেটা পাঠক কোন সংজ্ঞায় বিশ্বাসী সেটার উপর নির্ভর করবে।

পার্থেনোজেনেসিস?

এক হিন্দু উক্ত ঘটনাকে ‘পারথেনোজেনেসিস’ বলে দাবি করেছে।

সাধারণত ডিম্বাণুর সাথে শুক্রাণুর মিলনের ফলে ভ্রুণ তৈরি হয়। কিছু কিছু উদ্ভিদ ও প্রাণীর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটে। সেক্ষেত্রে ডিম্বাণু এবং শুক্রাণুর মিলন ছাড়াই অনিষিক্ত ডিম্বাণু/শুক্রাণু থেকে ভ্রুণ গঠিত হয়। এধরণের প্রজননকে পারথেনোজেনেসিস বা অপুংজনি বলা হয়।[6]সাইন্স বি

এখানে স্পষ্টতই সূর্যদেব ও কুন্তীর যৌনমিলন ঘটেছে। কুন্তীর কন্যাবস্থা নষ্ট করে আবার ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তাই উক্ত ভদ্রলোকের দাবি ভিত্তিহীন।

কুন্তীর দিক দিয়ে ঘটনার প্রবাহ

পরেও দেখা যায় কুন্তী উক্ত মন্ত্রের সাহায্য নিয়ে দেবতাদের সাথে যৌনসহবাস করে। অক্ষম স্বামী পাণ্ডু সন্তানোৎপাদন না করতে পারায়, দেবতাদের সাথে সঙ্গম করেই পঞ্চপাণ্ডবের জন্য দেয় কুন্তী।

সে সম্পর্কে জানুন এখানেঃ

    Footnotes

    Footnotes
    1শ্রীমদ্ভাগবত, শ্রীল অভয়চরনাবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ বিরচিত তাৎপর্যসহিত (সংস্কৃত এবং বঙ্গানুবাদ), ৯ম স্কন্দ, অধ্যায় ২৪, শ্লোক ৩২-৩৬
    2শ্রীমদদেবীভাগবতম্, ২য় স্কন্দ, অধ্যায় ৬, শ্লোক ১৫-৩০, পৃ ৩০৫-৩০৭, অনুবাদঃ নীলকণ্ঠ ভট্ট
    3মহাভারত, আদিপর্ব, অধ্যায় ১১১, অনুবাদঃ কালীপ্রসন্ন সিংহ
    4পরাশরসংহিতা ৭:৮
    5সংবর্ত্তসংহিতা ৬৫-৫৮
    6সাইন্স বি
    Show More

    ইন্দো আর্য

    [ছদ্মনামে লিখি] Join: t.me/HinduDhormo
    5 3 votes
    Article Rating
    Subscribe
    Notify of
    guest
    0 Comments
    Inline Feedbacks
    View all comments
    Back to top button