ইসলামবিরোধীদের প্রতি জবাব

আব্দুল্লাহ ইবনে খাতালকে কি কা’বার গিলাফ ধরার জন্য হত্যা করা হয়েছিলো?

আব্দুল্লাহ ইবনে খাতাল-কে কেন হত্যা করা হয়েছিলো?

কিছু অজ্ঞ ব্যক্তি নিম্নোক্ত হাদিস দেখিয়ে অভিযোগ করে মক্কা বিজয়ের পর সাধারণ ক্ষমা নির্দেশ করলে ইবনে খাতালকে কেন হত্যা করতে বললেন? এটা তার ব্যক্তিগত আক্রোশ। (নাউজুবিল্লাহ)
আবার আরেকদল আরো প্রচণ্ড অজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে বলে, কা’বার ফিলাফ ধরার জন্যই নাকি হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, মক্কা বিজয়ের বছর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লৌহ শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় (মক্কা) প্রবেশ করেছিলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিরস্ত্রাণটি মাথা হতে খোলার পর এক ব্যক্তি এসে তাঁকে বললেন, ইবনু খাতাল কা‘বার গিলাফ ধরে আছে। তিনি বললেনঃ তাকে তোমরা হত্যা কর।[1]বুখারী (তাওহীদ) ১৮৪৬, ৩০৪৪, ৩২৮৬, ৫৮০৮, ৪২৮৬, সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৭৪; আবু দাউদ, হা/২৬৮৭; নাসাঈ, হা/২৮৬৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২০৮৭; ইবনে খুযাইমা, হা/৩০৬৩; ইবনে … See Full Note

তারা জানেন না নয়জন বড় বড় পাপীদের জন্য জন্য কোনো ক্ষমা ছিলো না, নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো তারা যদি কা’বার পর্দাও ধরে থাকে তাদের হত্যা করতে হবে। (ঘোষণা করা হয়েছিলো যারা কা’বাতে অবস্থান নেবে তারা নিরাপদ)। সেদিকেই আসছি।

আব্দুল্লাহ ইবনে খাতালকে কি কা’বার গিলাফ ধরার জন্য হত্যা করা হয়েছিলো?

এটি নিতান্তই মূর্খতাপূর্ণ দাবি। কারণ এর উল্টোটাই ইতিহাস দ্বারা প্রমাণিতঃ
তারিক আল-রুসুল ওয়াল-মুলুক‘ – আবু জাফর মুহাম্মদ বি জারির আল-তাবারি (৮৩৮ – ৯২৩ ঈসায়ী):

“অতএব আমি তাকে বললাম, ‘আল্লাহর রসূল, আবু সুফিয়ান একজন ব্যক্তি যিনি গৌরব পছন্দ করেন। তাকে এমন কিছু দান করুন যা তার বংশের মধ্যে [তার কারণ] হবে।’ তিনি বললেন, হ্যাঁ, যে ব্যক্তি আবু সুফিয়ানের ঘরে প্রবেশ করবে সে নিরাপদ থাকবে; যে কেউ মসজিদুল হারামে প্রবেশ করবে সে নিরাপদ থাকবে; এবং যে কেউ তার দরজা তার পিছনে তালা দিবে সে নিরাপদ থাকবে ।’ …আবু সুফিয়ান তাড়াহুড়ো করে চলে গেল। যখন তিনি মক্কায় পৌঁছেন, তিনি পবিত্র স্থানে চিৎকার করে বললেন, ‘কুরায়শের লোকেরা, দেখ মুহাম্মদ তোমাদের উপর এমন বাহিনী নিয়ে এসেছেন যাকে তোমরা প্রতিরোধ করতে পারবে না।’ ‘তখন কি?’ তারা বলল, ‘হায়, তোমার বাড়ি আমাদের কি কাজে আসবে!’ তিনি বলেছিলেন, ‘যে কেউ মসজিদুল হারামে প্রবেশ করবে সে নিরাপদ থাকবে, এবং যে কেউ তার দরজা পিছনে তালা দেবে সে নিরাপদ থাকবে।’ … যখন আল্লাহর রাসূল তাঁর সেনাপতিদের মক্কায় প্রবেশের নির্দেশ দেন, তখন তিনি তাদের কাউকে হত্যা না করার নির্দেশ দেন যারা তাদের সাথে যুদ্ধ করেছিল তাদের ছাড়া…”[2]The History Of al-Tabari (“Ta’rikh al-rusul wa’l-Muluk”) – The Victory of Islam [Translated and annotated by Michael Fishbein, University of California, Los Angeles – Bibliotheca Persica, edited by Ehsan Yar-Shater – State University Of New York Press, Albany., 1997], by Abu Ja’far Muhammad b Jarir al-Tabari, volume VIII (8), page 173 – 178

আর রাহীকুল মাখতুম,

…যে ব্যক্তি আবূ সুফইয়ানের ঘরে প্রবেশ করবে সে আশ্রিত হবে এবং যে নিজ ঘরের দরজা ভিতর হতে বন্ধ করে নেবে সে আশ্রিত হবে এবং যে মসজিদুল হারামে প্রবেশ করবে সেও আশ্রিত হবে।…”[3]আর রাহীকুল মাখতুম, তাওহীদ পাব্লিকেশন্স http://www.hadithbd.com/books/link/?id=6384

ইবনু খাতাল বরং বাঁচার জন্য কা’বায় গিয়ে অবস্থান নিয়েছিলো! সুতরাং কা’বার পর্দা ধরে থাকা হত্যার কারণ হতেই পারে না।

তাহলে ইবনু খাতালকে কেন হত্যা করা হয়েছিলো? কেন সাধারণ ক্ষমা দেওয়া হয় নি?

ইবনু খাতাল সেই নয়জন ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যাদের ক্ষমার আওতা থেকে বাইরে রাখা হয়েছিলো। খাতাল একজন খুন, মুরতাদ হয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, সম্পদ আত্মসাৎ, যুদ্ধের উষ্কানি দেওয়াসহ আরো অপরাধের সাথে যুক্ত ছিলেন।
তাকে সাধারণ ক্ষমার বাইরে রাখা হয়েছিলো – আর রাহীকুল মাখতুম থেকে,

মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বড় বড় পাপীদের মধ্য থেকে নয় ব্যক্তির রক্ত মূল্যহীন সাব্যস্ত করে নির্দেশ প্রদান করেন যে, যদি তাদেরকে কা‘বার পর্দার নীচেও পাওয়া যায় তবুও তাদের হত্যা করা হবে। তাদের নাম হচ্ছে যথাক্রমে (১) আবদুল উযযা বিন খাতাল, (২) আব্দুল্লাহ বিন সা‘দ বিন আবূ সারাহ, (৩) ইকরামা বিন আবূ জাহল, (৪) হারিস বিন নুফাইল বিন ওয়াহাব, (৫) মাকীস বিন সাবাবাহ, (৬) হাব্বার বিন আসওয়াদ, (৭) ও (৮) ইবনু খাতালের দুই দাসী যারা কবিতার মাধ্যমে নাবী কারীম (ﷺ)-এর বদনাম রটাত, (৯) সারাহ যে আব্দুল মুত্তালিবের সন্তানদের মধ্যে কারো দাসী ছিল। এর নিকটে হাতেব লিখিত পত্রখানা পাওয়া গিয়েছিল।…
…ইবনু খাতাল কা‘বা ঘরের পর্দা ধরে ঝুলছিল। একজন সাহাবী নাবী (ﷺ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে তাঁকে তার সম্পর্কে অবগত করালে তিনি তাকে হত্যার নির্দেশ প্রদান করেন ফলে তাকে হত্যা করা হয়। মাকীস বিন সাবাবাকে নুমায়লাহ বিন আব্দুল্লাহ হত্যা করেন। মাকিসও পূর্বে মুসলিম হয়েছিল। কিন্তু পরে এক আনসারীকে হত্যা করে মুরতাদ হয়ে গিয়েছিল।[4]আর রাহীকুল মাখতুম, তাওহীদ পাব্লিকেশন্স http://www.hadithbd.com/books/link/?id=6395

ইবনু খাতালের অপরাধসমূহ

আব্দুল্লাহ ইবনে খাতাল, নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর সহচর ছিলেন, যাকে কর সংগ্রহের জন্য পাঠানো হয়েছিল। তার সাথে একজন দাসও ছিল। তারা যখন বিশ্রামের জন্য একটি জায়গায় থামলেন, আবদুল্লাহ সেই দাসকে কিছু খাবার রান্না করতে বলেছিলেন। তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। আব্দুল্লাহ যখন ঘুম থেকে উঠে দেখেন যে কোন খাবার প্রস্তুত করা হয় নি, তখন তিনি রেগে সেই দাসকে আক্রমণ করেন এবং তাকে হত্যা করেন।
আব্দুল্লাহ রাসূল (সাঃ) এর কাছে ফিরে যেতে ভয় পেয়েছিলেন, কারণ ফিরে গেলে, অবৈধভাবে জীবন নেয়ার জন্য তাকে হত্যা করা হবে। অতঃপর ইবনে খাতাল মুরতাদ হয়ে গেলেন এবং রাসূল (সাঃ) এর বিরুদ্ধে কুরাইশদের সাথে যোগ দিলেন। অতঃপর যখন নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) মক্কা বিজয় করলেন, তখন রাসূল (সাঃ) যাদেরকে হত্যা করার আদেশ দিয়েছিলেন, যাদের জন্য ক্ষমা ছিলো না, তিনি তাদেরই একজন ছিলেন।
আলিম মাওলানা ওয়াহিদউদ্দিন খান (রহঃ):

আব্দুল্লাহ ইবনে খাতাল, যিনি পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তাকে নবী দ্বারা কর আদায়ের জন্য পাঠিয়েছিলেন। তার সাথে একজন ক্রীতদাস ও একজন আনসারও ছিলো। আব্দুল্লাহ ইবনে খাতাল ক্রীতদাসকে খাবারের জন্য একটি মুরগী রান্না করতে বলেছিলেন, কিন্তু দাসটি সেই কাজের পরিবর্তে ঘুমাতে গিয়েছিল এবং সময়মতো খাবার প্রস্তুত করতে অক্ষম ছিল। আব্দুল্লাহ ইবনে খাতাল রাগান্বিত হয়ে দাসকে হত্যা করেন। এখন যদি তিনি মদিনায় ফিরে আসেন, তবে নবী (সাঃ) অবৈধ হত্যার জন্য কঠোর শাস্তি দেবেন – এই ভয়ে তিনি মুরতাদ হন এবং কাফেরদের সাথে যোগ দেন। তিনি একজন কবি ছিলেন, তিনি নবীকে অপমান করে কবিতা আবৃত্তি করতেন। যেদিন মক্কা বিজয় করা হয়, সেদিন তিনি কাবার পর্দাতে নিজেকে গুটিয়ে নেন। রাসূল (সাঃ) কে যখন বলা হলো, তখন তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে খাতালকে সেই স্থানেই হত্যা করার নির্দেশ দিলেন। আবু বুরজাহ ও সা’দ ইবনে হারিস তাকে কালো পাথর ও ইব্রাহীম (আঃ)-এর স্থানের মাঝখানে হত্যা করেন।[5]Muhammad: A Prophet for All Humanity By Maulana Wahiduddin Khan, page 327 – 328

মামার ইবনে রশিদ (রহঃ):

ইবনে খাতাল (হিলাল ইবনে আব্দেল্লাহ ইবনে আব্দ মানাফ আল-আদ্রামি) (ঘ. ৮/৮৩০) মুষ্টিমেয় ব্যক্তিদের মধ্যে একজন, যাদের মৃত্যুর আদেশ মুহাম্মাদ মক্কা বিজয়ের পরে দিয়েছিলেন। ইবনে খাতাল ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং হিজরত করে মদিনায় যান, যার পরে নবী (সা.) তাকে যাকাত (আল-সাদাকাহ) এর সংগ্রাহক নিযুক্ত করেন। শুধু খাবার তৈরিতে অবহেলার জন্য ক্রোধের বশবর্তী হয়ে একজন ক্রীতদাসকে হত্যা করার পর তিনি মুরতাদ হয়েছিলেন। এরপর তিনি মক্কায় আশ্রয়ের জন্য পালিয়ে যান, এই ভয়ে যে মুহাম্মাদ (সাঃ) তার অপরাধের জন্য তাকে মৃত্যুদন্ড দেবেন[6]The Expeditions: An Early Biography of Muhammad By Mamar Ibn Rashid, page 329 [Glossary]

অধ্যাপক তাহা জাবির আলালওয়ানি:

-আব্দুল্লাহ ইবনে খাতাল-
ইবনে ইসহাক বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল, বানু তাইম ইবনে গালিব গোত্রের একজন লোক ছিলেন এবং তাকে হত্যা করার আদেশ দেওয়া হয়েছিল [মক্কা বিজয়ের দিন]। একজন মুসলিম, তাকে আল্লাহর রাসূল (সা.) কর্তৃক জাকাত সংগ্রহকারীরূপে প্রেরণ করা হয়েছিল এবং তার সাথে একজন আনসারকে প্রেরণ করা হয়েছিল। তার সাথে একজন মুসলিম দাসও ছিল। তারা কোথাও বিশ্রাম করার জন্য থামে এবং আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল সে দাসকে একটি পাঁঠা জবাই করার জন্য এবং কিছু খাবার প্রস্তুত করার নির্দেশ দেন। এরপর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। যখন তিনি জেগে উঠলেন এবং দেখলেন চাকর তখনও তার জন্য কিছু প্রস্তুত করেননি, তখন তিনি তাকে আক্রমণ করেছিলেন এবং তাকে হত্যা করেছিলেন, তারপরে মুরতাদ হয়ে ছিলেন এবং শিরকে ফিরে গিয়েছিলেন। সুতরাং, এই লোকটিও খুনের জন্য ছিল, এবং তার মুরতাদ হওয়া একটি অতিরিক্ত অপরাধ ছিল, তিনি একজন স্থলদস্যু, চোর এবং এমন কেউ যিনি জনসাধারণের তহবিলের সাথে বিশ্বাসঘাতকার আচরণ করেছিলেন। উপরন্তু, তিনি আল্লাহর রসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়েছিলেন এবং অন্যদেরকে তার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। আব্দুল্লাহ ইবনে খাতাল সম্পর্কে, আল-বালাধুরী উল্লেখ করেছেন, যার বিবরণ ইবনে ইসহাকের থেকে সামান্যই আলাদা। তিনি বলেছেন:
তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মদিনায় হিজরত করেন, অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সা.) তাকে জাকাত সংগ্রাহক রূপে প্রেরণ করেন। রাসূল তার সাথে খুজ’আহ গোত্রের একজন লোককে পাঠালেন, যাকে খাতাল আক্রমণ করেছিলেন এবং হত্যা করেছিলেন। এর কারণ হলো, একদিন যখন আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল ঘুম দেখলেন যে, তিনি (খুজা’আতর লোকটি) তার জন্য কোন খাবার প্রস্তুত করেননি, তখন তিনি ক্রোধের বশবর্তী হয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাঃ) এর জন্যে আমাকে হত্যা করবেন। অতঃপর তিনি ইসলাম ত্যাগ করলেন এবং তার সাথে থাকা যাকাত আত্মসাৎ করলেন/ তিনি মক্কায় গেলেন এবং এর লোকদের বললেন, ‘আমি তোমাদের চেয়ে উত্তম কোন ধর্ম খুঁজে পাইনি,’ আবদুল্লাহ ইবনে খাতালের কাছে দু’টি গান ছিল, যারা গান গেয়ে আল্লাহর রাসূলকে ব্যঙ্গ করতো, আর মুশরিকরা তার সাথে সমবেত হয়ে তা শুনতো ও মদ পান করতো। যেদিন মক্কা জয় করা হয়েছিল, সেদিন রাসূল (সা.) বলেছিলেন, ‘তাকে হত্যা কর, এমনকি যদি সে কাবা’র আবরণে আঁকড়ে ধরেও থাকে, এবং আবু বারজাহ আল-আসলামি তাকে হত্যা করে।[7]Apostasy in Islam: A Historical and Scriptural Analysis By Taha Jabir Alalwani, page 51 – 52

এবং আল্লাহই ভালো জানেন।

মূল লেখাঃ https://discover-the-truth.com/2015/03/29/abdullah-bin-khatal-took-an-innocent-life/

বাংলায় পুনর্লিখনঃ তাহসিন আরাফাত

    Footnotes

    Footnotes
    1বুখারী (তাওহীদ) ১৮৪৬, ৩০৪৪, ৩২৮৬, ৫৮০৮, ৪২৮৬, সহীহ মুসলিম, হা/৩৩৭৪; আবু দাউদ, হা/২৬৮৭; নাসাঈ, হা/২৮৬৭; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২০৮৭; ইবনে খুযাইমা, হা/৩০৬৩; ইবনে হিব্বান, হা/৩৭১৯; মুসনাদে বাযযার, হা/৬২৯০ ইত্যাদি।
    2The History Of al-Tabari (“Ta’rikh al-rusul wa’l-Muluk”) – The Victory of Islam [Translated and annotated by Michael Fishbein, University of California, Los Angeles – Bibliotheca Persica, edited by Ehsan Yar-Shater – State University Of New York Press, Albany., 1997], by Abu Ja’far Muhammad b Jarir al-Tabari, volume VIII (8), page 173 – 178
    3আর রাহীকুল মাখতুম, তাওহীদ পাব্লিকেশন্স http://www.hadithbd.com/books/link/?id=6384
    4আর রাহীকুল মাখতুম, তাওহীদ পাব্লিকেশন্স http://www.hadithbd.com/books/link/?id=6395
    5Muhammad: A Prophet for All Humanity By Maulana Wahiduddin Khan, page 327 – 328
    6The Expeditions: An Early Biography of Muhammad By Mamar Ibn Rashid, page 329 [Glossary]
    7Apostasy in Islam: A Historical and Scriptural Analysis By Taha Jabir Alalwani, page 51 – 52
    2 1 vote
    Article Rating
    Subscribe
    Notify of
    guest
    0 Comments
    Inline Feedbacks
    View all comments
    Back to top button